পটিয়ায় এসএসসি ফলাফলে শীর্ষে যারা

Print

পটিয়া উপজেলায় ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যহত রেখেছে। এবার উপজেলার ৪৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেখে ৬ হাজার ৪২৭ জন পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছ্যে ৫ হাজার ৮৪৯ জন। তদ্মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৭শিক্ষার্থী এবং পাসের হার ৯১ শতাংশ।
প্রাপ্ত ফলাফলে জানা গেছে, পটিয়া পৌর সদরের আবদুর রহমান সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন ১৯৬ জন পাস করে। এদের মধ্যে ৫৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ লাভ করে এবং ৯৯ শতাংশ পাস করে ফলাফলে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখে ২৪১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩৬ জন পাস করে এবং ৪২ জন জিপিএ- ৫ লাভ করে উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। এদের পাসের হার ৯৮শতাংশ।
তবে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে পটিয়া সদরের ঐতিহ্যবাহী আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়।এই বিদ্যালয়ে ২৮৪ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ২৭২জন এবং ১৬ জন জিপিএ-৫ লাভ করে, পাশের হার ৯৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এছাড়া উপজেলার কুসুমপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩০৯ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১৪জন, পাশের হার ৯০ শতাংশ। এস.এ.নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৭ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১০জন, পাশের হার ১০০ শতাংশ।  দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৯ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১০জন, পাশের হার ৯৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ। চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুল ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৮জন, পাশের হার ১০০ শতাংশ। খলিলুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬৪ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৮জন, পাশের হার ৮৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিরি খলিল মীর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭০ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯০ দশমিক ৯১ শতাংশ। নলিনীকান্ত মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৮ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৯৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। করল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৬৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। মনসা স্কুল এন্ড কলেজের ১০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০২ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯৮ দশমিক ০৮ শতাংশ। লাখেরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। মুজাফরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৮ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। কর্ত্তালা বেলখাইন মহোবোধি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৮ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ২জন, পাশের হার ৯০ শতাংশ। শোভনদন্ডী স্কুল এন্ড কলেজের ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৩ জন, পাশের হার ৯৬ শতাংশ। ছনহরা ষোড়শীবালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮২জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। মরিয়ম আশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৩জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৫জন, পাশের হার ৯৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। কাশিয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৯৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ইউনিয়ন কৃষি স্কুল এন্ড কলেজের ১৮০জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭৩ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৯৬ দশমিক ১১ শতাংশ। গৈড়লা কে,পি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮৪ দশমিক ১২ শতাংশ। চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬৭ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। মালিয়ারা মাহিরাহিখাইন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৭ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। পিংগলা বুধপুরা মফিজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৪ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮৩ শতাংশ। কালারপোল এইচ,ও,এম, উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬৯ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮২ দশমিক ৫২শতাংশ। ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজের ১৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২২ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৮৭ দশমিক ১২ শতাংশ। মুকুটনাইট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯৩ দশমিক ১৩ শতাংশ। ধাউরডেঙ্গা এস, সি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৪ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯৩ শতাংশ। এয়াকুবদন্ডী এইচ,পি,উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৩ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৩জন, পাশের হার ৯৫ শতাংশ। বাথুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৬ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৮৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। দক্ষিণ ভূর্ষি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪২ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৭৯ শতাংশ। জঙ্গলখাইন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫১ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৭জন, পাশের হার ১০০ শতাংশ। কেলিশহর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭০জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ৮জন, পাশের হার ৯৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৩ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৭৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। মুজাফরাবাদ এন,জে,উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭০ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৮৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। চরলক্ষ্যা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১৫ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৮৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। শাহ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৪ জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯০ শতাংশ। আলফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৬জন পাশ করেছে, পাশের হার ৯৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৪ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ১০০ শতাংশ। হাবিলাসদ্বপী বহুমুখী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ১জন, পাশের হার ৯২ শতাংশ। পিডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ২জন, পাশের হার ১০০ শতাংশ। রতনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ২জন, পাশের হার ৯০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আছিয়া মোতালেব নাছরিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৭ জন পাশ করেছে, জিপিএ-৫ লাভ করেছে ২জন, পাশের হার ৯০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
অন্যদিকে উপজেলার ২৪টি মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় ৭৯১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৭২১জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮জন এবং পাসের হার ৯১.৫ শতাংশ। এদের মধ্যে শাহচান্দ আউলিয়া কামিলা মাদ্রাসা থেকে ৬৩জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৬২জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০জন এবং পাসের হার ৯৮.৪১শতাংশ। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে শতাভাগ পাস করেছে তারা হলেন মনসা ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, হাইদগাঁও মোজাহেরুল ইসলাম সিনিয়র মাদ্রাসা, রশিদাবাদ মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা, কোলাগাঁও এটি দাখিল মাদ্রাসা ও নলান্দা বদরিয়া গাউছিয়া দাখিল মাদ্রাসা। ছাড়াও ৩টি ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১১৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১০০ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয় এবং ০৭জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়। পাসের হার ৮৮.৫০শতাংশ।
এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসেম জানান, ‘গতবারের চেয়ে এবারের ফলাফল  ভালো হয়েছে। পাসের হারও বেশি রয়েছে। আগামী পটিয়ার এসএসসি পরীক্ষর্থীদের আরো বেশী ফলাফল করার জন্য বিশেষ যতœ নেয়া হবে। পাশাপাশি গাইডলাইন দেয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান আরো উন্নত করা হবে। এছাড়া অভিভাবক মহলকে নিজেদের সন্তানদের পড়াশোনার অগ্রগতির ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 96 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ