এমপি লিটন হত্যাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে দাবি : আইজিপির

Print

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে দাবি করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহিদুল হক। তিনি বলেন, লিটন হত্যার ঘটনাকে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি বলা যাবে না। দেশ এখন অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো আছে।
মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর পুলিশ হলের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি এ কথা বলেন। এসময় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

লিটন হত্যা মামলায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি জানিয়ে একেএম শহিদুল হক বলেন, ‘এ বিষয়ে পুলিশের সব সংস্থা কাজ করছে। যদি কোনো অগ্রগতি হয় আপনাদের জানানো হবে। এ পর্যায়ে এর বেশি কোনো তথ্য দিতে পারছি না।’
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা জঙ্গি, জামায়াত নাকি দলীয় কেউ সেসব বিষয় সামনে রেখে তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে আইন-শৃংখলা বাহিনী।’
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের নিজ বাসভবনে গুলিবর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঘটনার পরদিন সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন লিটনের ছোট বোন তাহমিদা বুলবুল কাকলী। মামলায় জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করে লিটনের পরিবার। লিটন যেদিন খুন হন, সেদিন সন্ধ্যায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হকও এ হত্যার পেছনে জামায়াত-শিবির জড়িত থাকতে পারে বলেছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারদলীয় নেতারা এমনই সন্দেহ প্রকাশ করেন।
তবে জামায়াত একাধিক বিবৃতি দিয়ে তাদের লিটন হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে।
আইজিপি বলেন, ‘লিটন হত্যার খুনিদের আমরা সনাক্ত করতে পারবো। নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করছি। আমাদের কাছে যেসসব তথ্য তা আমলে নিয়েই কাজ করছি।’
পরে আইজিপি রংপুর পুলিশ হলে ক্রাইম কনফারেন্সে অংশ নেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 64 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ