দেহব্যবসা ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে প্রধান শিক্ষিকা আটক

Print

ত্রিশালে ব্ল্যাকমেইল ও দেহ ব্যবসার অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাসহ ৬ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, উপজেলার বাদামিয়া পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা বেগম সুমি বেশ কিছুদিন যাবৎ পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ডের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। জানা যায়, জামালপুরের সানজিদা আফরিন শাওন ও একই এলাকার আবদুর রহিম লোভান মঙ্গলবার বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘোরি করেন। রাতে ত্রিশাল আসেন। পূর্ব পরিচিত থাকায় লোভান অতিথি হিসাবে শিক্ষিকা সুমির বাসায় যান। রাত ১টার দিকে খাওয়া দাওয়া শেষে শাওন ও লোভান ঘুমের প্রস্তুতি নেয়।

এসময় শিক্ষিকার ঘরে থাকা ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের মনিরুজ্জামান, একই এলাকার ওসমান গনি ও ময়মনসিংহ সদরের ইউসুফ আলী লোভানের কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শিক্ষিকার নির্দেশে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের উদ্দেশ্যে তারা লোভানের গলায় পাতিল ধরার বেড়ি দিয়ে গলায় চাপ দেয় ও অন্যরা দা নিয়ে লোভানের উপর দাঁড়িয়ে থাকে।

এসময় লোভান চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা তাদের সবাইকে দেহ ব্যবসা ও ব্ল্যাক মেইলিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে।

বুধবার সকাল ৮ টার দিকে পুলিশ তাদের সবাইকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে ওসি জানান।

তিনি আরও জানান, ওই স্কুল শিক্ষিকা শাওন ও লোভানকে ব্ল্যাক মেইল করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেই ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

ওদিকে শাওন ও লোভান স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিলেও শাওনের মা জানান, তাদের বিয়ে হয়নি। শাওন ময়মনসিংহ ও লোভান সিলেটে পড়াশোনা করে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 301 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ