অবশেষে বিজয়ের হাসি ফুটল এগ্রিকালচার ডিগ্রীর দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখে

Print

হাবিপ্রবিতে দীর্ঘ দুইমাসের বেশী সময় ধরে আন্দোলন করে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিবিজনেস বিভাগের  শিক্ষার্থীরা।তাদের আন্দোলনের বিষয়বস্তু ছিল এগ্রিকালচার ডিগ্রী অর্জন।

মে মাসের ২৩ তারিখ থেকে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করে আসছিল উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

নানান চড়াই উতরায় উপেক্ষা করে ৬২ দিনের  টানা আন্দোলন চালিয়ে যান তারা।এগ্রিকালচার এন্ড এগ্রিবিজনেস ডিগ্রীটির কোন রেজিস্ট্রেশন ও কর্মক্ষেত্র এবং  বাংলাদেশের আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রীটি না থাকায় তাদের এই ডিগ্রী পরিবর্তনের  আন্দোলন।অবশেষে তাদের মুখে  ফুটল হাসি । আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৪৩ তম সভায় সবার সম্মতিতে মেনে নেয়া হলো তাদের প্রাণের দাবি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব প্রফেসর ড. মোঃ সফিউল আলম বলেন সামান্য কিছু শর্ত সাপেক্ষে তাদের দাবি মেনে নেয়া হয়েছে যা রিজেন্ট বোর্ডের সভায় চুড়ান্ত অনুমোদন পাবে । তিনি বলেন একাডেমিক কাউন্সিলের  নেয়া সিদ্ধান্ত সাধারনত রিজেন্ট বোর্ডে পরিবর্তন হয়না তাই এটা নিয়ে চিন্তার কারণ নেই ।তিনি বলেন শর্ত গুলো খুবই সাধারন , এগ্রিকালচারের সাথে তাদের যে পার্থক্যটুকু আছে সেটা দূর করা । এ জন্য যে তদন্ত কমিটি আছে তারা কাজ করবেন এবং তাদের সুপারিশ মতো পদক্ষেপ নেয়া হবে। যে যে বিষয় গুলো তারা পড়েনি এগুলো কিভাবে পড়ানো ও যুক্ত করা যায় সেটাও খুজে বের করবে এই কমিটি  ।তিনি আরও বলেন আমি ছাত্র ছাত্রীদেরকে আহবান জানিয়েছি তারা  যেন কাল ক্লাসে ফিরে যায় ।

এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ডিগ্রী পরিবর্তনের বিষয়টি জানার পর বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছাসে ফেঁটে পড়েন। নেচে গেয়ে রঙ মেখে তাদের আনন্দ প্রকাশ করেন। উক্ত বিভাগের লেভেল ৩ সেমিস্টার১ এর শিক্ষার্থী বরকত গনি দস্তগীর বলেন “আমাদের প্রানের দাবী পুরন হওয়ায় প্রশাসনের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ”। একই লেভেলের শিক্ষার্থী প্রদীপ কুমার বলেন”আজ দীর্ঘ ২ মাস পর আমরা আমাদের ডিগ্রী পেলাম এই ডিগ্রী পেয়ে আমরা খুব আনন্দিত,ভিসি স্যারকে অনেক ধন্যবাদ”। একই লেভেলের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান জয় বলেন”আজকে আমাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যত নিশ্চয়তার দ্বারপ্রান্তে উপনিত হল,আর এজন্য প্রশাসনসহ যারা আমাদের আন্দোলনে সহায়তা করেছিলেন সকলের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ”

উল্লেখ্য এটি বর্তমান মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড.মুঃ আবুল কাসেমের উপাচার্য হিসেবে প্রথম একাডেমিক কাউন্সিল। এই কাউন্সিলকে ঘিরে ছিল ব্যাপক উত্তেজনা ও আগ্রহ। তাই সকাল থেকেই ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয় । উপাচার্য সফলতার সাথেই সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পেরেছেন বলে কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা মনে করেন ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 275 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ