কনে দেখা, প্রথা বনাম সুন্নাহ

Print

আমাদের সমাজের একটা বড় সমস্যা হলো, আমরা যে কোন জায়েজ মুস্তাহাব কাজকে নিজস্ব একটা রুপ দান করি। এটাকে সাহাবা বা রাসূলের সুন্নাহ মোতাবেক নয়, বরং নিজেদের মত ও পথ অনুযায়ী চলতেই যেন আমাদের প্রবল আগ্রহ। এই প্রবণতার খেসারত স্বরুপ অনেক হালাল ও মুস্তাহাব কাজকেও বেদাত বা অপসংস্কৃতি বানিয়ে ছেড়েছি। মৃত বাড়ির আয়োজন থেকে নিয়ে ঈদ, শবে বারাত সবকিছুতেই আমাদের বাড়তি সংযোজন। বাদ যায় নি, বিয়েও।

বিয়ের কনে দেখার ক্ষেত্রে আমরা দু ধরনের সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত। ১- ওয়েস্টার্ন ২- হিন্দুয়ানী প্রথা।

ওয়েস্টার্ন ধারাটা গড়ে উঠেছে খুব বেশিদিন হয় নি। পাত্র পাত্রীর হোটেল রেস্টুরেন্ট সাক্ষাৎ, আড্ডা, একান্তে মিলিত হওয়া। ঘুরতে যাওয়া…. নানা কায়দায় পাত্র পাত্রী একে অন্যকে নিরীক্ষা করে। ইসলামপূর্ব জাহেলি যুগেও কোন কোন গোত্রে এই ‘টেস্টিং প্রোসেস’ বিদ্যমান ছিল।* ওয়েস্টার্ন কালচারে এটা পারিবারিক বিয়ের ভদ্রোচিত নমুনা। আর লাভ ম্যারেজ? জঘন্য সব পাপে লিপ্ত হওয়ার পর সেটাকে জায়েজ করার জন্যে একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন!

দ্বিতীয় এই ধারাটির চল সবচেয়ে বেশি। ননপ্রাক্টিসিং মুসলিম তো বটেই, প্রাক্টিসিং মুসলিমদের মাঝেও এটা দেখা যায়। তা হলো, ঘটা করে ছেলে, ছেলের বন্ধু ভাই বাবা মা সব হাজির হওয়া। এটা সম্ভবত হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত প্রথা। এর কারণে, শরীয়তের বিধান লংঘনের পাশাপাশি বেশ কিছু সামাজিক সমস্যাও রয়েছে।

১- মেয়ের পরিবারের অর্থ খরচ করে আয়োজন
২- ছেলের পরিবারের ইজ্জত রক্ষার্থে ব্যপক উপহার
৩- মেয়েকে মানসিক অস্বস্তি ও চাপের সম্মুখীন করা
৪- সবচেয়ে বিশ্রী ও ভয়ানক ব্যাপার ঘটে, যখন বিয়েটা হয় না। সামাজিকভাবে হেনস্তা ও গ্লানির শিকার হতে মেয়ে ও মেয়ের পরিবারকে। এই সামগ্রিক ‘আযাব’ আমাদের নিজেদের তৈরি করা ‘কুপ্রথা’ থেকেই জন্ম নেয়!
(*সহীহ বুখারি- ৫১২৭)

*** কেমন ছিল “তাদের” কনে দর্শন?

সাহাবাদের আমল আর রাসূল সা. এর বাণী বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, সাহাবাদের দর্শন ছিল নিতান্তই সাদামাটা। সেটার স্থায়িত্ব ছিল খুব সামান্য সময়ের জন্যে। অনেক মুহাদ্দিস বলেছেন, ক্ষণিকের দৃষ্টি বা আচমকা দৃষ্টিপাত। দীর্ঘক্ষণ কথাবার্তা বা আয়োজন করে আলাপচারিতার নজীর নেই।

কখনো এমন হয়েছে, “আমি আপনার ব্যাপারে জেনেছি। আপনাকে বিয়ে করতে আগ্রহী! এর উত্তর “আমার ইদ্দতের দুমাস বাকী আছে। এরপর”.. ব্যস! এই প্রয়োজনীয় কথাই শেষ!
বিয়ের জন্যে যে মেয়ে দেখা যায়, এটাতেও অনেক সাহাবীয়া অবাক হয়েছেন। যেমন দেখুন,

মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে এক মহিলাকে বিবাহ করার ব্যাপারে তাঁর সাথে আলাপ করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি যাও এবং তাকে দেখে নাও। হয়তো তাতে তোমাদের উভয়ের মধ্যে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে। অতএব আমি এক আনসার মহিলার নিকটে এসে তার পিতা-মাতার নিকট তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দিলাম এবং সাথে সাথে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীসও তাদের অবহিত করলাম। কিন্তু মনে হলো তার পিতা-মাতা এটা অপছন্দ করলো। রাবী বলেন, মেয়েটি পর্দার আড়াল থেকে উক্ত হাদীস শুনে বললো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে পাত্রী দেখার আদেশ দিয়ে থাকলে আপনি দেখে নিন। অন্যথায় আমি আপনাকে শপথ দিচ্ছি (যেন না দেখেন)। কনে যেন ব্যাপারটিকে অভিনব মনে করলো। রাবী বলেন, আমি তাকে দেখে নিলাম এবং তাকে বিবাহ করলাম। পরে মুগীরাহ (রাঃ) তাদের উভয়ের মাঝে সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।

তিরমিযী ১০৮৭, নাসায়ী ৩২৩৫, দারেমী ২১৭২, ইবনে মাজা ১৮৬৬ সহিহ

*** পাত্র/পাত্রীর ব্যাপারে খোজ নেয়া

বিয়ের পূর্বেই পাত্র-পাত্রী দেখে সকল দিক গভীরভাবে তলিয়ে দেখা জরুরী, যেন পরবর্তীতে এ সংক্রান্ত কোন সমস্যা দাম্পত্য জীবনকে দুর্বিষহ না করে তোলে। এ জন্য ইসলাম এর প্রতি যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিয়েছে।

– সাহাবী আবু হুরায়রা রা. এর বর্ণনায় এসেছে, এক ব্যক্তি মহানবীর সা. নিকট এসে বলল, আমি একজন আনসারী রমণীকে বিয়ে করতে চাচ্ছি। এ কথা শুনে মহানবী সা. বললেন, মেয়েটিকে দেখে নাও। কেননা আনসারীদের কারো চোখে আবার সমস্যা থাকে। (মুসলিম:১424)

পাত্র বা পাত্রীর ব্যাপারে আগেই সব জেনে নিবে। বিয়ের ক্ষেত্রে কারো দোষ বা ত্রুটি থাকলে সেটা উল্লেখ করলে গীবাহ হবে না।

*** কনে দেখার শরয়ী বিধান…

কনে দেখাকে মুস্তাহাব বলা হয়েছে। কেও কেও অবশ্য সুন্নাতও বলেছেন। ইসলাম কনে দেখাকে জায়েজ করেছে, উৎসাহিতও করেছে। উম্মাহর সিংহভাগ আলেমের মতও তাই। বিয়ের পূর্বে কনেকে এক নজর দেখে নেয়া। এটা কখন? যখন বিয়ের ইচ্ছা প্রবল হয়। অনেকে বলেছেন, এটা তখন যখন বিয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে কনের বাড়িতে পৌঁছে। অর্থাৎ পাক্কা এরাদা ও স্থির সিদ্ধান্তের পরেই কনে দেখার সুযোগ।

– এক হাদীসে সাহাবী হযরত জাবির রা. বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সা: বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় তখন সে যেন তার এমন কিছু দেখে, যা তাকে তার সাথে বিয়েতে উৎসাহিত করে’ (আবু দাউদ : ২০৮২, মুসনাদে আহমদ – ১৪৫৮৬- হাসান)

-অন্য বর্ণনায় হযরত মুগিরা বিন শো’বা রা. বলেন, আমি জনৈক নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলাম। এটা শুনে রাসূলূল্লাহ্ সা. আমাকে জিজ্ঞাস করলেন, তুমি কি তাকে দেখেছ? আমি বললাম, না দেখিনি। তখন তিনি নির্দেশ দিলেন যে, তুমি তাকে দেখে নাও। তোমার এই দর্শন তোমাদের মাঝে দাম্পত্য জীবনের প্রণয়-ভালোবাসা গভীর হবার বড় সহায়ক হবে। (তিরমিযী: ১০৮৭- সহীহ)

উপরোক্ত হাদীসগুলোর ভাষ্য এক ও অভিন্ন। তা হচ্ছে বিয়ের পূর্বে বর কনেকে দেখে নেয়া। তো মেয়ে দেখার শরীআত সম্মত নিয়ম হলো দীনদারীকে প্রাধান্য দিয়ে আনুসাঙ্গিক সকল বিষয় প্রথমে দেখে নিবে। অন্যথায় তার সোনার সংসারে সুখের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়।

– আল্লাহর নবী সা: বলেন, যার দ্বীন ও চরিত্র তোমাদের মুগ্ধ করে, তার সাথে (তোমাদের ছেলেদের কিংবা মেয়েদের) বিয়ে দাও। যদি তা না করো তবে পৃথিবীতে ফিতনা, ফাসাদ ও অশান্তি সৃষ্টি হবে।’
(ইবনে মাজাহ -১৯৬৭ তিরমিজি ১০৮৪- হাসান)

*** অত:পর যেভাবে পাত্রী দেখবে…

গোপনে দেখা মানে এই না যে তার সাথে নির্জনে মিলিত হওয়া। বরং অভিভাবকের উপস্থিতিতে অথবা মেয়ের মাহরাম ভাই বা বৃদ্ধা দাদী নানীর উপস্থিতি মেয়েকে দেখে নিবে। এটা খুব বেশি প্রলম্বিত করার প্রয়োজন নেই। কেও হয়ত ভ্রুকুচকাতে পারেন, মাত্র কয়েক মিনিটে মেয়ের অবস্থা জানা সম্ভব? এভাবে বিয়ে হয়?
কয়েক মিনিট কেন? দীর্ঘ প্রেম করে একে অন্যকে গভীরভাবে চেনার পর যখন বিয়ে করে, তখনও অনেকে অভিযোগ করেন “বিয়ের আগে তোমাকে চিনতে পারিনি”… আসলে অফিসিয়াল এই দেখায় কাউকে চিনে ফেলা সম্ভব না। যেটা সম্ভব না সেটার অজুহাতে প্রলম্বিত করারও প্রয়োজন নেই। শরীয়ত দেখার অনুমতি দিয়েছে ঘাটাঘাটি করার জন্যে না। বরং হাদিস থেকে প্রতিভাত হয়, কনের প্রতি আগ্রহী হওয়ার জন্যে। আর সেটা সম্ভবত কয়েক মুহুর্তের স্থায়ীত্বের মাধ্যমেই সুদৃঢ় হয়। বেশি খুঁটিয়ে দেখতে গেলে নেগেটিভ মাইন্ড কাজ করে। এতে মূল মাকসাদ ‘কনের প্রতি আগ্রহী’ হওয়ার উল্টোটা হয়। কনের ভালোমন্দ জানার জন্যে খোজ নেয়া যায়। তাছাড়া সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে “এস্তেখারা” তো করে নিতে হবেই।

*** ঘটা করে কনে দেখা…

আমাদের দেশে ঘটা করে কনে দেখতে গিয়ে, বরের পাশাপাশি বাবা বন্ধুরাও কনে দেখে।
বর ছাড়া অন্য কোন পুরুষের কনে দেখা শরীআতে নিষিদ্ধ। চাই সে বরের পিতা বা অন্য কোন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হোক না কেন। তাদের কেউ বরের পক্ষ হয়ে কনে দেখলে কবীরা গুনাহ হবে। সুতরাং আমাদের দেশে বাবা, ভাই, বন্ধু-বান্ধব মিলে ঘটা করে মেয়ে দেখার যে প্রচলন চালু আছে তা শরীআতের দৃষ্টিতে নাজায়িজ ও হারাম। পুরুষ সদস্য বাদ দিয়ে শুধু নারী সদস্য নিয়েও ঘটা করে মেয়ে দেখা শরীআত সম্মত নয়। কেননা এভাবে ঘটা করে কনে দেখার পর যদি কোন কারণবশতঃ বিয়ে না হয়, তাহলে এটা ঐ মেয়ে পক্ষের জন্য রীতিমত বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তী সময়ে অন্যরা মেয়ের ব্যাপারে নানা রকম সন্দেহের মধ্যে পড়ে। ফলে এই মেয়ে বিয়ে দেয়া কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়ায়। আর কোন মানুষকে এভাবে বিপদে ফেলা ইসলাম সম্পূর্ণ নিষেধ করেছে।
[মুসলিম:১/৪৫৬; আবু দাউদ:১/২৮৪; তিরমিযী:১/২০৭;ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ৩/২১২]

*** কনের কতটুকু দেখা জায়েজ?

১- কনে দেখার ক্ষেত্রে কেবল মাত্র কনের হাত ও মুখই দেখা যেতে পারে। অবশ্য কাপড়ের উপর দিয়ে যদি শরীরের সামগ্রিক অবয়ব দেখে নেয়া হয়, তাহলে কোন অসুবিধা নেই। কেবল মাত্র বিয়ে করার উদ্দেশ্যেই কনে দেখতে পারবে এছাড়া নয়। বিয়ে করার উদ্দেশ্যে কনে দেখার সময় যদি কামোত্তেজনার সৃষ্টি হয়, তাতেও কোন আপত্তি নেই। কেননা এটাতো শরীআত অনুমোদিত একটি প্রয়োজন।

২- অবশ্য ইমাম আবু হানীফা রহ. এর মতে ,হাত ও চেহারার বাইরে পা ও দেখা বৈধ।
( আল জাওহারাতুন নায়্যিরাহ ৬/১৬৩ আল মাবসুত লিসারাখসী ১২/৩৭১)

৩- আর যদি মেয়েরা কনে দেখে, তাহলে প্রয়োজনে শরীআতের সাধারণ রীতি অনুযায়ী সতরের অংশটুকু বাদ দিয়ে অবশিষ্ট পূর্ণ শরীর দেখতে পারবে।
এমনকি কোন অঙ্গ সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিলে নির্ভরযোগ্য কোন নারীর মাধ্যমে তা যাচাই করে নিতে পারবে। তবে সেটা যেন ভদ্রতার মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়।

৪- যদি পাত্র পাত্রীকে একবার দেখেই পরিতৃপ্ত হয়ে যায়, তবে তার জন্য একবারের অতিরিক্ত দেখা হারাম। কারণ এই দেখা হালাল করা হয়েছে অনিবার্য প্রয়োজনে। সুতরাং এখানে অনিবার্য প্রয়োজন বিবেচ্য!
[হিদায়া:৪/৪৪৩;আল মুগনী:৭/৭৪;] (রাদ্দুল মুহতার : ৬/৩৭০ ৫/২৩৭)।

** পাত্রী কি সাজগোজ করতে পারবে?

হ্যা, পাত্রী পাত্রের সামনে যাওয়ার আগে সাধারণ সাজগোজ করতে পারবে। কিন্তু সেটা এই পর্যায়ে নয়, যেটা একধরনের ধোকা হয়ে যায়। যেমন, অতিরিক্ত মেকাপ এর ফলে তার বাস্তব আকৃতিই বদলে যায়। ফলে পাত্র সাময়িক ধোকায় পরে রাজী হয়ে যায় বটে, কিন্তু পরবর্তীতে সংসারে অশান্তি হয়। হয়ত, এর বাড়াবাড়ি পর্যায়ের মেকাপ না করলেও এখানেই বিয়ে হত। কিন্তু এটার কারণে সম্পর্কে মাধুর্যতা থাকে না। যে হাদিসে রাসূল সা. পাত্রকে পরামর্শ দিয়েছেন পাত্রী দেখতে। সেখানে এটাও বলেছেন, “দেখে নেয়ার দ্বারা সুসম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক হয়”! সুতরাং এর উলটা যেন না হয়, এ ব্যাপারেও খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাৎ দেখে বিয়ে করে পরে ধোকা খেল। সুসম্পর্ক তো দূরের কথা, সাধারণ সম্পর্কও আর থাকে না। তবে স্বাভাবিক পর্যায়ের সাজগোজ ও নিজেকে আকর্ষিত ও মোহনীয় করতে পারবে।
মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে ‘সুবাইয়া’হ বিনতে আবি বারযাহ’ রা. এর স্বামী এন্তেকালের পর দ্বিতীয় বিয়ের সময়, যখন আবু সানাবেল রা. তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ঐ সময়ে তিনি খেজাব লাগিয়েছিলেন ও সুরমা দিয়েছিলেন।
(আহমদ- ২৭৪৩৮- সহীহ)

এথেকে বোঝা যায়, সাধারণ সাজগোজ করা যাবে। যাতে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না হয়, এতে ধোকা খাওয়ার আশংকা আছে।

কৈফিয়ত —

লেখাটা এমনিতেই ঢাউস সাইজের হয়ে গেছে। ইচ্ছে ছিল দলীলদস্তাবেজ দিয়ে আরো সমৃদ্ধ করার। সেটা হয়ে উঠে নি। ইমামদের মতামত, ফকীহদের দৃষ্টিভঙ্গি আরো নানা বিষয় বাদ দিতে হয়েছে। পাত্রপাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত, সেটা লিখেও মুছে ফেলেছি। এছাড়া ছবির মাধ্যমে পাত্রী দেখার বিধান, একই কারণে যুক্ত করা সম্ভব হয় নি। ইচ্ছে ছিল, এ ব্যাপারে যাবতীয় হাদিস ও আছারে সাহাবা উল্লেখ করার। আল্লাহ তাওফিক দিলে অন্য কোনদিন ইনশাআল্লাহ। وما توفيقي الا بالله العلي العظيم
শায়খ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 84 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ