ঘুষের বিনিময়ে সার্টিফিকেটে পচা মাংস বাজারজাত, ৩৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

Print

ঘুষের বিনিময়ে পচা মাংশ সরকারি সার্টিফিকেট প্রদানের অভিযোগে ব্রাজিলের কর্তৃপক্ষ ৩৩ জন সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে।
এছাড়াও তিনটি মাংস প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং আরো ২১টির বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

বছরের পর বছর ধরে দেশটির কয়েকটি বৃহৎ মাংস প্রক্রিয়াকরণ কোম্পানির বিরুদ্ধে গরুর এবং হাঁস-মুরগি পচা মাংশ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদিত এসব মাংশের অধিকাংশই ইউরোপ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে রপ্তানি করা হয়।
ব্রাজিল হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ লাল মাংসের রপ্তানিকারক দেশ।
বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের আশ্বস্ত করতে দেশটির কৃষিমন্ত্রী ব্লায়ারিও ম্যাগি সোমবার তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ব্রাজিলের মাংস রপ্তানিকারকদের বিরুদ্ধে জারি করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার চেষ্টা চালাবেন।
ব্রাজিলের ছয়টি রাজ্যে দুই বছর তদন্তের পর শুক্রবার ভোরে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ফেডারেল পুলিশ ১৯৪ অবস্থানে অভিযান চালায় এবং এজন্য ১ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তাকে মোতায়েন করা হয়।
তদন্তকারীরা জানান, কয়েকটি কোম্পানির পরিচালক তাদের পণ্যের সরকারি সার্টিফিকেট পেতে স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও রাজনীতিবিদদের ঘুষ প্রদান করেন।
৩০টিরও বেশি কোম্পানি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংশ উৎপাদন করছে বলে তদন্তকারীরা জানান।
এদের তালিকায় বিশ্বের বৃহত্তম গরুর মাংস রপ্তানিকারক জে.বি.এস এবং বিশ্বের শীর্ষ হাঁস-মুরগির মাংশ রপ্তানিকারক বি,আর.এফও রয়েছে।
ব্রাজিলের ফেডারেল পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কাছে কমপক্ষে ৪০ ঘটনার প্রমাণ আছে।
এসব কোম্পানি মাংশে ক্ষতিকর অ্যাসিড এবং অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হচ্ছে যা খেলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 325 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ