ব্যাংকের ব্লাঙ্ক চেক ও ভাড়াটে স্বাক্ষী নিয়ে ঝালকাঠির উর্ধতন মহলে ছুটাছুটি ও তদবীর

Print


আজমীর হোসেন তালুকদার, ঝালকাঠি ঝালকাঠির রাজাপুর থানার ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা ও এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নেয়ার পর ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস, এসআই নজরুল ও এএসআই সঞ্জিবন বালাসহ ৩কর্মকর্তা সঙ্গে নিয়ে তদবীরের লক্ষে ঝালকাঠির উর্ধতন মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। রবি-সোম দুদিন ঐচ্ছিক ছুটি গিয়ে দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতা, আইনের অপব্যবহার ও নির্যাতনের ঘটনাকে আড়াঁল করতে ওসি মুনীর দুদক এর পরিচালক ও ঝালকাঠি পুলিশের উর্ধতন এক কর্মকর্তার কাছে ‘ব্যাংকের ব্লাঙ্ক চেক নিয়ে’ ছুটাছুটি করছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, রাজাপুরের নির্যাতিন কলেজ ছাত্র মোহাম্মদ ইমরান হোসেন আদানান বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়েরের পর গত সোমবার কুখ্যাত ওসি মুনির ‘পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষার ধূয়া তুলে’ নিজেকে রক্ষার কৌশল ব্যবহার করেছে। সেই কৌশলের অংশ হিসাবে সে ঝালকাঠি পুলিশ বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহারের সর্বধরনের প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সোম বার সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এই ওসি সহ ৩ আসামীর সাথে রাজাপুরের এসআই কালাম, ৩ ভারাটে সাংবাদিকসহ কয়েক নাজনৈতিক নেতা ও রাজাপুরের কয়েকজন জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে উর্ধতন এক কর্মকর্তার কার্যালয়ে কয়েক ঘন্টা ব্যাপী গোপন বৈঠক করেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
অনুসন্ধান কালে জানাগেছে, ক্রশফায়ারের হুমকি দিয়ে ৫ লাখ টাকা উৎকোচ দাবীর অভিযোগে বরিবার জেলা জজ আদালাতে নালিশী ও সোমবার মিথ্যা চুরির মামলায় স্বীকারোক্তি আদায়ে পুলিশ হেফাজতে শারিরিক নির্যাতনের দায়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এমপি মামলা (নং-‘১৮/১৭) দায়ের পর রাজাপুর উপজেলার বেশ কয়েকজন নির্যাতিত ও হয়রানির শিকার মুখ খুলতে শুরু করেছে। রাজাপুর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াসসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা ও এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের বিষয় সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করলে অনেকেই আদালতে আশ্রয় নেয়ার কথা জানিয়েছে। তারা এতোদিন পোষাকের আড়াঁলে পুলিশের মানবাধিকার লংঘন ও নির্যাতনের ঘটনায় বুকের গহীনে চেপে রাখলেও এবার ওসি মুনীর উল গীয়াসকে আদালতের কাঠগড়ায় নেয়ার ঘটনায় আন্তরিক শ্বস্থি প্রকাশ করেছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টারের একটি নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াসের কর্মকান্ডে দেশপ্রেমিক পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্টের নগ্ন চিত্র হাতে পেয়ে ক্ষুদ্বু প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার বিরুদ্ধে টক্কনাথ চক্রের সাথে আতাঁত ও বানিজ্য, মুক্তিযোদ্ধার খুনীদের সাথে ৬লাখ টাকার বিনিময়ে অতাঁত, কলেজ ছাত্র নির্যাতন, স্কুলছাত্র পদপৃষ্ঠসহ স্কুলছাত্রী অপহরনকারীদের সাথে উৎকোচ-বানিজ্য, বরিশাল ও ঝালকাঠির দুইজন সহ একাধিক সাংবাদিককে হয়রানি-নির্যাতন সহ বহু অভিযোগ পুলিশ প্রধানের কার্যালয়ে মৌজুত হয়েছে। তাই এক সময় যশোরের নিষিদ্ধ ঘোষিত পার্টির সদস্য তথা বিএনপির ওয়ার্ড কমিশনার মাফিয়া ডন নুরনবীর দেহরক্ষী ওসি মুনীর যে কোন মূল্যে দায় এড়ানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 109 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ