কালজয়ী এই শিল্পীর বাঁচার আকুতি

Print

‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ ও ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’সহ অসংখ্য কালজয়ী গানে কন্ঠ দেন আবদুল জব্বার।গান তিনটি ২০০৬ সালে মার্চ মাস জুড়ে বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি গানের তালিকায় স্থান লাভ করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী হিসেবে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক পাওয়া গুণী এই শিল্পী এখন অসুস্থ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

৭৯ বছর বয়সী এ শিল্পী সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা করাতে চান। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে তিনি এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আব্দুল জব্বার। বিদেশে তার উন্নত চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছে শিল্পীর পরিবার।

সুস্থ হয়ে আবারও সুরের ভুবনে ফিরতে চান আবদুল জব্বার।

জব্বার ১৯৫৮ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে গান গাওয়া শুরু করেন। তিনি ১৯৬২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য গান করেন। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি বিটিভির নিয়মিত গায়ক হয়ে উঠেন। ১৯৬৪ সালে জহির রায়হান পরিচালিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গিন চলচ্চিত্র সংগম-এর গানে কণ্ঠ দেন। ১৯৬৮ সালে এতটুকু আশা ছবিতে সত্য সাহার সুরে তার গাওয়া “তুমি কি দেখেছ কভু” গানটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯৬৮ সালে পীচ ঢালা পথ ছবিতে রবীন ঘোষের সুরে “পীচ ঢালা এই পথটারে ভালবেসেছি” এবং ঢেউয়ের পর ঢেউ ছবিতে রাজা হোসেন খানের সুরে “সুচরিতা যেওনাকো আর কিছুক্ষণ থাকো” গানে কণ্ঠ দেন। তার একটি কালজয়ী গান ১৯৭৮ সালের সারেং বৌ ছবির আলম খানের সুরে “ও..রে নীল দরিয়া”

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 215 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ