চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে “এনিম্যাল ব্লাড ব্যাংক” প্রতিষ্ঠা

Print

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি “এনিম্যাল ব্লাড ব্যাংক” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র এনিম্যাল ব্লাড ব্যাংক। মানুষ মানুষের জন্য যেমন রক্ত দেয়, তেমনি প্রাণি প্রাণির জন্য রক্ত দিবে।

ব্লাড ব্যাংকের উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, যেকোন দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে রক্তশূণ্যতা প্রতিরোধে, গুরুতর অসুস্থতা বা অপারেশনের সময়ে শক প্রতিরোধে, জীবন বিপন্নকারী কৃমিজনিত ও অন্যান্য সংক্রামক রোগে যখন রক্তের স্বাভাবিক পরিমান হ্রাস পায়, অতিরিক্ত দূর্বলতা দূরীকরণে জরুরী ভিত্তিতে প্রাণিকে প্রয়োজন অনুযায়ী সিরাম অথবা লোহিত রক্তকণিকা অথবা শ্বেত রক্তকণিকা সরবরাহ করতে হয়। বর্তমানে কুকুর ও বিড়ালের পালনকারীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং একই সাথে আহত ও অসুস্থ প্রাণির রক্তের চাহিদাও যথেষ্ট বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এ কাদেরী টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতালে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র প্রাণি ব্লাড ব্যাংক “সিভাসু এনিম্যাল ব্লাড ব্যাংক” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

পোষা প্রাণির রক্তদান অন্য অসুস্থ প্রাণিকে একটি নতুন জীবন উপহার দিতে পারে। একটি কুকুর বা বিড়াল প্রতি ৩০ থেকে ৪৫ দিন পর পর নিরাপদ ভাবে রক্তদান করতে পারে। তবে প্রতি ৬০ থেকে ৯০ দিন পর পর রক্তদান করা উচিত। একটি কুকুর বছরে সর্বোচ্চ ৪ বার রক্তদান করতে পারে। এক ব্যাগ রক্ত সর্বোচ্চ ৪টি প্রাণির জীবনরক্ষায় ভূমিকা পালন করতে পারে।

এছাড়াও যে কোন প্রাণির জীবন সংকটে যে কোন সময় রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। উক্ত ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাণির জন্য রক্তের যোগান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 413 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি