আদালতে কাঁদলেন নাসরিন

Print

ক্রিকেটার আরাফাত সানির স্ত্রী দাবিকারী নাসরিন সুলতানাকে আদালতের এজলাসে কাঁদতে দেখা গেছে। এ সময় তিনি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন এবং সানির জামিন যেন না হয় সেই কামনা করেন।

আজ বুধবার বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল সানির জামিন নাকচ করে দেন। ফলে সানিকে কারাগারে আটক থাকতে হচ্ছে।

এই শুনানির আগেই নাসরিনকে এজলাসের কোনায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় তিনি ওড়না দিয়ে বারবার চোখ মুছছিলেন। তাঁকে কান্নার বিষয়ে এনটিভি অনলাইন থেকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘সানির জামিন আজ না হোক, সেটাই চাই।’

গত ২২ জানুয়ারি ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে নাসরিন সুলতানার প্রথম মামলায় আরাফাত সানিকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। পরে ঢাকার মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুই তাঁকে একদিনের রিমান্ডে পাঠান। এর পর থেকেই সানি কারাগারে রয়েছেন।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ক্রিকেটার আরাফাত সানির সঙ্গে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে নাসরিন সুলতানার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁরা দুজন ভাড়া বাসায় সংসার শুরু করেন। সংসার চলার সময় ছয় মাস পর ক্রিকেটার আরাফাত সানি তাঁর মায়ের পরামর্শে নাসরিনের কাছে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকার জন্য সানি তাঁর স্ত্রীকে মারধর ও গালিগালাজ করে ভাড়া বাসায় ফেলে যান।

নথিতে আরো উল্লেখ করা যায়, ২০১৬ সালের ১২ জুন বাদী নাসরিন সুলতানা ভাড়া বাসাসহ যাবতীয় ভরণপোষণ না পেয়ে নিরুপায় হয়ে সংসার করতে স্বামী সানির সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় সানি যৌতুকের ২০ লাখ টাকা দাবি করে নাসরিনকে বলেন, ‘যৌতুকের টাকা না দিলে আমার মা তোমার সঙ্গে সংসার করতে দেবেন না এবং এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোমার পরিণতি অনেক খারাপ হবে। কারণ তোমার কিছু অশ্লীল ছবি আমার মোবাইল ফোনে রয়েছে।’ এরপর বাদীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সানির মা তাঁদের বাড়ি থেকে বের করে দেন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তোর সঙ্গে আমার ছেলে সংসার করবে না। তাই সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যবস্থা কর।’ এরপর বাদী তাঁর বাসায় চলে যান।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 87 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ