এ্যাপ্রোন বা ল্যাবকোট যখন রোগীদের মৃত্যুর কারন ?

Print

এই যে ফার্মেসি, মেডিকেল আর প্যাথোলজির শিক্ষার্থীরা এ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় বাজার করতে যান, ডেটিং করতে যান, লেকে নৌকা ভ্রমণ করে আসলে কি বোঝাতে চান তা জানি না। তবুও ঘোরাঘুরি পর্যন্ত ঠিক ছিলো, গতকাল দেখলাম রেস্টুরেন্টে খাইতে আসছেন এ্যাপ্রোন পরে!

এ্যাপ্রোন আমাদের দেশে স্বভাবসুলভ, এলিগ্যান্ট পোশাখে রূপ নিয়েছে। অথচ এই এ্যাপ্রোন বা ল্যাবকোটের উদ্দেশ্য ছিলো বাইরের জীবানু বা কনটামিন্যান্ট যেন পোশাখ থেকে ল্যাব বা রোগীর কাছে না যায় আবার রোগী বা ল্যাব থেকে কোন রোগ সৃষ্টিকারী জীবানু যেন জামাকাপড়ে করে বাইরে না আসে।

ভারতের কয়েকটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের এ্যাপ্রোন থেকে নমুনা সংগ্রহ করে সেখানে নিউমোনিয়া এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার জীবানু শনাক্ত করেছেন একদল বিজ্ঞানী।

হয়তো আপনি জানেনও না আপনি একজন মেডিকেল রিলেটেড মানুষ এটা বোঝাতে গিয়ে আপনি নিজেই ইমিউনো কমম্প্রোমাইজড রোগীদের মৃত্যুর কারন হচ্ছেন অজান্তেই।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 1659 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি