কারা আসছেন নির্বাচন কমিশনে

Print
সার্চ কমিটির সংক্ষিপ্ত তালিকায় ২০ জন, আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ ২৫ দলের ১২৫ নাম প্রস্তাব, ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১০ জনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে জমাকারা আসছেন নির্বাচন কমিশনে

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত শতাধিক নাম যাচাই-বাছাই করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে সার্চ কমিটি। এর মধ্য থেকে ১০ জনের নাম ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে এ কমিটি। সেখান থেকে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি। তবে রাজনৈতিক দলের প্রস্তাবিত নামের বাইরেও সুপারিশ করতে পারে সার্চ কমিটি। ইতিমধ্যে ২০ নাম নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ ২৫ দল তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের নাম কমিটির কাছে প্রস্তাব দিয়েছে। জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নেওয়া ৩১ দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ নাম জমা দিয়েছে ২৫ দল। ছয়টি দল নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন?্য সার্চ কমিটির কাছে কোনো নাম প্রস্তাব করেনি। এর মধ্যে দুটি দল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়ে নাম না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেও বাকি চারটি দল কোনো ধরনের সাড়াই দেয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নাম পাওয়ার পর গতকাল বিকাল ৪টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বৈঠক করেন সার্চ কমিটির ছয় সদস্য। বিভিন্ন দলের প্রস্তাবিত নামগুলো বৈঠকে উপস্থাপন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। পরে বৈঠকে ২০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়। এ তালিকা সার্চ কমিটি প্রকাশ করেনি। তবে বিভিন্ন সূত্র আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ কয়েকটি দলের নামের তালিকা জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের তালিকায় যারা : ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যাদের নাম প্রস্তাব করেছে তারা হলেন- সিইসি হিসেবে সাবেক মুখ্য সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান এবং নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সাবেক মুখ্য সচিব আবদুল করিম, সাবেক সচিব মঞ্জুর হোসেন, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ ও সাবেক তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। বিএনপি ও জোটের তালিকায় যারা : নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে করা সার্চ বা অনুসন্ধান কমিটির কাছে পাঁচজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নাম জমা দিয়েছে বিএনপি। দলটি নামের তালিকা প্রকাশ করেনি। তবে বিএনপির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, পাঁচ সদস্যের নামের তালিকায় রয়েছেন সাবেক সচিব আসাফ-উদ দৌলা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট আইনজীবী ড. শাহ্দীন মালিক, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তাসনীম আরেফা সিদ্দিকী। এর মধ্যে আসাফ-উদ দৌলাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির তালিকায় পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. সা’দত হুসাইন, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,  নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলি, পুলিশের সাবেক আইজি আজিজুল হক, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) দানিয়েল ইসলাম,  সাবেক জেলা জজ এম এ গফুরের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। জোটভুক্ত সাতটি শরিক দলের মধ্যে বাংলাদেশ ন্যাপ আসাফ-উদ দৌলা, ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, আলাউদ্দিন সরকার, তোফায়েল আহমেদ ও অধ্যাপক তাসনীম আরেফা সিদ্দিকীর নাম পাঠিয়েছে। সাবেক সচিব আসাফ-উদ দৌলা, সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহ্দীন মালিক, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, আজাদ মসজিদ খতিব মাহমুদুল হাসান ও সাবেক নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা জেসমিন টুলির নাম দিয়েছে খেলাফত মজলিস। আর মুসলিম লীগ পাঠিয়েছে সালেহ উদ্দিন, তাসনীম আরেফা সিদ্দিকী, সাবেক জেলা জজ এম এ গফুরসহ পাঁচজনের নাম।

অন্যান্য দলের তালিকায় যারা : গণতন্ত্রী পার্টি যাদের নাম দিয়েছে তারা হলেন বিচারপতি কবিতা খানম, সাবেক পিএসসি চেয়ারম্যান ড. সা’দত হুসাইন ও  ইকরাম আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন ও সচিব অশোক মাবধ রায়। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ একটি নাম প্রস্তাব করেছে। তাদের প্রস্তাবিত ব্যক্তি হচ্ছেন সাবেক ইসির যুগ্ম-সচিব জেসমিন টুলি। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল—বাসদের প্রস্তাবে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সাবেক পিএসসি চেয়ারম্যান ড. সা’দত হুসাইন, বিলুপ্ত স্থানীয় সরকার কমিশনের সদস?্য ড. তোফায়েল আহমেদ, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইনের নাম রয়েছে। গণফ্রন্টের প্রস্তাবিত তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধান বিচারপতি ফজলুল করিম, সাবেক গভর্নর খোরশেদ আলম, সাবেক সচিব ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জামিল এবং এনবিআরের সাবেক সদস্য রাহেলা চৌধুরীর নাম। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব (মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়) এ এম এম রেজায়ে রাব্বী, সাবেক জ্যেষ্ঠ জেলা জজ ও প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সাবেক সদস্য আবদুল গফুর, চট্টগ্রামের ওরমগণি এমইএস পোস্টগ্র্যাজুয়েট কলেজের অধ্যাপক মাওলানা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ও সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি হামিদুল হকের নাম। আম্বিয়া-প্রধানের জাসদ যেসব নাম দিয়েছে সেই তালিকায় রয়েছেন সাবেক মুখ্য সচিব মোল্লা ওয়াদুিজ্জামান, সাবেক ইসি সচিব হুমায়ুন কবির, কমডোর ওয়াহিদ চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এ এস এম আনিসুর রহমান, অধ্যাপক নাসিম আখতার হুসাইন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব শৈলেন্দু মজুমদার।

সার্চ কমিটির সংক্ষিপ্ত তালিকায় ২০ নাম : গতকাল সন্ধ?্যায় সার্চ কমিটির বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, দলগুলোর কাছ থেকে ১২০-১২৫টির মতো নাম জমা পড়েছে। এর মধ্য থেকে সততা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সার্চ কমিটি ২০ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে। তবে এই ২০ জনের মধে?্য কারা আছেন সে তথ?্য প্রকাশ করেননি মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সার্চ কমিটি নিজ উদ্যোগে কিছু নাম প্রস্তাব করতে পারে বলেও আভাস দিয়েছেন তিনি। আরও যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০ জনের তালিকা থেকে ১০ জনকে চূড়ান্ত করবে সার্চ কমিটি। সেই ১০ জনের নাম প্রস্তাব করা হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। সার্চ কমিটির ওই সুপারিশের মধে?্য থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখে বিদায় নেবে। এরপর দায়িত্ব নেবে নতুন কমিশন। তাদের অধীনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়া ৩১টি রাজনৈতিক দলের মধে?্য চারটি ছাড়া বাকি ২৭টি দলের চিঠি তারা পেয়েছেন। অবশ?্য এর মধে?্য দুটি দল জানিয়েছে, তারা চিঠি দিলেও কারও নাম প্রস্তাব করেনি। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সোমবার বিশিষ্টজনদের সঙ্গে আলোচনায় আসা পরামর্শ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত তালিকা করার ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও নির্দলীয়দের গুরুত্ব দিয়েছে সার্চ কমিটি। তিনি বলেন, ‘যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা রয়েছে, এ জন্য আমরা নাম প্রকাশ করছি না। ’ আরেক প্রশ্নের উত্তরে শফিউল আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সার্চ কমিটি কোনো নাম প্রস্তাব করেনি। করবে কি না এখনো জানা যায়নি। সার্চ কমিটিতে যারা রয়েছেন, তারা সবাই ব্যক্তিগত ও পেশাগত দিক থেকে অভিজ্ঞ। সেই অভিজ্ঞতা থেকে কেউ নাম প্রস্তাব করতেও পারেন। আমাদের হাতে সময় খুব কম। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সার্চ কমিটি নাম সুপারিশ করার জন?্য কাজ করে যাচ্ছে। ’ রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটিকে নাম সুপারিশের জন?্য যে ১০ কার্যদিবস সময় দিয়েছেন, তা শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সার্চ কমিটি গঠন করেন। আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই সার্চ কমিটির অন্য সদস?্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক, মহা হিসাবনিরীক্ষক (সিএজি) মাসুদ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শিরীন আখতার।

২৫ দলের নাম জমা : বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন নেতৃত্বাধীন সার্চ কমিটি শনিবার তাদের প্রথম বৈঠক থেকে ৩১টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঁচজন করে ব?্যক্তির নাম চেয়েছিল। গতকাল বেলা ৩টায় নাম দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিধি) আবদুল ওয়াদুদ সাংবাদিকদের জানান, ২৭ দলের সিলগালা করা চিঠি তারা পেয়েছেন। বিকল্পধারা বাংলাদেশ, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সার্চ কমিটির  আহ্বানে কোনো সাড়া দেয়নি। আর বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জেএসডি চিঠি দিয়ে নাম না দেওয়ার কথা জানিয়েছে। নাম প্রস্তাবের বিরোধিতা করে সিপিবি আগেই বলেছিল, এভাবে রাজনৈতিক দলগুলো নাম প্রস্তাব করলে ওই ব্যক্তিদের নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়বে। ২৭টি দলের চিঠি পেলেও কটি দল কয়জনের নাম প্রস্তাব করেছে, সেখানে কাদের নাম এসেছে, সে বিষয়ে মুখ খোলেননি সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহযোগিতা দেওয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা। এই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ‘আমরা ওই দলগুলোর চিঠি পেয়েছি সিলগালা খামে। সেগুলো আমরা সার্চ কমিটির কাছেই জমা দেব। ভেতরে কী আছে তা আমাদের জানার সুযোগ নেই। নাম জমা পড়ার সময় শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক পর সেগুলো নিয়ে গতকাল বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে বৈঠক করেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি। দলগুলোর কাছে পাওয়া নাম যাচাই-বাছাই করে সার্চ কমিটি ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সুপারিশ জমা দেবে। তাদের সুপারিশ থেকেই অনধিক পাঁচ সদস্যের ইসি নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

দলগুলোর লুকোচুরি : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গতকাল বেলা সাড়ে ১২টার পর সচিবালয়ে গিয়ে তাদের নামের প্রস্তাব-সংবলিত চিঠি দিয়ে আসে। এর পরপরই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নামের চিঠি নিয়ে যান দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ। তবে নতুন নির্বাচন কমিশনের জন?্য বিএনপি বা আওয়ামী লীগ কাদের নাম প্রস্তাব করেছে, রিজভী বা গোলাপ তা প্রকাশ করেননি। খাম পৌঁছে দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি নেতা রিজভী বলেন, ‘দলের হাইকমান্ড ও ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ আমার কাছে একটি মুখবন্ধ খাম দিয়েছেন। সচিবালয়ে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের কাছে খামটি দিয়েছি। কাদের নাম আছে বলতে পারব না। ’ তবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে নির্বাচন কমিশন শক্তিশালীকরণে যেসব প্রস্তাব দিয়েছেন, এর প্রতিফলন প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষে নামের তালিকা জমা দেওয়া আবদুস সোবহান গোলাপও নাম প্রকাশ করেননি। তিনি বলেন, ‘সোমবার রাতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যকরী কমিটির এক যৌথ সভায় উপস্থিত সবাইকে গোপনে পাঁচটি করে নাম দিতে বলা হয়। সেই নামগুলোর মধ্যে যে নাম বেশিবার এসেছে, সেই পাঁচটি নাম নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পরামর্শে সিল করা খামটি আমি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিয়েছি। ’ খামে কাদের নাম আছে সে বিষয়ে কিছুই জানা নেই বলে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি। গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. অধ্যাপক সহিদুল্লাহ শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন তাদের পছন্দের নাম জমা দেন।

আজ চারজনের সঙ্গে বৈঠক : এদিকে আজ বেলা ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে চার বিশিষ্ট নাগরিকের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন সার্চ কমিটির সদস্যরা। এই চার বিশিষ্ট নাগরিক হচ্ছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু হেনা, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ।

-বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 249 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ