অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) করার এ টু জেড

Print

এমআরপি আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী

আবেদন ফরম পুুরণের পূর্বে নিচের তথ্য গুলো ভালোভাবে পড়ে নিন

একটি ফরম যাদের জন্য প্রযোজ্য:

  • সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/ কর্মচারী ও তাদের স্বামী/স্ত্রী, এবং সরকারী চাকুরীজীবির নির্ভরশীল ১৫ (পনের) বৎসরের কম বয়সী সন্তান। এক্ষেত্রে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি সনদ (NOC) দাখিল করতে হবে। এবং তাঁরা সাধারণ ফি জমা করে জরুরী সুবিধা পাবেন।
  • সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/ কর্মচারী, যাদের প্রাসঙ্গিক জিও (GO) আছে।
  • অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবি ও তাদের স্বামী/স্ত্রী। তারা সাধারণ ফি জমা করে জরুরী সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের সনদ দাখিল করতে হবে।
  • বৈধ পাসপোর্ট(মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়নি এমন, তবে ইস্যূর তারিখ থেকে ১২ বছরের অনধিক) সমর্পণকৃতদের (সারেন্ডারড)জন্য এবং
  • এমআরপি Re-issue এর ক্ষেত্রে।

দুইটি ফরম যাদের জন্য প্রযোজ্য:

  • নতুন পাসপোর্টের জন্য ।
  • ১২ বছর উত্তীর্ণ হাতে লেখা পাসপোর্টের ক্ষেত্রে।
  • পূর্ববর্তী পাসপোর্টের স্হায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হলে।

যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন:

সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, কাউন্সিলরগণ, গেজেটেডড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্বিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধা সরকারী/ স্বায়ত্বশাসিত / রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।

আবেদনকারীকে নিম্ন্ লিখিত দলিলাদি আবেদনপত্রে অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহের (যেমনঃ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) সত্যায়িত ফটোকপি
  • অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা ও মাতার একটি করে রঙ্গিন ছবি ( ৩০ × ২৫ মি.মি.) আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়ন করতে হবে।

অন্যান্য নির্দেশাবলী

  • আবেদনকারীকে স্বশরীরে পাসপোর্ট অফিসে এসে আবেদন দাখিল এবং প্রি ও বায়োএনরোলমেন্ট করতে হবে। তবে পাঁচ বৎসরের নীচে শিশুদের পাসপোর্ট সাইজ ছবি নিয়ে আসতে হবে।
  • কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাভের যোগ্য আবেদনকারীগণকে পূরণকৃত ফরম ও সংযুক্তিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।
  • শিক্ষাগত বা চাকুরীসূত্রে প্রাপ্ত পদবিসমূহ (যেমনঃ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ডক্টর, পিএইচডি ইত্যাদি ) নামের অংশ হিসাবে পরিগণিত হবে না।
  • ফরমের ক্রমিক নং ৩ পূরণের ক্ষেত্রে, একাধিক অংশ থাকলে প্রতি অংশের মাঝখানে ১টি ঘর শূণ্য রেখে পূরন করতে হবে। আবেদনকারীর পিতা, মাতা স্বামী/স্ত্রী মৃত হলে ও নামের পূর্বে’মৃত/মরহুম/Late’লেখা যাবে না।
  • পাসপোর্ট সমর্পণকৃতদের (সারেন্ডারড)আবেদনপত্রের সাথে অবশ্যই পূর্বের পাসপোর্ট নিয়ে আসতে হবে।
  • ছবি তোলার সময় সাদা পোশাক, সাদা ‍টুপি এবং চোখে চশমা পরা যাবে না।
  • ছবি, স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ প্রদানের পুর্বে একটি প্রাক ডেলিভারী রশিদ প্রদান করা হয় যাতে পাসপোর্ট এ প্রদর্শিত সকল তথ্য দেওয়া থাকে। উক্ত রশিদে আপনার তথ্য সঠিক আছে কিনা যাচাই করে নিন এবং কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে জানিয়ে তাৎক্ষণিক সংশোধন করে নিতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, পাসপোর্ট আবেদনকারীর ছবি, স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ প্রদানের পর মূল ডেলিভারী রশিদ প্রদান করা হয় এবং এরপর সংশোধনের আর কোন সুযোগ থাকে না। অতএব, কাউন্টার ত্যাগের পূর্বে আপনার তথ্য যাচাই করে ডেলিভারী রশিদ বুঝে নিন।
  •  www.passport.gov.bd এই ঠিকানায় প্রবেশ করে Application Status অপশন থেকে ডেলিভারী রশিদে প্রদত্ত আপনার Enrolment ID এবং Date of Birth প্রদান করে আবেদনের বর্তমান অবস্থা জেনে নিতে পারবেন।

পাসপোর্ট করার নিয়ম: কীভাবে অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন ?

নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী।  ব্যবসা, চাকরি, ভ্রমণ, লেখাপড়া যে কারণেই হোক না কেন প্রতিদিনের অনেক প্রয়োজনীয় কাজকর্মে ব্যবহার হয় এ পাসপোর্ট। আজকে,পাসপোর্ট করার নিয়ম: কীভাবে অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন কোন ঝমেলা ছাড়া সেই ধাপ গুলা আলোচনা করবো। ONLINE MACHINE READABLE PASSPORT

 

কীভাবে অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন (OMR) ঝামেলা ছাড়া

বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না ।  পরে নিধারিত সময়ে পাসপোর্ট  অফিসে সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়।

 

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া

 

পাসপোর্টের ফিঃ

পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে প্রথম যে ধাপ তা হচ্ছে সরকার নির্ধারিত ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া। এটি আপনাকে ব্যাংকে যেয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে কারণ অনলাইনে আবেদন ফর্মে ঐ ব্যাংকের রিসিট নম্বর এবং জমার তারিখ সংযুক্ত করতে হবে।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকের শাঁখাতে আপনি পাসপোর্টের ফি জমা দিতে পারবেন।

সোনালী ব্যাংকের পাশাপাশি আরও ৫টি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারবেন।

১) ওয়ান ব্যাংক
২) ট্রাস্ট ব্যাংক
৩) ব্যাংক এশিয়া
৪) প্রিমিয়ার ব্যাংক
৫) ঢাকা ব্যাংক।

রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা [৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা]( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট ( Bangladeshi Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা [ ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা]( ১0 দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।

পাসপোর্ট ফিস সংক্রান্ত তথ্যাবলী

আবেদনের প্রকৃতি বিতরণের ধরণ পাসপোর্ট ফিস (টাকা)
নতুন আবেদনকারী/ হাতে লেখা পাসপোর্ট সমর্পণকৃতদের (সারেন্ডার) জন্য জরুরি ফিস (৭ দিন) ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা
সাধারণ ফিস (২১ দিন) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
অনাপত্তি সনদ (NOC) এর ভিত্তিতে (জরুরি সুবিধাসহ) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
সরকারি আদেশ (GO) এর ভিত্তিতে চিকিৎসা, হজ্জ্ব পালন, তীর্থস্থান ভ্রমণের ক্ষেত্রে (জরুরি সুবিধাসহ) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
সরকারি আদেশ (GO) এর ভিত্তিতে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে (জরুরি সুবিধাসহ) বিনামূল্যে
রি-ইস্যু জরুরি ফিস (৭ দিন) (NOC/GO ব্যতীত) ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা
সাধারণ ফিস (২১ দিন) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফিস (মেয়াদ পরবর্তি প্রতি বছরের জন্য) সাধারণ ফিস ৩০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫.০০ টাকা
Note: প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার 
তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই
 ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

 

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

 

অনলাইনে আবেদনঃ

আপনি পাসপোর্ট করতে হলে আপনাকে আগে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করতে হবে, তাই আপনাকে bangladesh machine readable passport online application এই সাইটে যেতে হবে।

http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf

 

পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম  প্রতিটি ঘরে সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে। আপনার নামের বানান, পিতা-মাতার নামের বানান সব কিছু আপনার শিক্ষা সনদের সাথে মিল রেখে দিবেন । স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানার ঘর যত্ন সহকারে পূরণ করুণ। আপনার ইমেল আইডি এবং ফোন নাম্বারের ঘরে ঠিক ভাবে তথ্য দিন।

 

সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন।

 

Note: অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । 
সেটা সংরক্ষণ করুন।

এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। খুব মনোযোগ দিয়ে অনলাইনের ফর্ম পূরণ করতে হবে। যেন কোনো ভুল ক্রুটি না হয়।

অনলাইনে ফর্মপূরণের জন্য প্রথমে পাসপোর্ট অফিসের এ সাইটে যেতে হবে।

pasport-techshohor

তারপর “I have read the above information and the relevant guidance notes” টিক চিহ্ন দিয়ে “continue to online enrollment” এ ক্লিক করতে হবে।

আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি- যেমন: নামের বানান,  পিতা-মাতার নাম যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একই হয়। কোনো তথ্য ভুল হলে পাসপোর্টে হতে সমস্যা হবে।

মেইল অ্যাড্রেস ও মোবাইল নম্বার দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই যেটি ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি দেওয়া উচিত।
টাকা জমা দেওয়ার তারিখ এবং রিসিট নম্বর দিতে হবে। পার্সপোট টাইপ দিতে হবে “ordinary”। যে অংশগুলো লাল স্টার মার্ক দেওয়া রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

online-techshohro

Delivery Type অংশে ৩০ দিনের জন্য হলে Regular এবং ১৫ দিনের জন্য হলে Express সিলেক্ট করতে হবে।

সম্পূর্ণ ফর্মটি পূরণ হলে পুনরায় এটি চেক করতে হবে। সব তথ্য টিক আছে কি না, তা যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।

সবশেষে পূরণ করা ফর্মটি সাবমিট করতে হবে। সফলভাবে সাবমিট করা হলে পূরণ করা ফর্মের একটি পিডিএফ কপি যে ই-মেইল আইডি দিয়ে ফর্ম পূরণ করা হয়েছে, সেখানে চলে আসবে।


এমআরপি(MRP) আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী

 

  • আবেদনের সঙ্গে যে সমস্ত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে-
    – চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত সনদ/ ভোটার আইডি কার্ড/ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বিদ্যুৎ, গ্যাস/ পানির বিল/ বাড়ির দলিলের ফটোকপি ইত্যাদি।
    – বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র/পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
    – ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র/ পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
    পাসপোর্ট করার সময় লক্ষ্যণীয়

Source:  http://www.passport.gov.bd/

  • ১। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি ও তাদের নির্ভরশীল স্ত্রী/স্বামী এবং সরকারি চাকুরীজীবিগণের ১৫ (পনের) বৎসরের কম বয়সের সন্তান, ৫ (পাঁচ)/১০ (দশ) বৎসরের অতিক্রান্ত, সমর্পণকৃত (সারেন্ডারড)দের জন্য একটি ফরম ও অন্যান্যদের ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্টের জন্য ২ (দুই) কপি পূরণকৃত পাসপোর্ট ফরম দাখিল করতে হবে।
  • ২। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা ও মাতার একটি করে রঙিন ছবি (৩০ x ২৫ মিঃমিঃ) আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়ন করতে হবে।
  • ৩। জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক টেকনক্যাল সনদসমূহের (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) সত্যায়িত ফটোকপি।
  • ৪। যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন – সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, গেজেটেড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।
  • ৫। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি(NOC) দাখিল করতে হবে।
  • ৬। কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাভের যোগ্য আবেদনকারীগণকে পূরণকৃত ফরম ও সংযুক্তিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা দিতে হবে।
  • ৭। শিক্ষাগত বা চাকুরীসূত্রে প্রাপ্ত পদবীসমূহ (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ডক্টর, পিএইচডি ইত্যাদি) নামের অংশ হিসেবে পরিগণিত হবে না। ফরমের ক্রমিক নং ৩ পূরনের ক্ষেত্রে, একাধিক অংশ থাকলে প্রতি অংশের মাঝখানে ১টি ঘর শূন্য রেখে পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর পিতা, মাতা, স্বামী/স্ত্রী মৃত হলেও তার/তাদের নামের পূর্বে ‘মৃত/মরহুম/Late’ লেখা যাবে না।

Note:

After submission, the system will assign you to your authorized Regional Passport Office. Your application shall remain valid for 15 days from the date of submission. Your record will be removed automatically by the system after 15 days.

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। নিজের চারকপি ছবি , ফিলাপ করা অংশ ছাড়াও কিছু যায়গায় আপনার স্বাক্ষর দিতে বলা আছে সেখানে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন।

সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

 

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান ।  সরাসরি আপনার ফর্ম সাথে নিয়ে উপস্থিত সেনা সদস্যকে জানান আজ আপনার ছবি তোলার দিন নির্ধারিত আছে। তিনি আপনাকে দেখিয়ে দিবে কোথায় ফর্ম সহ আপনাকে যেতে হবে। অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।

পাসপোর্ট করার নিয়ম-পাসপোর্ট নবায়ন করার নিয়ম

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)

যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে।  ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।

আপনার তথ্য সঠিক আছে কিনা পাসপোর্ট যাচাই করে নিন এবং কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে জানিয়ে তাৎক্ষণিক পাসপোর্ট  সংশোধন করে নিতে পারবেন।

ভুল হয়ে গেলে, পাসপোট(এমআরপি) রি-ইস্যু/তথ্য পরিবর্তন/পাসপোর্ট  সংশোধন এর নিয়মাবলী ও আবেদন ফরম. পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য এই ফরমটি পূরণ করে বর্তমান পাসপোর্ট এর ফটোকপি ও ব্যাংকে টাকা জমার রশিদ সংযুক্ত করতে হবে এবং মূল পাসপোর্টটি অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

পাসপোর্ট নবায়ন করতে হলে-. * নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণ করে ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রশিদটি ওই আবেদনপত্রের সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে পাসপোর্ট সহ জমা দিতে হবে।

Info: সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে না। এই পাসপোর্টের রং সবুজ হয় না, নীল রংয়ের হয় এবং উপরে অফিসিয়াল পাসপোর্ট লেখা থাকে। 

পাসপোর্ট চেক

অনলাইনে পাসপোর্ট চেক: http://www.immi.gov.bd/passport_verify.php


 

হাতে লিখে পাসপোর্টের আবেদন প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন করবেনঃ

  • হাতে লিখে আবেদন করার ক্ষেত্রে http://www.passport.gov.bd/Default.aspx ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে অথবা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসগুলো থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে ।
    তারপর ফর্মে *আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস মিশন/বাংলাদেশ মিশন এর শুন্যস্থানে <আগারগাঁও> অথবা যে অনুমোদিত অফিসে আবেদনপত্রটি জমা দেয়া হবে তার নাম লিখতে হবে ।
    এরপর স্টার (*) চিহ্নিত শুন্যস্থানগুলো অবশই পূরন করতে হবে যা অনলাইনের আবেদনের নির্দেশনা মতই হবে , শুধু পার্থক্য হল এখানে হাতে লিখতে হবে আর অনলাইনে হলে কম্পিউটারে টাইপ করতে হয় ।
    ২ টি ফর্ম শুদ্ধ ও নির্ভুল ভাবে পূরন করতে হবে যেভাবে অনলাইনে করতে বলা হয়েছে । এক্ষেত্রে ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার কাজটা আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দেয়ার পূর্বে করলেও চলবে ।
    তারপর টাকা জমা দেওয়ার তারিখ , ব্যাংকের নাম , ব্যাংকের শাখা এবং জমা দানের রিসিটের নম্বর উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় ফর্মের ৩ নম্বর পৃষ্ঠার নির্ধারিত স্থানে । ফর্ম পূরন শেষ হলে তা অনলাইন প্রক্রিয়ায় বর্ণিত ৩ ও ৪ নম্বর ধাপের মত প্রসেসিং সম্পন্ন করতে হবে ।

জমাদানের প্রক্রিয়াঃ

  • *সরকারী কার্যদিবসের যেকোন দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে  হাতে লিখা আবেদনপত্রটি নিয়ে রঙ্গিন পোষাক পড়ে
    আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ঢুকার পর মেইন গেটের সাথে নিচে যে লাইন দেখবেন সেখানে সবার সাথে দাড়াবেন । এখানে লাইনের শেষ মাথায় একটি টেবিলে সেনা সদস্যরা  আপনার আবেদন পত্রে ঐ দিনের জন্য সিরিয়াল লিখে দিবেন ।* এরপর আপনাকে ওই টেবিলের সামনেই ১০৩ নম্বর কক্ষে যেতে বলবে, এখানে আপনার আবেদন পত্রে আবেদিত সিল দিয়ে দেয়া হবে । এখানে লাইন থাকলেও সময় ৩০ মিনিটের বেশি লাগবে না ।* এরপর আপনাকে ৪০৪ নম্বর রুমে যেতে বলা হবে যেখানে আপনার কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই হবে, সব ঠিক থাকলে আপনার আবেদন পত্র ২ টি রেখে আপনাকে ছবি তোলার রিসিট দেয়া হবে । এখানেও লাইনে দাড়াতে হবে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট । এবং পাশের ৪০৫ নম্বর রুমে ছবি  তোলার জন্য লাইনে দাড়াতে বলা হবে, এছাড়া আরও ৩টি ছবি তোলার রুম রয়েছে ।  এখানে লাইনের জন্য ছবি তুলতে ১ ঘন্টা অথবা একটু কম বেশি-সময় লাগে ।*৪০৫ নম্বর রুমে প্রবেশ করলে আপনার রিসিট নিয়ে প্রথমে ২হাতের আঙ্গুলের ছাপ, তারপর ডিজিটাল স্বাক্ষর নিয়ে ছবি তোলা হবে এবং আপনাকে রশিদ দেওয়া হবে। তাতে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার তারিখ লিখা থাকবে রশিদটি ভালো মত চেক করে রুম থেকে বেরিয়ে আসুন। এভাবে হাতে লিখে পাসপোর্টের আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল ।*এভাবে হাতে লিখা আবেদনপত্র নিয়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ঢুকার পর থেকে ছবি তোলা শেষ করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট অথবা একটু কম-বেশি সময় লাগতে পারে ।

 

পুলিশ ভেরিফিকেশানঃ বিষয়টি নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন, অবশ্য বিষয়টি আমার কাছে ঝামেলার লাগেনি। পেশা ছাত্র হলে ভেরিফিকেশানের সময় পুলিশকে আবেদনকারীর Student id card দেখাতে হয় , অন্যান্য পেশার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেশার স্ব্পক্ষ প্রমানের কাগজ দেখাতে হয় । এসব ক্ষেত্রে পুলিশকে অরিজিনাল কপি প্রদর্শন করতে হয় । সাধারন মানুষ যারা পুরনো পাসপোর্ট renew করাবেন শুধুমাত্র তাদের কোন পুলিশ ভেরিফিকেশান হবেনা । এছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে Ordinary পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশান হবে । বিশেষ কারনে পুলিশ ভেরিফিকেশান সম্পর্কে আর বিস্তারিত নাই বললাম ।

***পাসপোর্ট সংগ্রহ:

রিসিটে কর্তৃপক্ষের দেয়া তারিখে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবেনা , বরং মোবাইলে confirmation পাসপোর্ট collection এর তারিখ জানিয়ে মেসেজ এলে তারপর পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে যেতে হবে । পাসপোর্ট অফিসের ২য় তলায় পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়া হয়, এখানে লাইনে দাঁড়িয়ে রিসিট জমা দিতে হবে, সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তা রিসিটের বারকোড কম্পিউটারে স্ক্যান করে দেখবেন পাসপোর্ট
তৈরি হয়েছে কিনা, পাসপোর্ট রেডি থাকলে সেনা কর্মকর্তা রিসিট রেখে দিবেন এবং পাশেই পাসপোর্ট প্রত্যাশী অপেক্ষারত অনেক মানুষের সাথে আপনিও অপেক্ষা করতে থাকবেন ।এই অপেক্ষার সময় সর্বনিম্ন ১ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ৪ ঘন্টাও হতে পারে কারন পাসপোর্ট খুজে বের করতে নাকি সময় লাগে । সর্বদা সজাগ থাকুন কারন মাইকে আপনার নাম ঘোষনা হলো কিনা খেয়াল রাখতে হবে আর নাম ঘোষনা হলে আপনাকে কাউন্টারে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে ।

আমার অভিজ্ঞতাঃ

গত ৩১ শে মার্চ,২০১৫ সকাল বেলা আমি অনলাইনে আবেদন ফর্মের সাথে জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপির ও SSC certificate এর সত্যায়িত ফটোকপি (পেশা ছাত্র) নিয়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে যাই, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইনে চেকেবল না থাকার কারনে ওই দিন কাজ অসম্পূর্ন রেখে চলে আসি। পরের দিন ১লা এপ্রিল আমার  জন্ম নিবন্ধন সনদ গ্রামের UP অফিস থেকে জাতীয় ডেটাবেজে আপলোড করার পর দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে পাসপোর্ট অফিসে যাই, শেষ সময় বলে কিনা জানিনা কোথাও একদমই সিরিয়াল বা ভীড় ছিলনা । পুরো আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আমার মাত্র ১৫ মিনিট সময় লেগেছিল । রিসিটে পাসপোর্ট সংগ্রহের তারিখ ছিল ১২ই এপ্রিল, কিন্তু আমার মোবাইলে confirmation মেসেজ আসে ১৯শে এপ্রিল সন্ধায় । পরের দিন ২০শে এপ্রিল পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে আমার সময় লেগেছিল ২ঘন্টা ৩০ মিনিট, অনেকে আবার ১ ঘন্টা দাড়িয়ে পাসপোর্ট পেয়েছিল কেউ কেউ আবার ৪ ঘন্টা পরও পাসপোর্ট পায়নি । অনেকের মোবাইলে একটি confirmation মেসেজ আসার পরও পাসপোর্ট তৈরি হয়নি , আবার অনেকে তিন মাস ঘুরেও অজানা কারনে পাসপোর্ট পাচ্ছিল না । তাই সামান্য ভোগান্তি হতে পারে
এমন মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি প্রক্রিয়া শুরু করা উত্তম হবে ।

কিছু লক্ষণীয় বিষয়:

*যে কোন সমস্যায় দায়িত্বরত সেনা সদস্যদের সহায়তা নিন।
*যে কোন সময় ব্যবহারের জন্য স্ট্যাপলার, পিন, আঠা, কলম ইত্যাদি সঙ্গে রাখবেন।
*কোন ভুল বা অসম্পুর্ন তথ্য দিলে ভোগান্তি আপনারই হবে
*যদি কোন ঝামেলা অথবা অন্যান্য কারনে একদিনে পুরো কাজ সম্পন্ন না করা যায় তাহলে পরবর্তী দিন আবার প্রথম থেকে প্রসেস শুরু করতে হবে, অর্থাৎ পাসপোর্ট অফিসের নিচের তলা থেকে আবার সিরিয়াল নিয়ে আবার পুর্বের ন্যায় কাজ করতে হবে ।
*এমআরপির আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাচ্ছে দেশের ১০টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। প্রতিটি আঞ্চলিক অফিসের অধীনে রয়েছে কয়েকটি জেলা। ব্যাংকের নাম , শাখা, পাসপোর্ট অফিসের ঠিকানা নিম্নের লিঙ্ক গুলো থেকে সংগ্রহ করুন ।
*আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। সংগ্রহ করার সময় নিজে না থাকলেও চলবে।
*আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যত না সময় লাগে তার থেকেও বেশি সময় লাগে আর ভোগান্তি হয় তৈরিকৃত পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 722 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি