‘ফেসবুক’ ফাঁদে পড়ে বিকৃত লালসার শিকার এক কিশোরী !

Print
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর এক অনবদ্য নাম ফেসবুক যা জীবনের এক অনন্য জায়গা দখল করে নিয়েছে । দুঃখ কষ্ট আনন্দ সহ সৃজনশীল অনেক কিছুই শেয়ার হচ্ছে ফেসবুকে । ইতিবাচক যেমন আছে নেতিবাচক দিক গুলো এড়িয়ে গেলে চলবে না । ইদানীং ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনাগুলো অহরহই হচ্ছে । অচেনা মানুষের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচিত হয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন অনেকে। তেমনই প্রতারণার শিকার হয়েছে এক কিশোরী। কিশোরীটিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে । প্রিন্স নামের ফেসবুক আইডিধারী সেই যুবক ।

কিশোরীর সাথে কথা বলে জানা যায় -ফেসবুকে পরিচয় এবং আলাপের সূত্র ধরে প্রিন্স নামের একটি ছেলে রোববার সকালে স্কুলের সামনে আসে। তারপর মেয়েটিকে মিরপুরের একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণের পর পালিয়ে যায়।

মেয়েটি কল্যাণপুরের একটি হাসপাতাল থেকে ফোন করলে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সোমবার তাকে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মেয়েটির ভাই জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে দুজনের ‘পরিচয়’ মাস ছয়েক আগে। তার ছোট বোন রোববার সকালে স্কুলে গিয়েছিল। দুপুরে হঠাৎ মেয়েটি তার বাবাকে ফোন করে অসুস্থতার কথা জানায়। পরে তারা মেয়েটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যান।

Capture

কিশোরীর ভাই জানান, বিষয়টি তারা মৌখিকভাবে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ এবং র‌্যাব-২ ও র‌্যাব-৪ এর কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। প্রিন্সের মোবাইল নম্বর দিয়েছেন, ফেসবুকের আইডির বিষয়েও জানিয়েছেন তাদের। ছেলেটির বিস্তারিত পরিচয় তার বোন দিতে পারেনি বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খোঁজ নিয়েছি। ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রিন্স নামে এক যুবক মেয়েটিকে মিরপুরে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে শুনেছি। কিশোরী মেয়েটির বাসা আমার থানা এলাকায় হলেও ধর্ষণের ঘটনা মিরপুর এলাকায় ঘটেছে। একারণে মিরপুর থানায় মামলা হবে। তবে মিরপুর মডেল থানায় খোঁজ নিয়ে এ ধরনের কোনও মামলা হয়নি বলে জানা

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 111 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ