দোকানঘর ভাড়া না দেয়ায় কেশবপুরে ৩ মহিলাকে পিটিয়ে গ্রামছাড়া

Print

জেলা প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাউশলা বাজারের একটি দোকান ঘর ভাড়া না দেয়ায় প্রতিপক্ষরা ৩ মহিলাকে পিটিয়ে আহত করে গ্রামছাড়া করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে শুক্রবার বিধবা হালিমা খাতুন ৩ জনকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাউশলা গ্রামের বৃদ্ধা রাবেয়া বেগম গত ৩/৪ মাস আগে বাউশলা বাজারে তার জমিতে ২টি দোকান ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী ভবানিপুর গ্রামের মোহর আলীর ছেলে মহিদুল ইসলাম ওই দোকান ভাড়া নিতে চাই। এতে বৃদ্ধা রাবেয়া বেগমের মেয়ে হালিমা খাতুন তার কাছে ভাড়া দিতে রাজি হয় না। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে গত ৮ আগস্ট সকালে বৃদ্ধা রাবেয়া বেগম তার দুই মেয়েকে সাথে নিয়ে ভ্যানযোগে কেশবপুর বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বাউশলা বাজারে পৌঁছলে মইদুল ইসলামের নের্তৃত্বে ৫/৬ জন যুবক লাঠিসোটা নিয়ে তাদেরকে ভ্যান থেকে নামিয়ে নিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে বৃদ্ধা রাবেয়া বেগম, হালিমা খাতুন ও আসমা খাতুন আহত হয়। এরপর মইদুল ওই দোকান ঘর দখল করে নেয় বলে অভিযোগ। এলাকাবাসি আহতদের উদ্ধার করে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

এ ঘটনায় হালিমা খাতুন বাদি হয়ে মহিদুল ইসলাম, জমির আলী ও খলিলুর রহমানকে আসামী করে থানা অভিযোগ দাখিল করেছে। বর্তমান পরিবারটি এলাকার সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে বেড়চ্ছে।

এ ব্যাপারে বাউশলা বাজার কমিটির সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন বলেন, হালিমা খাতুন মইদুলকে ৫ বছর মেয়াদে ডিট করে দিলেও তাকে ঘর বুঝে না দেয়ায় অবশেষে বাজার কমিটি সিদ্ধান্ত করে মইদুলকে ঘরের পজিশন বুঝে দিয়েছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 60 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ