চিকেন বলে মাংস নাকি নাড়িভুঁড়ি

Print

সহজেই মিলছে পাড়া-মহল্লার ফাস্টফুডের দোকানে। আবার দামেও কম। চিকেন বলের ব্যবসা তাই রমরমা। রমজানে এর চাহিদা আরো বেড়েছে। কারণ ইফতারিতে অনেকেরই প্রিয় এই চিকেন বল। চিকেন নাগেটস, চিকেন সসেজও ইফতারির পদ হিসেবে বেশ বেচাবিক্রি হচ্ছে।
মুরগির মাংসের কিমা দিয়ে এগুলো তৈরি হয়, এটা ভেবেই খাচ্ছে সবাই। কিন্তু হালে অভিযোগ উঠেছে রেস্তোরাঁ, সুপারশপে ভাজা বা প্যাকেটজাত যেসব চিকেন বল, চিকেন নাগেটস ও চিকেন সসেজ পাওয়া যায়, সেগুলোয় নাকি মুরগির নাড়িভুঁড়ি দিয়ে তৈরি কিমা যোগ করা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা মিলেছে, ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই তথ্য জানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফাস্টফুডের কর্মীরা চিকেন বল, সসেজ আর চিকেন নাগেটসে মুরগির নাড়িভূড়ি ব্লেন্ড করে মিশিয়ে দেয়। এর জন্যেই চিকেন বল ও সসেজের ভেতরটা মাংসের তুলনায় বেশি নরম থাকে। আর চিকেন নাগেটসে মচমচে ভাবটা আনতে নাকি মুরগির নাড়িভূরি ব্লেন্ড করে মিশিয়ে ভাজা হয়।
মুরগির মাংসের কথা বলে ভোক্তাদের নাড়িভুঁড়ির কিমার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে- এ প্রসঙ্গে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘এ ধরণের কিছু যদি হয়ে থাকে, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই কাজ করছে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন জানালেন, চিকেন বল, চিকেন নাগেটস ও চিকেন সসেজে নাড়িভুঁড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে, এ ধরনের অনেক অভিযোগ এসেছে তাদের কাছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতাও পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেকেই মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে বাধ্য হয়েছে।
‘‘রমজানে খাবারের ভেজাল প্রতিরোধে আমাদের অভিযান আরো বেড়েছে। কেউ যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আমাদের কাছে করেন, তাহলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেই। খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছি।’’

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 342 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি