উড়োজাহাজে রেস্তোরাঁ

Print

ভাসমান রেস্তোরাঁর কথা শোনা গেছে। শোনা গেছে খাওয়ার জন্য অদ্ভুত সব রেস্তোরাঁর কথাও। তবে উড়োজাহাজে চেয়ার-টেবিল পেতে রেস্তোরাঁর আমজে খাওয়ার কথা শোনা যায়নি। তেমনি একটি রেস্তোরাঁর খোলা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাবে। এর উদ্যোক্তারা বলছেন, দিল্লির একটি ট্রেনের ভেতরে বিলাসবহুল খাবারের আয়োজন দেখেই উড়োজাহাজে রেস্তোরাঁ খুলেছেন তারা। তবে এই উড়োজাহাজ কিন্তু আকাশে উড়ে না।
বিজনেস ইনসাইডার এবং ইন্ডিয়া ডটকমের খবরে বলা হয়েছে, গেল বছরের ডিসেম্বরে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় একটি রেস্তোরাঁ খোলা হয়েছে। এটিকে ভারতের প্রথম বিমান রেস্তোরাঁও বলা হচ্ছে। পাঞ্জাবের ওই রেস্তোরাঁর নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাওয়াই আড্ডা’।

বিমানে উড়ার সময় হালকা জলখাবার পাওয়া যায়। দীর্ঘপথের যাত্রায় দুপুর বা রাতের খাবারও বিমান থেকে সরবরাহ করা হয়। তবে বিমানে বসে একদম রেস্তোরাঁর মতো ব্যবস্থায় খাবার-দাবার জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন লুধিয়ানার এক ব্যবসায়ী। আস্ত বিমানের মধ্যেই তিনি খুলে বসেছেন রেস্তোরাঁ। গেল বছরের শেষের দিকে সব আইনি জটিলতা কাটিয়ে রেস্তোরাঁটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এরপরই অভিনব এ ‘হাওয়াই আড্ডা’য় দলে দলে আসছেন স্থানীয় লোকজন। ভিড় করছেন দুর-দুরান্তের মানুষও। ওই বিমানে বসে লোকজন খাবারের ফরমাশ দিলেই চলে আসছে ধোয়া ওঠা খাবার। অচল একটি এয়ারবাসকে (এ ৩২০) সাজিয়ে-গুছিয়ে বানানো হয়েছে রেস্তোরাঁটি। লুধিয়ানার ফিরোজপুরে ওই উড়োজাহাজ রেস্তোরাঁটি রাখা হয়েছে। এই রেস্তোরাঁয় আছে ক্যাফে, বেকারি এবং কিটি হলেরও সুবিধা।
ব্যবসায়ী পরম প্রীত শিং লুথরা হলেন এ ‘হাওয়াই আড্ডা’র উদ্যোক্তা। কেন এমন পরিকল্পনা করলেন তাও জানিয়েছেন তিনি। ম্যাশেবল ইন্ডিয়াকে তিনি বলেন, ‘আমরা দিল্লির মহারাজা এক্সপ্রেস (ট্রেনের ভেতর বিলাসবহুল খাদ্য ও ভ্রমণ অভিজ্ঞতা) ট্রেন দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ উদ্যোগ নিয়েছি। মহারাজা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই বিমানের ভেতর এমন একটি রেস্তোরাঁ করতে চেয়েছি।’

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 176 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ