অত:পর সর্বনিন্ম জরিমানা!

Print

 

বুধবার (১১ মে) সকালে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ফতুল্লা সার্কেলের এসিল্যান্ড নাহিদা বারিক এ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় অনুমোদনহীন প্রায় ২০ হাজার টাকার ঔষধ জব্দ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত পপুলার মেডিসিন কর্ণারে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাহিদা বারিক নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হলে সেখানে সরকার কতৃক অনুমোদনহীন  ‘ফুড সাপ্লিমেন্টারী’ যা কিনা কোন ঔষধের আওতায়ই পরে না, সেরকম প্রায় ২০ হাজার টাকার ঔষধ পাওয়া যায় বলে জানান অভিযানে অংশ নেওয়া নারায়ণগঞ্জের ড্রাগ সুপার মোঃ সামসুদ্দিন। আর এ ধরনের ঔষধ রাখা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলে জানান তিনি। এ কারনেই তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে।

Times-13এ দিকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নাহিদা বারিকের মোবাইল ফোনে জেলা প্রশাসন থেকে উচ্চ পদস্থ কোন অফিসারের কল আসে। কল রিসিভ করে ম্যাজিষ্ট্রেট নাহিদা বারিক বলতে থাকেন ‘স্যার, এখানে অনুমোদনহীন ঔষধ বস্তা ভরে রাখা হয়েছে। জব্দ তালিকা করা হয়ে গেছে। লোকজন দেখছে, এখন চলে আসা সম্ভব নয়। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। সর্বনিন্ম ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে দিচ্ছি’। ফোন শেষে ম্যাজিষ্ট্রেট নাহিদা বারিক উপস্থিত পপুলারের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন ‘আপনারা ডিসি অফিসে ফোন দিয়েছেন কেন? ম্যাজিষ্ট্রেট মোবাইল কোর্ট চালাবে তার নিজের ইচ্ছায়। ডিসি অফিস কি করবে। আমি এখানে আবার আসবো। এবারতো জরিমানা করলাম। পরেরবার যদি উল্টাপাল্টা কিছু পাই তবে সিলগালা করে দেব’।

Times-2

তাহলে জেলা প্রশাসনের কোন স্যার তাকে মুঠোফোনে কল করেছিলেন এব্যাপারে নাহিদা বারিক তাৎক্ষনিক কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। এরপর দুপুর ২ টা ৪৩ মিনিটে টাইমস নারায়ণগঞ্জ এর এ প্রতিবেদক তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 38 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ