জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভর্তি বাণিজ্যে জড়িত দুই শির্ক্ষাথীকে পুলিশে সোপর্দ

Print

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টার ভর্তি পরীক্ষায় বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই জন শির্ক্ষাথীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আটককৃতরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডি বিভাগের আহসানুল হাবিব (রোল-বি ১৩০২০২0৫৯) ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ৯ম ব্যাচের শির্ক্ষাথী আশরাফুল কবির (রোল বি-১৩০৬০৫০০৭)। সোমবার দুপুর তিনটার দিকে তাদের পুলিশে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর দপ্তর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা গেছে, র্অথীতি বিভাগের ১১ তম ব্যাচের ১ম র্বষ ১ম সেমিস্টার শির্ক্ষাথী মাহফুজুর রহমানকে টাকার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার কথা বলে আহসানুল হাবিব ও আশরাফুল কবির। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আগে আহসানুল ও আশরাফুল কবিরকে ৩০ হাজার টাকা দেয় মাহফুজুর রহমান। ভর্তির পর বাদ বাকী টাকা দেবে মাহফুজুর। ভর্তি পরীক্ষা ডি ইউনিটে যথারীতি ৮৫ তম হয় মাহফুজুর রহমান। কিন্তু চুক্তির বাকি টাকা দিতে গরিমসি করায় সোমবার সকাল দশটার দিকে মাহফুজুরকে মারধর করে আহসানুল হাবিব ও আশরাফুল কবির। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রক্টর দফতের নজরে বিষয়টি এলে সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আহসানুল হাবিব ও আশরাফুল কবির ধরে পক্টর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মারামারির প্রকৃত ঘটানাটি বেড়িয়ে আসে। এ ঘটনায় মার্কেটিং বিভাগের ৯ম ব্যাচের শির্ক্ষাথী ইমরান আহমেদ সাগর নামের অপর এক শির্ক্ষাথীর নাম প্রকাশ করেন ওই তিনজন। তবে ঘটানার সাথে জড়িত না থাকায় প্রশাসন ইমরানের কাছ থেকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয় প্রশাসন। পরে কোতয়ালি থানায় আহসানুল হাবিব ও আশরাফুল কবিরকে সোপর্দ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, আটককৃতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে পাশে রাতে ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত । একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অমান্য করে গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করে মাদক সেবন করে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, মারা মারির বিষয়টি মিমাংসা করতে গেলে ভর্তি বাণিজ্যের বিষয়টি ওঠে আসে। ভর্তি বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকায় আহসানুল হাবিব ও আশরাফুল কবিরকে পুলিশে সোপর্দ করেছি। বাকী একজনের নাম এলেও ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা না থাকায় তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দুজন শির্ক্ষাথীকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে থানায় সোপর্দ করে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 34 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ