বাংলাদেশের মেয়েদের যৌন দাসী করা,বিয়ে করে বৌ করা যাবে না, সৌদি সরকার

Print
আল্লার দেশ সৌদি আরব। আল্লা স্বয়ং এই দেশে কাবা নামক ফ্ল্যাটে অবস্থান করছেন। তাইতো এই দেশ সকল মুসলিম জাহানের জন্য অতি পবিত্র। শুধুমাত্র এক পলক আল্লাকে দেখার জন্য প্রতি বছর লাখ লাখ মুছল্লী লাখ লাখ টাকা খরচ করে এদেশে আসেন। কিন্তু নিষ্ঠুর আল্লা কাউকেই দেখা দেন না পিছে না তার ডিমান্ড কমে যাই এই ভয়ে।

কিন্তু আল্লার বান্দা গুলো নাছোড় বান্দা। তারা আল্লাকে দেখবেই। তাইতো কাবা ফ্লাট ঘুরে ঘুরে ফাক ফোকর খোঁজার চেস্টা করে। ঘুরতে ঘুরতে কত লোক যে নিজের পায়ের নিচে পদদলিত করে আরেকজনকে হত্যা করে তার হিসেব থাকে না।

মুমিন বান্দাদের এই পেরেশানিতে আল্লাকেও সারাক্ষন ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। কি জানি কখন না কোন বাংলাদেশী মিস্কিন এসে আল্লা কে অপবিত্র করে ফেলে। তাইতো হাজার হাজার সিকিউরিটি গার্ড কাবা ফ্ল্যাটের চারিদিকে পাহারায় থাকে। পাহারা যাতে নিখুঁত হয় তার জন্য ইহুদি নাসারাদের থেকে এ কে ৪৭ কিংবা মিগ্ ২৯ এর মতো বোমারু বিমান এনেও রাখা হয়েছে।একটা জিনিস ভেবে পাই না ।বাংলাদেশের মুমিনদের মতো আল্লা আল্লা করে শব্দ দূষণ করা পাবলিক আর কোনো দেশে আছে কিনা তা আমার জানা নেই।তবুও আল্লা কেন যে এদের প্রতি এতো বিতৃষ্না বুঝিনা।

সম্প্রতি সৌদি আরবের পুরুষদের বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চাদ ও মিয়ানমারের প্রবাসী নারীদের বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়েছে। মক্কা পুলিশের পরিচালক মেজর জেনারেল আসাফ আল কোরাইশির বরাত দিয়ে দেশটির মক্কা ডেইলির এক খবরে মঙ্গলবার এ কথা বলা হয়েছে।

বেসরকারি পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, এই চারটি দেশের প্রায় পাঁচ লাখ নারী বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাস করছেন।এদেশের নারী পুরুষরা অচ্ছুৎ ,ফকির ,মিস্কিন। এরা সৌদি সমাজের যোগ্য নয়। সে জন্যই এসকল দেশের মেয়েদের বিয়ে করা থেকে বিরত রাখতেই সরকারের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।তবে এদেশের মেয়েদের গৃহ কর্মী বা যৌন দাসী করতে কোনো বাধা নেই।

ঘটনাটি জেনে আমার একটি গল্প মনে পড়ে গেলো।রহিম বাদশা ধনাঢ্য বেক্তি।তার বাড়ির পাশেই একটি সুইপার পরিবারের বাস।কিন্তু মুশকিলটা হলো বেটা সুইপারের বৌটা একেবারে নাটোরের কাঁচা গোল্লা ।দেখলে মাথা ঠিক রাখা দায় ।যা হবার তাই হলো।বাদশা সাহেব বড়শিতে টপ দিয়ে সিপি ফেললেন।যথারীতি সুইপারের বৌ টপ গিলে রহিম বাদশার কাছে ধরা দিল।

প্রথম রাত। অনেক দিনের উত্তেজনার বিস্ফোরণ হবে।সুইপারের বৌয়ের মনেও কত রকমের কল্পনা।কিন্তু বেটা রহিম বাদশা এ কি করছে !নারী ও পুরুষের মিলনের সব থেকে উত্তেজনকার মুহূর্ত হলো একে অপরের ঠোঁটে ঠোঁটে লেহন।কিন্তু রাহিম বাদশা ঠোঁট তো দূরের কথা মুখের কাছেও মুখ নিচ্ছে না ।বাধ্য হয়ে সুইপারের বউই মুখটাকে রহিম বাদশার মুখের দিকে নিয়ে গেলো ।কিন্তু রহিম বাদশা মুখটা সরিয়ে নিয়ে বললো তোরা সুইপার না তোদের ঠোঁটে কি চুমু খাওয়া যাই।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 248 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ