ওয়ার্কস ফর হিউম্যানিটির ত্রান বিতরণ

Print

সুজাউল ইসলাম সুজা, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ
প্রানের জন্য ত্রান এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২৫ আগষ্ট দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমিরচর ইউনিয়নের বড়চরে, বানভাসি ৩শ’পরিবারের মাঝে আড়াই লক্ষ টাকার ৩শ’পেকেট ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে ঢাকাস্থ ওর্য়াকস ফর হিউম্যানিটি। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চিড়া, মুড়ি, গুড়, লবন, বিস্কুট, খাবার স্যালাইন, মোম, ম্যাচ, সাবান, ফিটকিরি, নাপা, হিস্টাসিন ও ম্যাট্রিল। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্কস ফর হিউম্যানেটির ফাউন্ডার ও চেয়ারপার্সন তাহমিনা তৃষা, কো-ফাউন্ডার মেসবাহ্ মুন্না, জেনারেল সেক্রেটারী সৌরভ শেখ, স্বাস্থ্য ও রক্ত বিষয়ক বিভাগ প্রধান ফয়সাল হোসেন, নূরুল ইসলাম, আহম্মেদ কবির, সোহেল ও শিক্ষা বিষয়ক বিভাগ প্রধান সুজন পাটোয়ারী।
দেশের বন্যা পরিস্থিতি ও তরুণ সমাজের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারপার্সন তাহমিনা তৃষা বলেন, “আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রণের সুযোগ পাইনি, তাদের জন্য দেশের মানুষের বিপদে দাঁড়াতে পারাটা একটা সুযোগ ও সৌভাগ্যের ব্যপার। আমার দেশের মানুষ বন্যায় মারা যাবে, না খেয়ে থাকবে, আর আমরা তরুণ প্রজন্ম শুধু রিমোট ঘুরিয়ে নিউজ দেখব এখনো এত খারাপ দিন আমাদের দেশে আসেনি। আমি শুধু ওয়ার্কস ফর হিউম্যানিটির ভলান্টিয়ারদের কথা বলব না; বরং যারা এই বিপদে এগিয়ে এসেছেন তাদের সবার কথা বলতে চাই। কেন যেন আমরা নেগেটিভিটিটাই বেশি দেখি। অথচ পথশিশুটাও ২টাকা দিয়ে এগিয়ে এসেছে আবার অনেক নায়ক, অনলাইন এক্টিভিস্টরাও এগিয়ে এসেছেন। যেখানেই যাই, দেখি বক্স হাতে বন্যার্তদের জন্য কালেকশান করছে সকল বিভিন্ন পেশার মানুষেরা। হয়ত অনেকেই শুধু হা হুতাশ করেছে, কিন্তু আমার মনেহয় সেই সংখ্যাটা খুবই কম। আসলে আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মনুষ্যত্ব এখনো প্রবল; শুধু সেটার সুষ্ঠু প্রয়োগের অভাব। এবার বন্যাতেই যত ওরগানাইজেশান, যত সেলিব্রেটি, যত প্রশাসনীয় ব্যক্তি ত্রাণ দিয়েছে, পরিমাণটা কিন্তু অনেক। তবুও কেন যেন এখনো কেউ কেউ কিছুই পায়নি, আবার কেউ কয়েকবার পাচ্ছে। যদি এগুলো প্রোপার প্ল্যাানিং করে মেইন্টেইন করা যায়, তাহলে বানভাসি মানুষ ও দেশ যথাযথভাবে উপকৃত হবে বলে আমি মনে করি।#

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 200 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ