বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারের বস্তুনিষ্ট সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের

Print

মোঃরাসেল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধি:বাগআঁচড়া বাগুড়ী বেলতলা আম এখন বিষের বাজার।এ সংক্রান্ত বস্তুনিষ্ট সংবাদ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও কোন ব্যবস্থা নেইনি প্রসাশন। ব্যাবসায়ীদের পোয়াবারো।

ভারত থেকে চোরাই পথে আসা রাইস মিথানল, কারবাইট সালফেট, ফরমালিন মিশ্রিত করে প্রকাশ্যে চলছে হরহামেশা আমে স্প্রে  । এত কিছুর পরও প্রসাশনের কোন মাথা ব্যাথা নেই। দাপটের সাথেই রয়েছেন আম বাজার সিন্ডিকেট হোতা শাহাজান আলী। বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশের পর মুখ খুলতে শুরু করেছে আম চাষীরা।

সিন্ডিকেট প্রধান শাহাজান আম চাষীদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আদয় করে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে থামিয়ে রেখেছেন। আর বাকী অর্থ ভরছে নিজের পকেটে। এসব কেমিক্যাল মিশ্রিত আম বাগুড়ী বাজার থেকে দেশের বড় বড় শহরে পাঠানো হচ্ছে।

সূত্র জানায় বাগআঁচড়া বাগুড়ী বেলতলা আম বাজারে নিবন্ধন কৃত ব্যবসায়ী ৫২ জন। এদের কে  এ, বি, সি ৩ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করছেন ধূর্ত আম বাজার সিন্ডিকেটের হোতা শাহাজান আলী, এ ক্যাটাগরির ৫ হাজার, বি ক্যাটাগরি ২ হাজার ও সি ক্যাটাগরি ১ হাজার ৫ শত টাকা হারে প্রতি সপ্তায় চাঁদা আদায় করছে। এছাড়াও অনিবন্ধন কৃত ১৫০ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একই ভাবে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হচ্ছে। কেবল মাত্র তারা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারে এ জন্য ব্যবসায়ীরা দু-হাতে টাকা দিয়ে আসছে সিন্ডিকেট প্রধানের হাতে। এতে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে আম চাষীরা। তাদের কাছ থেকে  আড়ৎদাররা খাজনা, কমিশন ও মসজিদ, মাদ্রাসা সহ নানা খাত বাবদ শতকরা ১০ টাকা হারে কেটে নেয়। ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫ শত টাকা দরে প্রতি মণ আম বিক্রি হলে আম চাষীদের কাছ থেকে ২ শত- ২শত ৫০ টাকা করে ক্রয় করা হচ্ছে। এ বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার মণ আম বেচাকেনা হচ্ছে।লেনদেন হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। যা থেকে প্রতিদিন সিন্ডিকেটের আদায় হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
সরকারী বিধিতে এই হাট উল্লেখ যোগ্য  হাট না হলে বহাল তবিয়তে চলছে ইচ্ছামত খাজনা আঁদায় করছে শাহাজান সিন্ডিকেট।যা দেখার কেউ নেই।
উল্লেখ্য বাগআঁচড়া বাগুড়ী গ্রামের অসাধু আম ব্যবসায়ী শাহাজান আলীর নেতৃত্বেই  গড়ে উঠছে এই বিষাক্ত সিন্ডিকেট। আমের রং তৈরী, না পচার জন্য এবং দ্রুত পাকার জন্য প্রতিদিন শত শত মণ আমে স্প্রে মিশানো হচ্ছে ভারত থেকে চোরাই পথে আসা রাইস মিথানল, কারবাইট সালফেট ও ফরমালিন জাতিয় কেমিক্যাল।এখান থেকে যত আাম দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছে,তা অধিকাংশই নানা কেমিক্যাল  মিশ্রিত।
জন স্বাস্থ্য উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
বিষয়ট সরজমিন তদন্তপূর্বক আশু জরুরী কার্যকারী ব্যাবস্হা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানিয়ছেন সচেতনমহল।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 278 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ