কেন্দুয়ায় ছাত্রনেতা থেকে জননেতা আসাদুল হক ভূঞা জনপ্রিয়তায় শীর্ষে

Print

মাঈন উদ্দিন সরকার রয়েলঃ কেন্দুয়া উপজেলার আপামর জনসাধারণ ও নেতাকর্মীদের কাছে প্রিয় একটি নাম আসাদুল হক ভূঞা ।একমাত্র তিনিই কেন্দুয়া উপজেলায় “নেতা” উপাধি খ্যাত হয়েছেন । জনগন তাঁকে ভালবেসে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসাদুল হক ভূঞাকে“নেতা” উপাধিতে ভূষিত করেছেন ।নাম না বলে নেতা বললেই, আসাদুল হক ভূঞাকেই চিনে এ এলাকার মানুষ ।

নেতা উপাধি খ্যাত আসাদুল হক ভূঞা কেন্দুয়ার হাজার হাজার আওয়ামীলীগের তৃণমূলকর্মীদের আস্থার ঠিকানা, দুর্দিনের অতন্দ্র প্রহরী, যিনি দীর্ঘ বছর ধরে আওয়ামীলীগকে পাহাড়ের ন্যায় আগলে রেখেছেন । কেন্দুয়া উপজেলায় ছাত্রনেতা থেকে জননেতা আসাদুল হক ভূঞা জনপ্রিয়তায় অতীত ও বর্তমানে সর্বশীর্ষে রয়েছেন ।আওয়ামীলীগের জন্য ত্যাগী নেতা আসাদুল হক ভূঞার ছাত্ররাজনীতি থেকে অদ্যাবধি রয়েছে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা,শ্রম, ঘাম ।

জনপ্রিয় এ নেতার রয়েছে কর্মীদের প্রতি কমিটমেন্ট দলের প্রতি অবিচল আস্থা ও লড়াই সংগ্রাম ও সাহসিকতার গৌরবোজ্জ্বল রাজনৈতিক ইতিহাস। ১৯৭৯ খ্রি. প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি যখন অষ্টম শ্রেণি ছাত্র তখনই দলের পক্ষ অবস্থান নেন ও মামলার আসামী হোন। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন্দুয়া খেলার মাঠে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল। বিএনপির আক্রমনে যখন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা দিশেহারা তখন হক পরিবার যে সাহসী ভূমিকা রেখেছিল তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। সেই ইতিহাস সকলেরই জানা। আসাদুল হক ভূঞা গতিশীল ও সাহসী নেতৃত্বের জন্য ১৯৮৪ সালে কেন্দুয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগকে কেন্দুয়ার একটি বৃহত্তম ও একক শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত করেন। আর এই বলিষ্ট ভূমিকার জন্যই কেন্দুয়া ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় পরপর তিনবার থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন্ ।

ছাত্রনেতা থাকাকালীন তার ভূমিকার দরুন তৎকালীন সংসদ সদস্য এডভোকেট এম জুবেদ আলীর প্রিয়ভাজনে পরিণত হোন এবং আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারণী ও বাস্তবায়নকারী ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দলে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। কেন্দুয়া কলেজের গভর্নিংবডি নির্বাচনে আসাদুল হক ভূঞা দ্বিগুন ভোটে প্রথম হয়ে নির্বাচিত হয়েছিল।বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী তথা জনগণের কাছে তার গ্রহনযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার প্রমান মিলে। কিন্তু অর্থ ও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের কাছে এ জনপ্রিয় নেতা এ সব নির্বাচনে পরাজিত হন।

পরবর্তীতে পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দুই তৃতীয়াংশ ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনগণের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আসাদুল হক ভূঞা কেন্দুয়ার ভূঁইফোড় কোন নেতা নয়। কেন্দুয়া উপজেলায় একমাত্র একটি ব্যক্তিকেই সকলে “ নেতা” নামে চিনে তিনি হলেন আসাদুল হক ভূঞা । এ এলাকার জনগণ ভালবেসে এবং তার গুনে মুগ্ধ হয়ে নেতা উপাধিতে ভূষিত করেছেন । আসাদুল হক ভূঞার ইতিহাস,কেন্দুয়ার আওয়ামী রাজনীতির এক সংগ্রামী রাজনৈতিক নেতার ইতিহাস। এখনও তার মুখের দিকেই তাকিয়ে থাকে কেন্দুয়ার হাজার হাজার নেতাকর্মী আর তিনিও এভাবে সময়, শ্রম দিয়ে কর্মীদের ভালবেসে যাচ্ছেন। আসাদুল হক ভূঞা তার নিজের মেধা, প্রঞ্জা, সময়, শ্রম, কর্মীদের প্রতি ভালবাসা, আপোষ হীনতা, সাহসী নেতৃত্ব ও সংগ্র্মী ভূমিকার জন্যই তিনি নেতা ও স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল । বরঞ্চ অনেক নেতাই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আসাদুল হক ভূঞার সাথে পরামর্শ করেন । তিনি তার নিজ যোগ্যতা ও ত্যাগ দিয়েই কেন্দুয়ার ছাত্রনেতা থেকে জননেতায় পরিণত হয়েছেন।

কেন্দুয়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা এ জনপ্রিয় নেতা আসাদুল হক ভূঞাকে আগামীদিনে কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কর্ণধার হিসেবে দেখতে চায়-এমন প্রত্যাশায় রয়েছে এলাকার অগনিত ত্যাগী নেতাকর্মী । অনেক প্রবীন ত্যাগী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন-মৃত্যুর পূর্বেও যদি আসাদুল হক ভূঞাকে কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে দেখে যেতে পারতাম,তবে মরেও শান্তি পেতাম । কেননা কেন্দুয়ার আওয়ামীলীগ একমাত্র জননেতা আসাদুল হক ভূঞার হাতেই সবচেয়ে বেশী নিরাপদ ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 1128 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ