ওয়ালটন পণ্য এখন আরো সহজ কিস্তিতে

Print

গ্রাহকদের জন্য ওয়ালটন পণ্য কেনা আরো সহজ করে দিলো কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে পণ্যের গায়ে যে দাম লেখা থাকে, সেই দামেই কেনা যাবে ছয় মাসের সহজ কিস্তিতে। এর সঙ্গে বাড়তি কোন সার্ভিস চার্জ বা টাকা যোগ হবে না। সহজ শর্তে দেশব্যাপী ওয়ালটনের সকল প্লাজায় গত ৮মে, রবিবার থেকে কার্যকর হয়েছে এই সুবিধা। আজ বুধবার ওয়ালটন মিডিয়া অফিসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, প্রযুক্তি পণ্যের সুবিধা সব শ্রেণির মানুষের ঘরে পৌঁছে দিতে ওয়ালটনের এই উদ্যোগ। ওয়ালটন পণ্যের ব্যাপক চাহিদার প্রেক্ষিতে ক্রেতাসুবিধা বাড়াতে কিস্তি সুবিধা আরো সহজ করার ঘোষণা এলো। এখন থেকে ৬ মাসের কিস্তিতে মূল্য পরিশোধ করলে ক্রেতাকে বাড়তি কোনো টাকা দিতে হচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ওয়ালটন পণ্য সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের কিস্তিতে পাওয়া যাচ্ছে সারা দেশের প্লাজাগুলোয়। এইচএমআরপি (হায়্যার পারচেজ) মূল্যে কিস্তিতে পণ্য কেনার মেয়াদও ৬ মাস থেকে বাড়িয়ে ১২ মাস করা হয়েছে। শর্ত সাপেক্ষে রয়েছে ১৮ ও ৩৬ মাসের কিস্তি সুবিধাও। গ্রাহকরা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কিস্তিতে কিনতে পারছেন ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেস। উল্লেখ্য, মোবাইল সেট বাদে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের সকল পণ্যের ক্ষেত্রে এই কিস্তি সুবিধা কার্যকর।

ওয়ালটন প্লাজা সেলস ও ডেভলপমেন্ট বিভাগের সিনিয়র অতিরিক্ত পরিচালক কামাল হোসেন জানান, এর আগে ৬ মাসের কিস্তিতে ওয়ালটন পণ্য কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকদেরকে নগদ মূল্যের সাথে নামমাত্র সার্ভিস চার্জ যুক্ত হত। কিন্তু, এখন সেই সার্ভিস চার্জও দিতে হবে না।

ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক ও বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা বলেন, ওয়ালটন সব শ্রেণি পেশার মানুষের দোঁরগোড়ায় উচ্চমান সম্পন্ন প্রযুক্তি পণ্য পৌঁছে দিতে বদ্ধ পরিকর। বিশেষ করে, স্বল্প আয়ের মানুষ যাতে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বামানের ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করতে পারেন সেজন্য কিস্তি সুবিধা আরো সহজ করা হলো। পণ্য বিক্রির পাশাপাশি গ্রাহকদের দ্রুত ও নিঁখুত বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে।

পলিসি, এইচআরএম এন্ড এডমিন বিভাগের প্রধান এসএম জাহিদ হাসান বলেন, ওয়ালটন পণ্য নয়, সেবা বিক্রি করে। আর তাই গ্রাহকদেরকে সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 157 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ