আমার লজ্জা কিসের, লজ্জা বাংলাদেশের

Print

একটা শব্দ খুবই ঘুরেফিরে আসে- ধর্ষণ। সবাই বলে ধর্ষিতা। মানুষ আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমার লজ্জা করে কিনা। কিন্তু আমার লজ্জা কিসের, লজ্জা বাংলাদেশের। ধর্ষিতা,ধর্ষণ শব্দ শুনতে শুনতে আমার পরিবারও বিপর্যস্ত।
কথাগুলো বলছিলেন ২০০১ সালে ধর্ষণের শিকার পূর্ণিমা। ধর্ষণের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক কারণে কেউ মুখ খুলতে কিংবা জনসম্মুখে আসতে দ্বিধা করলেও সেই দ্বিধা কাটিয়ে উঠেছেন পূর্ণিমা। নিজে ট্রাস্টি হিসেবে এই বিষয়ে মানুষের সচেতনতা তৈরিতে তৈরি করেছেন পূর্ণিমা ফাউন্ডেশন। ‘হ্যাঁ, বলতে দ্বিধা হচ্ছে’ শীর্ষক বৈঠকিতে উপস্থিত হয়েও তিনি তার সেই মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।

সেই মর্মান্তিক ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে পূর্ণিমা বলেন, ‘অস্ত্রের মুখে আমাকে ধর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। আশেপাশের মানুষ দেখলেও কেউ ঠেকাতে আসেনি। কিন্তু আমি সব ভুল যেতে চাই। আর সবার মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই।’
আইনের যথাযথ ব্যবহার না করতে পারা, ফরেনসিক টেস্টের সীমাবদ্ধতা, প্রভাবশালীদের চাপ এবং সামাজিক কারণে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়। কিন্তু অপরাধী শাস্তি পায় না। সম্প্রতি ধর্ষণের ঘটনার ভয়াবহতা যেমন বেড়েছে তেমন পরিমাণেও বেশি। এই পরিস্থিতি ‘হ্যাঁ,বলতে দ্বিধা হচ্ছে’ শীর্ষক বৈঠকির আয়োজন করেছে ।
বৈঠকিতে অংশ নিচ্ছেন পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সহেলী ফেরদৌস,সমাজকর্মী শিরিন হক,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিভাগের কনসালট্যান্ট ড. এস এম আতিকুর রহমান, পূর্ণিমা ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি পূর্ণিমা, চিফ রিপোর্টার উদিসা ইসলাম ও প্ল্যানিং এডিটর নজরুল কবির।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 272 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ