জানুয়ারি মাস শেষ এখনো বই পায়নি ১৩ হাজার শিক্ষার্থী

Print

জানুয়ারি মাস পার হতে চললেও চুয়াডাঙ্গায় এখনও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা-২০১৭ সালের নতুন বই হাতে পায়নি শিক্ষার্থীরা। ফলে জেলার ৪৫২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ হাজার ৭১৭ শিক্ষার্থীর লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। পাশাপাশি শিক্ষক সহায়কসহ অন্যান্য বইও না পৌঁছানোর কারণে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষকরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বইয়ের চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৫৮৮টি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাক প্রাথমিক অনুশীলন বই ও প্রাক প্রাথমিক গল্পের বই ৫ হাজার ৩৯০টি, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক সহায়ক বই, প্রাক প্রাথমিক স্বরবর্ণ চার্ট, ব্যঞ্জনবর্ণ চার্ট ও ফ্লিপচার্ট ২২৬টি এবং প্রাক প্রাথমিক ফ্লিপচার্ট ৯০৪টি বইয়ের জন্য চাহিদা দেয়া হয়।
আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১৪৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বইয়ের চাহিদা রয়েছে ২৩ হাজার ৬৪০টি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাক প্রাথমিক অনুশীলন ও গল্পের বই ১০ হাজার ২৮০টি ও প্রাথমিক শিক্ষক সহায়ক ৮৪০টি বই এখনও পাওয়া যায়নি।
দামুড়হুদা উপজেলায় ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হজার ৭০০ বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে প্রাক প্রাথমিক অনুশীলন ও গল্পের বই ৬ হাজার ২০০টি, শিক্ষক সহায়ক ৬৯০টি, প্রাক প্রাথমিক স্বরবর্ণ চার্ট, ব্যঞ্জনবর্ণ চার্ট ও ফ্লিপচার্ট ২৩০টি এবং প্রাক প্রাথমিক ফ্লিপচার্ট ৯২০টির চাহিদা রয়েছে।
এছাড়া জীবননগর উপজেলায় ৭২ সরকারি বিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৭১৮ বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এরমধ্যে প্রাক প্রাথমিক অনুশীলন ও গল্পের বই ৩ হাজার ৫৬৪টি, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষক সহায়ক ৪৭৭টি ও প্রাক প্রাথমিক স্বরবর্ণ চার্ট ১৫৯টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুন্নাহার বলেন, অভিভাবকরা প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য বইয়ের কথা জানতে চাইলে অভিভাবকদের শুধু আশ্বাস দিচ্ছি। কবে বই আসবে সঠিকভাবে বলতে পারছি না। বই না পেয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান জানান, প্রাক প্রাথমিকের বই শুধু চুয়াডাঙ্গা নয়, বাংলাদেশেই আসেনি। এজন্য কেউই বই পায়নি।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফ উল আলম জানান, প্রাক প্রাথমিকের পুরনো বই সংরক্ষণে আছে ওই বই দিয়ে চলছে। নতুন বই হয়তো তাড়াতাড়িই এসে পৌঁছাবে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 226 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ