বনানী ধর্ষণ ঘটনা নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি ….

Print

বনানী ধর্ষণ ঘটনা নিয়ে আমি কোন মন্তব্য এখনও করিনি শুধু বিভিন্ন জনের মন্তব্য পড়েছি , টক শো দেখেছি , প্রথম কয়দিন সব সংবাদ পড়ে যা ও মনে হয়েছিল হয়ত বা সত্যি ধর্ষণ হয়েছে কিন্তু ধর্ষিতা দাবী কারী মেয়েটির ভিডিও সাক্ষাৎকার দেখে আমার মতামত বদলাতে বাধ্য হই অর্থাৎ সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে । প্রশ্ন শোনে ভাব বেন না ধর্ষকের পক্ষে কথা হচ্ছে।ধর্ষন সামাজিক ভাবে অপরাধ ।

বনানী ধর্ষণ ঘটনা নিয়ে কিছু প্রশ্ন:

 হোলি আর্টিজান জঙ্গি হামলার পর থেকে কোনো আবাসিক হোটেলেই অস্র নিয়ে প্রবেশ করা যায়না । তাহলে অস্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ হলো কিভাবে ?

 দুটি মেয়ে বাসা থেকে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে বেরিয়ে গেলো , পরের দিন দুপুর পর্যন্ত তারা হোটেলে ছিল । যদি আটক অবস্থায়ই থাকে তাহলে ওনাদের বাবা – মা পরিবারের সদস্যরা কি একবার খোঁজ খবর নিয়েছেন ? থানায় গিয়েছিলেন ?

 ধর্ষণের মামলা হলো বনানী থানায় , আর জেগে উঠলো এনবিআর .. !!

 ধর্ষণের এর সাথে আপন জুয়েলার্স এর সম্পর্ক কি ?

 মেয়েটি তার জবানবন্দিতে বলেছে , তারা ঘটনার পর সমঝোতার চেষ্টা করেছে। যদি ধর্ষিতই হয়ে থাকে তাহলে কিসের সমঝোতা ?

 ওই মেয়েটির সাথে সাফাতের ছবি তথাকথিত ধর্ষণের ঘটনার পর …..

  তারা পূর্ব পরিচিত , বেশ কয়েকবার দেখা সাক্ষাত , খাওয়া দাওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে

  দাওয়াতে তারা ৪ জন গিয়েছে , তারমধ্যে একজন ডাক্তার , একজন ডাক্তার উনি মেয়ে গুলোর ক্লাস ফ্রেন্ড তো নন , অবশ্যই বেশ কয়েক বছরের সিনিয়র উনি , উনি কিভাবে এত কাছের বন্ধু হন মেয়েগুলোর ?

 অন্য আরেকজন মেয়ে ছিল তাকে তারা ধর্ষণ করেনি কেন ? তাকে কেন খাতির করা হোল ? তাকে কি পছন্দ হয় নাই ? এখন সে কোথায় ?

ধর্ষিতা দাবী কারী মেয়ে দুটোর বাবা মা কোথায় এবং তাদের পেশা কি ? তারা বনানী তে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তার খরচ কে বহন করে ?

এটা যে সাজানো খেলা এটার সব চেয়ে বড় প্রমান ৭০২ নং রুম সেটা স্যুট এবং সেই রুমের নিখুঁত বর্ণনা , তারা নিজেরাই বলেছে তাদের জোড় করেই রুমে নেওয়া হয়েছে এবং অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করেছে , ধর্ষণ কথা টি শুনলেই একটা মেয়ের মধ্যে ভীতি কাজ করে আর তারা তখন সেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি , এমন পরিস্থিতিতে কোন মেয়ের পক্ষে হোটেলের রুমের এত সুন্দর বর্ণনা কি দেওয়া সম্ভব ? তাও রাতের বেলায় যেসময় আলো আধারি থাকে , এটা সাইকলজিস্টরা ভাল বলতে পারবেন ।

 আরও অবাক করা বিষয় মেয়েগুলো ধর্ষক দের সাথে বেশ কয়েকবার দেন দরবারও করেছে , সেটাও তারাই বলেছে এটাও কিন্তু একজন ধর্ষিতা মেয়ে যে কিনা মানসিক শারীরিক সব দিক থেকেই ভঙ্গুর অবস্থানে থাকে তা তার পক্ষে এত সহজ করে সম্ভব কিনা তাও বিশেষজ্ঞ গণ ভাল ভাবে বলতে পারবেন ।

  সর্বোপরি শিক্ষিত মেয়ে খুব ভাল ভাবেই জানে যে ধর্ষণের পর ৪০দিন পার হয়ে গেলে কোন আলামত থাকেনা , এটা না জানার প্রশ্নই আসেনা , এমনকি ধর্ষণের পর গোসল করলেও আলামত নষ্ট হয়ে যায় । তাহলে এখানে সহজ প্রশ্ন আসে সেটা কি ধর্ষণ ছিল নাকি আধুনিক যুগের বন্ধুদের মাঝে সমঝতার মাধ্যমে মেলামেশা নাকি সুবিধা ভোগী হিসাবে মেলা মেশা ?

যাই হোক আমার মনে হয়েছে অনেক ফাঁক ফোঁকর আছে , বড় বড় আইনবিদ  অনেক ভাল বলতে পারবেন  ?

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 1417 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ