বেনাপোলে নির্দোষ ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে বিজিবি’র মিথ্যা মামলা

Print


মোঃ রাসেল ইসলাম,জেলা প্রতিনিধি: বেনাপোল থানাধীন ছোটআঁচড়া গ্রামের মস্তিস্ক বিকৃত ইমারত শ্রমিক আব্দুল গফফার ও এলাকার নিরীহ দুই মহিলা আলেয়া(৬০) এবং তার বোনের মেয়ে খাদিজা(২৫)কে জেলে পাঠিয়েছেন ৪৯,ব্যাটেলিয়ন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)’র বেনাপোল সদর ক্যাম্প কমান্ডার।

উল্লেখ্য গত ৫/১/১৮ইং তারিখ বেনাপোল সদর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদ পেয়ে রাত ১০ টার দিকে ছোটআঁচড়া পুর্বপাড়ায় অভিযান চালায়,বিজিবি’র কাছে তথ্য ছিল চোরাচালানীরা ভারতীয় মালামাল নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নির্ধারিত স্থানে পাঠানোর লক্ষ্যে ঐ গ্রামে অস্থান নিচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সেখানে পৌছালে এবং এক পর্যায়ে চোরাচালানীদের সাথে বিজিবি সদস্যদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে।

৪৯ ব্যাটেলিয়ন বিজিবি’র বেনাপোল ক্যাম্প কমান্ডার শহিদুল ইসলাম শহিদ পরের দিন পত্র-পত্রিকায় বলেছেন, চোরাচালানীরা সর্বপ্রথম বিজিবি’র সদস্যদের উপর ইট পাটকেল এবং টর্চ লাইটের আলো চোখে মারতে থাকে,চোরাচালানীদের বিজিবি’র উপর অতর্কিত হামলার পাল্টা হিসেবে বিজিবি সদস্যরা কয়েক রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। তিনি আরও বলেছেন কিছু সময় সংঘর্ষের পর সংঘবদ্ধ ঐ চোরাচালানী চত্রের অধিকাংশ সদস্য মালামাল ফেলে পালিয়ে গেলেও আব্দুল গফফার ও দুই মহিলা চোরাচালানীকে গ্রেফতার এবং মালামাল গুলো জব্দ করতে সক্ষম হয়।

এদিকে ঘটনার পর থেকে ছোট আঁচড়া গ্রামবাসী আব্দুল গফফার,খাদিজা এবং আলেয়াকে সম্পুর্ন নির্দোষ বলে দাবী জানিয়ে আসছেন, এ বিষয়ে তারা সাংবাদিকদের দ্বারস্ত হন। বিষয়টি সত্য-মিথ্যা জানতে বেনাপোলের স্থানীয় কিছু সাংবাদিক বুধবার(১০/১/১৮ ইং) তারিখ বিকালের দিকে ঐ এলাকায় যান,আটক গফফারের পিতা-মাতা এবং এলাকার মানুষ ভিডিও সাক্ষাতের মাধ্যমে তারা বিজিবি’র বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন যে,গফফার,খাদিজা এবং আলেয়ার নিকট কোন প্রকার ভারতীয় মালামাল ছিল না,গ্রামবাসীরা বলেন,ইমারত শ্রমিক আব্দুল গফফার কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন পতিমধ্যে বিজিবি তার গতিপথ রোধ করে তাকে আটক করে নির্যাতন করতে থাকে। এসময় ভুক্তভুগী খাদিজা ও আলেয়া গফফারকে নির্যাতনের বিষয়ে বিজিবি’র কাছে জানতে চাইলে তাদেরকেও আটক করে নির্যাতন করা হয়। পরে তিন জনকে একসঙ্গে বিজিবি আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বলে এলাকার মানুষ সাংবাদিদের জানায়। বিজিবি’র এধরনের কর্মকান্ডে এলাকা বাসী ক্ষুদ্ধ,ইমারত শ্রমিক আব্দুল গফফারের অসহায় গরীব পিতা-মাতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট তার ছেলের নিঃস্বর্থ মুক্তি দাবী করেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 75 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ