জুতা পায়ে শহীদ মিনারে ১৪ দলের কর্মীরা!

Print
‘জুতা পায়ে বেদীতে ওঠা নিষেধ’- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রবেশমুখেই এমন নির্দেশনা রয়েছে। তারপরও নির্দেশনা অমান্য করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের নেতাকর্মীরা জুতা পায়ে শহীদ মিনারের বেদিতে উঠলেন।
‘বিএনপি-জামায়াত জোটের অব্যাহত গুপ্ত হত্যা, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য, জঙ্গীবাদী তৎপরতা এবং গণতন্ত্র, উন্নয়ন স্থিতিশীলতা ও দেশবিরোধী চক্রান্তের’ প্রতিবাদে রোববার বিকেলে ১৪ দলের গণসমাবেশ শুরু হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। গণ সমাবেশের মঞ্চ করা হয়েছে শহীদ মিনারের বেদিতে। আর দুপুর থেকেই জোটের কর্মীরা জুতা পায়ে বেদিতে উঠতে শুরু করেন।


১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে এই গণ-সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের মতো নেতারা।

সমাবেশে ইনু বলেন, একাত্তরের গণহত্যার দায়ে যদি নিজামীর ফাঁসির রায় হতে পারে, তাহলে মানুষ পোড়ানোর দায়ে খালেদা জিয়ার বিচার ও ফাঁসি দাবি করছি।

সমাবেশে ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া, তুমি দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য যে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছো তা সফল হবে না। তোমার কলঙ্ককে ঢাকতে চাও? সারাদেশের ১৪ দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আমি আহ্বান জানাই, আপনারা বিএনপি-জামাত জোটের গুপ্ত হত্যা, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ঠেকাতে পাড়ায় মহল্লায় প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

সমাবেশে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গী উত্থানের ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু জঙ্গী উত্থানের নাম করে এই খেলা বাংলাদেশে খেলতে দেওয়া হবে না।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিতে চক্রান্তে মেতে উঠেছেন খালেদা জিয়া। লেডি লাদেন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সমস্ত অপশক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আসুন তাদের প্রতিরোধ করি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, কমিউনিষ্ট কেন্দ্রর আহ্বায়ক ওয়াজেদুল ইসলাম খান, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

জুতা পায়ে ১৪ দলের নেতাকর্মীরা শহীদ মিনারে-বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন পরিবর্তনকে বলেন, ‘আমরা তো মঞ্চে ছিলাম, কেউ জুতা পায়ে উঠেছে কি না চোখে পড়েনি।’

‘পরিবর্তনের কাছে ছবি আছে’ প্রতিবেদক উল্লেখ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে নিউজ ছেড়ে দিন।’

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 94 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ