উপশহরের ৫টি দোকানে চুরি

Print

মোঃশামিম হোসেন নয়ন : যশোর শহরতলীর উপশহরের বি-ব্লক বাজারের ৫ টি দোকানে চুরি হয়েছে। চোরেরা দোকানের তালা ভেঙ্গে নগদ টাকাসহ প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। উপশহর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চুরির ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে।

উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহিম চুরির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে উপশহর বাজারের তিনটি পান বিড়ি সিগারেটের দোকানে চুরি সংঘটিত হয়েছে। সেখান থেকে সামান্য কিছু টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। তবে রাত ১ টা পর্যন্ত বাজারে নাইটগার্ড ছিল। এরপর নাইটগার্ড ছিল কিনা জানা যায়নি বলে জানান এস আই রহিম।

এদিকে উপশহর বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়িদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে সেখানকার ৫ টি দোকানে চুরি হয়েছে। এরমধ্যে ১ টি বড় মুদি দোকান, ছোট একটি পান সিগারেটের দোকান, একটি সাইকেল গ্যারেজ, একটি চায়ের দোকান ও একটি মোবাইলের দোকানে চুরি সংঘটিত হয়।

মোবাইলের দোকান মালিক বিপু জানান, চোরেররা সাটারের তালা ভেঙ্গে দোকান থেকে ৭ টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩/৪ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। ওই ৭ টি মোবাইল দিয়ে তিনি ফ্লেক্সি লোড দিতেন।

বড় মুদি দোকান বাবুল ষ্টোরের মালিক বাবলু জানায়, চোরেরা তার দোকানের সাটার ভেঙ্গে দোকান থেকে নগদ প্রায় ৮০ হাজার টাকা ও বেশ কিছু সিগারেট নিয়ে যায়।

জামসেদের সাইকেল গ্যারেজ থেকে একটি টেলিভিশন ও একটি চার্জার লাইট নিয়ে গেছে। এছাড়া পান সিগারেট ও চায়ের দোকান থেকে ৩০/৪০ হাজার টাকার মালামাল ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। এঘটনায় থানায় মামলা না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি অন্তর ভুক্ত করা হয়েছে বলে ভুক্ত ভোগিরা জানান।

এদিকে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ি অভিযোগ করেন, উপশহর বাজারে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতে নাইটগার্ড থাকলেও তারা ঠিক মতো ডিউটি করেনা। উপশহর ফাড়ি পুলিশের কাছেও অভিযোগ করে কোন লাভ হয় না। কারণ তারা উপশহর বাজারে টহল দেয় না। উপশহর ফাঁড়ি পুলিশকে বাজারে মাসে একবার দেখা যায় কিনা সন্দেহ রয়েছে। তারা তাদের ধান্দায় ব্যস্ত থাকে। আর সখ্যতা রাখে সন্ত্রাসী,চোরাকারবারি,ও মাদক বিক্রেতাদের সাথে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 60 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ