দোহারে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক

Print

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার দোহারে হাত বাড়ালেই মাদক মিলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদকের ভয়াল থানায় স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থীরাও ঝরে পরছে বলে জানায় স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোহার উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভার মধ্যে মুকসুদপুর, নারিশা, সুতারপাড়া, জয়পাড়া ও কুসুমহাটি এই ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় ত্রিশটি গ্রামেই মাদকের আস্তানা। দিন বা রাতে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে গুলিস্তানের হকারদের মত বিক্রি করছে মাদক। এবং রাস্তার এক পাশে বসেই যুবকরা সেবন করছে মাদক। এই মাদকের ভয়াল থানায় স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থীরা ঝরে পরছে। মুকসুদপুরের বেঁথুয়া, মধুরখোলা, মৌড়া ও ধীৎপুর, নারিশার সাতভিটা, রুইথ্যা, পশ্চিমচর, মেঘুলা ও জালালপুর, সুতারপাড়ার নামাপাড়া, খালপাড়, জয়পাড়ার ভুতের গলি, রতন চত্বর, কলেজ রোড, নটাখোলা, কুসুমহাটির, মৈনট, কার্তিকপুর, বাংলাবাজার, নয়াবাড়ীর বাহ্রা, আন্তা বাহ্রা, শিলাকোঠাসহ ত্রিশটি গ্রামে যুবসমাজরা ঝুকে পরেছে মাদকের দিকে। এবং প্রতিটি এলাকাতে গড়ে উঠেছে মাদকের আস্তানা সেখানে বিক্রি ও বসে সেবন করছে শিক্ষার্থীরা। সাতভিটা এলাকার গৈজদ্দিন মোড়লের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী চোরা সাহাদাৎ (২৫) জানায়, দোহার থানার ওসিতো দুরের কথা এমপি মন্ত্রী দেখার সময় নেই, ওরা আমাদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক ভাতা নিচ্ছে। পদ্মা কলেজের শিক্ষার্থী রনবীর হোসেন (১৭) জানায়, বাবা সৌদি আরব থাকে তাই তাকে কল দিয়ে বলেছি আমার আগের ফোনটা হারিয়ে গেছে। বাবা বলেছে ৫ হাজার টাকা দামের একটা ফোন কিনে নিও তাই ফোনটা একহাজার টাকা বন্ধক রেখেছি। সাতভিটা এলাকার জব্বার, আনিস, রহিমসহ প্রায় বিশজন লোকে জানায়, আমারা দোহার থানায় মাদক বিক্রেতার নামে অভিযোগ করে বাড়ি ফিরার পথে সংবাদ পেলাম আমার ছেলেসহ আরো দুটি ছেলেকে পুলিশ আটক করেছে। পরে তিনজনকে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে রাখি। এরপর থেকে আর ওদের বিরুদ্ধে কেহ অভিযোগ করে বিপদ ডেকে আনতে চায়না।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 941 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি