জাকারবার্গের হোয়াইট হাউসে চোখ

Print

মার্ক জাকারবার্গের চোখ কি এখন হোয়াইট হাউসের দিকে? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এই অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার ইদানীংকালের কার্যক্রম সেই দিকে ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
কদিন আগেই জানালেন ঈশ্বরে বিশ্বাসের কথা। আপনি কি নাস্তিক নন? বড়দিনে করা তাঁর পোস্টের নিচে একজন মন্তব্যকারীর এমন প্রশ্নে জাকারবার্গ লেখেন, ‘না। আমি ইহুদি পরিবারে বড় হয়েছি। এমন একটা সময় ছিল, যখন আমাকে এসব বিষয়ে প্রশ্ন করা হতো। কিন্তু এখন আমি বিশ্বাস করি, ধর্ম খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

এরপর গতকাল বুধবার জানালেন ২০১৭ সালে পুরো যুক্তরাষ্ট্র ঘুরে দেখার ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জের কথা। জানালেন, আরও বেশি মানুষের সঙ্গে মিশতে চান তিনি। শুনতে চান সবার কথা। এ সবকিছুই রাজনৈতিক প্রচারের মতো শোনাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
তবে জাকারবার্গ যে রাজনীতিতে আসতে চান, এই জল্পনা নতুন নয়। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ফেসবুকসংক্রান্ত এক মামলার নথিপত্রে দেখা গেছে যে দুই বছরের জন্য সরকারি অফিসে যোগ দিলেও যেন ফেসবুকের ভোটিং ক্ষমতা তাঁর হাতে থাকে, এমন এক প্রস্তাব পাস করার বিষয়ে বোর্ড সদস্যদের বলেছেন জাকারবার্গ। নথিতে দেখা যায়, এক বোর্ড সদস্য তাঁর এই প্রস্তাব দায়িত্বহীন বলা সত্ত্বেও তিনি তা অনুমোদন দিতে চাপ দিয়েছেন। ২০১৫ সালেও উইকিলিকসের ই-মেইল ফাঁসের ঘটনায়ও জাকারবার্গের রাজনীতিতে আশার ইচ্ছার বিষয়টি উঠে আসে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ফেসবুকের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে তিনি রাজনীতিতে সুবিধা নিতে পারেন।
এর আগে জাকারবার্গের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠেছে তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমেও। ২০১৩ সালে অভিবাসনব্যবস্থা সংস্কারের পক্ষে ‘এফডব্লিউডি লবি গোষ্ঠী’ নামে রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছেন। এ সংগঠনের কাজ সিলিকন ভ্যালির জন্য দক্ষ বিদেশি শ্রমিক সংগ্রহ করা। জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য ‘চ্যান জাকারবার্গ ইনিশিয়েটিভ’ নামে একটি দাতা সংস্থাও গড়ে তুলেছেন তিনি। খবর বিজনেস ইনসাইডার ও অন্যান্য।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 145 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ