দেহের ওজন বাড়ে কেন

Print

উন্নত দেশসমহে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি বিরাট চ্যালেঞ্জ ছুড়েঁ দিয়েছে জনগনের অতিরিক্ত দৈহিক ওজন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৬৯% অতিরিক্ত দৈহিক ওজনের সমস্যায় ভুগছে।
ইউরোপের দেশগুলোও পিছিয়ে নেই। জার্মানির মোট, প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার ৬৩% এবং ইংল্যান্ডের ৬১% অতিরিক্ত দৈহিক ওজনের অধিকারী।

আমাদের দেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোর তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করার সাথে সে দেশের জনগনের ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে লক্ষ্যনীয় হারে। বর্তমান বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হবে প্রথমেই তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে।
দৈহিক ওজন বৃদ্ধির মূল কারণ হলো শক্তি ও তার ব্যবহারের মধ্যে অসঙ্গতি। আমাদের গৃহীত প্রায় প্রতিটি খাবারেই শক্তি ক্যালরি হিসেবে থাকে। আমরা আমাদের পছন্দ সামর্থ ও অভ্যাস অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ করে থাকি। মানুষের বয়স, লিঙ্গ, ওজন আর দৈনন্দিন কাজের ওপর হার শরীরের ক্যালরির চাহিদা নির্ভর করে।
প্রকৃত পক্ষে কেউ যদি তার প্রত্যহিক চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালরি প্রতিদিন বা প্রায়শই খাবারের মাধ্যমে গ্রহন করে। তবে তার বাড়তি অংশ শরীরে মেদ হিসেবে জমতে থাকবে অর্থ্যাৎ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার খেলে শক্তি গ্রহণের তুলনায় যদি ক্যালরি খরচ কম হয় তাহলে দেহের ওজন বাড়তে থাকবে আমাদের দেহের ভিতরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করার জন্য প্রতি মিনিটে একটি নির্দিষ্ট পরিমান ক্যালরি ব্যবহার করে। আর আমরা আমাদের গৃহস্থলী কাজকর্ম থেকে শুরু করে রাস্তায় হাটাঁচলা, খেলা-ধূলা, ছুটাছুটি, কর্মক্ষেত্রের কাজকর্ম এবং কথা বলতেও ক্যালরি ব্যবহার করে থাকি। এ ক্যালরি গ্রহন ও ক্যালরি ব্যবহারের মধ্যে একটি ভারসাম্য থাকতে হবে।
প্রতিটি মানুষেরই তার সারা দিনের ক্যালরি চাহিদার কাছাকাছি পরিমান ক্যালরি খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে। বাড়ন্ত ছেলেমেয়ে ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়। এ ছাড়া সকলের জন্য চাহিদা হিসেবে খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস করাটা জরুরী। কারো কারো আবার খাদ্য উপাদান পরিবর্তনের বিশেষ দরকার হয়।
বেশি পরিমানে খাদ্য গ্রহণই যদিও দৈহিক ওজন বৃদ্ধির প্রধানতম কারণ। তবে খুব সামান্যসংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে জেনেটিক প্রভাব আছে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রেও উক্ত মানুষটি জেনেটিক প্রভাবে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করে থাকে। এতএব, এরা শতভাগ অতিরিক্ত দৈহিক ওজনধারী বেশি করে খাদ্য গ্রহণ অবদান রেখেছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 93 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ