নির্বাচন হলেও নির্দিষ্ট হয়নি দায়িত্ব-ক্ষমতা

Print

জেলা পরিষদ নির্বাচন

জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পরিষদের দায়িত্ব, ক্ষমতা ও সম্পদের বিষয়াদি এখনো সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ভূমিকা কী হবে তাও স্পষ্ট নয়। আইনেও জেলা পরিষদের কাজের ধরণ কি হবে তা নিয়ে কোন নির্দেশনা নেই।

এসব অস্পষ্টতা দূর করে জেলা পরিষদকে কার্যকর স্থানীয় সরকার হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশ্লেষকেরা।

পার্বত্য তিন জেলা বাদে ৬১ টি জেলায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো জেলা পরিষদ নির্বাচন। সিটি করপোরেশনের মেয়র, পৌর মেয়র, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে ২১ সদস্যের জেলা পরিষদ নির্বাচিত হয়েছে।

এতে আছেন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য ও পাঁচজন সংরক্ষিত সদস্য। বৃটিশ ও পাকিস্তান শাসন আমলের জেলা বোর্ড, সময়ের সাথে সাথে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় জেলা পরিষদ নামে নতুন একটি স্থানীয় প্রশাসনিক স্তর সৃষ্টি করা হয়েছে। কিন্তু এটির ক্ষমতা ও কাজের পরিধি স্পষ্ট না হওয়ায় দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

২০০০ সালে জেলা জেলায় সরকার নামের বইয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জেলা পরিষদ গঠনের যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। এখন সেটি কিভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান হয়নি।

১৮৯৫ সাল থেকে নানা অবয়বে জেলা পরিষদ থাকলেও ১৯৫৯ সালের আইনে ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল নামকরণ করা হয়। ১৯৬৩ সালে হয় জেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন।

২০১১ সালে সরকার দেশের ৬১টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করে। অবশেষে গঠিত হলো নির্বাচিত জেলা পরিষদ।

 

 

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 201 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ