কিশোরের উত্যক্ত সইতে না পেরে ‘আত্মহত্যা’

Print

গাজীপুরের টঙ্গীতে ঝর্ণা আক্তার (১২) নামে এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ। কয়েক কিশোরের উত্যক্ত সইতে না পেরে সে ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পশ্চিম আরিচপুর এলাকার রুহুল আমিনের বাসা থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ঝর্ণা আরিচপুর সরকারি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ও কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানার জাবেদ মিয়ার মেয়ে। জাবেদ মিয়া টঙ্গী থানা পুলিশের সোর্স হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছিলেন।
নিহত ঝর্ণার বাবা জাবেদ বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমি কর্মস্থলে থাকাকালীন বাড়িওয়ালা ফোনে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানান। মেয়ের মৃত্যুর খবর শুনে দ্রুত বাসায় এসে মেয়ের ঝুলন্ত লাশ দেখি।
তিনি আরো বলেন, গত দুইমাস ধরে স্থানীয় আকতার হোসেনের বখাটে সন্তান হাসান ও তার সহযোগিরা স্কুল থেকে ফেরার পথে আমার মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। এ নিয়ে এলাকার স্থানীয়দের বেশ কয়েকবার অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাইনি। ঘটনার পর বাসায় এসে আশপাশের লোকজনের কাছে জানতে পারি আমার মেয়ে স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পর হাসানসহ তিন বখাটে কিশোর বাসার সামনে মেয়েকে উচ্চস্বরে ডাকাডাকি করে। এর কিছুক্ষণ পর মেয়ের কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি।
বাড়ির মালিক রুহুল আমিনের স্ত্রী সাথি বেগম জানান, নিহতের পরিবার গত দুই মাস যাবৎ আমার বাড়িতে ভাড়া থাকে। এই দুই মাসের মধ্যে তাদের পারিবারিক কোনো ঝগড়া বিবাদ দেখিনি। তবে বেশ কিছুদিন যাবৎ তাদের আগের বাসার ভাড়াটিয়া আকতারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ বিষয়টি এলাকার সবাই জানে।
টঙ্গী মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফিরোজ তালুকদার জানান, এ ব্যাপারে থানায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলার অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 141 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ