মহিলাদের নামাজের নিয়ম (হানাফি মাজহাব অনুসারে)

Print

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম)
༺★মহিলাদের নামাযের পার্থক্য★༻
༺★༻༺★༻༺★༻
১. তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠানো।
(তাবারানী কাবীর ২২ : ১৯)

২. হাত কাপড়ের ভিতর হতে বের না করা।
(তিরমিযী, হাঃ নং ১১৭৩)

৩. হাত বুকের উপর রাখা।
(শামী, ১ : ৪৮৭)

৪. আঙ্গুলসমূহ মিলিয়ে ডান হাতের তালু বাম হাতের পিঠের উপর স্বাভাবিকভাবে রাখা। পুরুষদের মত বাম হাতের কব্জি না ধরা।
(ফাতাওয়া রাহীমিয়া, ৭ : ২২২)

৫. রুকুতে পুরুষদের তুলনায় কম ঝুঁকা।
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাঃ নং ৫০৬৯)

৬. রুকুতে উভয় বাহু পাঁজরের সঙ্গে পরিপূর্ণ মিলিয়ে রাখা।
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাঃ নং ৫০৬৯)

৭. রুকুতে উভয় হাত হাঁটুর উপর স্বাভাবিক রাখা এবং হাতের আঙ্গুলসমূহ মিলিয়ে রাখা। পুরুষদের ন্যায় আঙ্গুল ছড়িয়ে হাঁটু না ধরা।
(ত্বাহত্বাবী, ২১৫)

৮. রুকুতে উভয় পায়ের গোড়ালী পরিপূর্ণ মিলিয়ে রাখা।
(শামী, ১ঃ ৫০৪)

৯. অত্যন্ত জড়সড় ও সংকুচিত হয়ে সিজদা করা।
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাঃ নং ৫০৬৯)

১০. সিজদায় পুরুষদের ন্যায় কনুইদ্বয় খোলা ও ছড়িয়ে না রাখা।
(মারাসীলে আবী দাউদ, হাঃ নং ৮৭)

১১. উভয় রানের সঙ্গে পেট মিলিয়ে রাখা।
(মারাসীলে আবী দাউদ, হাঃ নং ৮৭)

১২. বাহুদ্বয় সাধ্যানুযায়ী পাঁজরের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা।
(মারাসীলে আবী দাউদ, হাঃ নং ৮৭)

১৩. উভয় কনুই সাধ্যমত মাটিতে মিলিয়ে রাখা।
(মারাসীলে আবী দাউদ, হাঃ নং ৮৭)

১৪. সিজদায় উভয় পা খাড়া না রাখা, বরং ডান দিক দিয়ে উভয় পা বের করে মাটিতে বিছিয়ে রাখা এবং উভয় পায়ের আঙ্গুলসমূহ যথাসম্ভব কিবলামুখী করে রাখা।
(মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাঃ নং ২৭৮১, ২৭৯২)

১৫. বৈঠকের সময় বাম নিতম্বের উপর বসা।
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, ৩ : ১৩৯)

১৬. এবং উভয় পা ডান দিকে দিয়ে বের করে কিবলামুখী করে মাটিতে বিছিয়ে রাখা।
(আল ইস্তিযকার, ১ঃ ৪৮০)

১৭. বৈঠকের সময় হাতের আঙ্গুলসমূহ মিলিয়ে হাঁটু বরাবর রাখা।
(মুসানাফে ইবনে আবী শাইবা, হাঃ নং ২৭৮৫)
বি.দ্র. দাঁড়ানো অবস্থায় মহিলাদের উভয় পা মিলিয়ে রাখার স্পষ্ট কোন প্রমাণ না থাকায় হযরত থানবী (রহ.) দু’পায়ের মাঝে পুরুষদের ন্যায় চার আঙ্গুল ফাঁক রাখার ফতওয়া দিয়েছেন।
(ইমদাদুল ফাতাওয়া, ১ : ২২২)

কিতাবঃ নবীজীর সুন্নাত
লেখক : মুফতী মনসূরুল হক (দা. বা.)
সূত্র : দরসে মনসূর (ওয়েব)

( http://darsemansoor.org/ )

নারী পুরুষের নামায এক, না ভিন্ন ?
***********************************
নারী পুরুষের নামায আদায়ের পদ্ধতি কখনই এক নয়। নিশ্চয়ই কিছু পার্থক্য রয়েছে। এর অনেক প্রমাণই আছে। আমি শুধু বুখারী শরীফ থেকে একটি প্রমাণ পেশ করবো।হাদীস নং ৬০৩।এটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নাম্বার।হাদীসটির একটি
অংশকে অন্য অংশ থেকে পৃথক করে ফেলছে।

পৃথককৃত অংশটি হলঃ
অর্থ:তোমরা আমাকে যেভাবে নামায আদায়
করতে দেখেছ সেভাবে সালাত আদায় করবে।”তারা এটি দিয়ে দলীল দিয়ে বলে নারী-পুরুষেরনামায এক ও অভিন্ন।কিন্তু এর পরের অংশঃ
অর্থ:”আর যখন নামাযের সময় হবে তখন যেন তোমাদের একজন আযান দেয় এবং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বয়সে বড় সে যেন তোমাদের ইমামতি করে।”

পরবর্তী দু অংশেও আগের মতই নারী-পুরুষ পার্থক্য না করে হুকুম করা হয়েছে।অথচ তারা আগের অংশকে পরের অংশের মাঝে বিভেদ ও পার্থক্য সৃষ্টি করে বলে নারী-পুরুষের নামাযের পদ্ধতি অভিন্ন।আর দ্বিতীয় অংশের ক্ষেত্রে বলে নারীরা আযান দিতে ও ইমামতি করতে পারবেনা।এটি কি হাদীসের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি
নয়??
##পুরুষ মহিলার নামাজের পার্থক্য–

#হাদীস ১:
ﻗﺎﻝ ﺍﻻﻣﺎﻡ ﺍﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﻓﻲ ﻛﺘﺎﺑﻪ ﺍﻟﻤﺮﺍﺳﻴﻞ ﻟﻪ . ﻭﻫﻮ ﺟﺰﺀ ﻣﻦ ﺳﻨﻨﻪ . ﺍﻧﺒﺄ ﺍﺑﻦ ﻭﻫﺐ . ﺍﻧﺒﺄ ﺣﻴﻮﺓ ﺑﻦ ﺷﺮﻳﺢ . ﻋﻦ ﺳﺎﻟﻢ ﺑﻦ ﻏﻴﻼﻥ . ﻋﻦ ﻳﺰﻳﺪ ﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺣﺒﻴﺐ ﺍﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﺮ ﻋﻠﻰ ﺍﻣﺮﺃﺗﻴﻦ ﺗﺼﻠﻴﺎﻥ . ﻓﻘﺎﻝ ﺍﺫﺍ ﺳﺠﺪﺗﻤﺎ ﻓﻀﻤﺎ ﺑﻌﺾ ﺍﻟﻠﺤﻢ ﺍﻟﻰ ﺍﻻﺭﺽ .ﻓﺎﻥ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻟﻴﺴﺖ ﻓﻲ ﺫﻟﻚ ﻛﺎﻟﺮﺟﻞ . ‏(ﺳﻜﺖ ﻋﻨﻪ ﺍﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﻓﻬﻮ ﻋﻨﺪﻩ ﺻﺎﻟﺢ . ﻭﻫﻮ ﻣﺮﺳﻞ ﺟﻴﺪ .ﻋﻀﺪﻩ ﻣﺎ ﻓﻲ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺒﺎﺏ ﻣﻦ ﻣﻮﺻﻮﻝ ﻭﺁﺛﺎﺭ ﻭﺍﺟﻤﺎﻉ ﻭﺻﺮﺡ ﺍﻟﺸﻴﺦ ﻧﺎﺻﺮ ﺍﻟﺪﻳﻦ ﺍﻟﺒﺎﻧﻰ ﻓﻲ ﺳﻠﺴﻠﺔ ﺍﻻﺣﺎﺩﻳﺚ ﺍﻟﻀﻌﻴﻔﺔ ﺍﻧﻪ ﻻ ﻋﻠﺔ ﻓﻴﻪ ﺳﻮﻯ ﺍﻻﺭﺳﺎﻝ)
তাবেয়ী ইয়াযীদ ইবনে আবী হাবীব রহঃ বলেন,একবার রাসূল সাঃ নামাযরত দুই মহিলার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন।তখন তাদের বললেন,যখন সিজদা করবে তখন শরীর যমীনের সাথে মিলিয়ে দিবেবে।কেননা মহিলারা এক্ষেত্রে পুরুষদের মত নয়। (কিতাবুল মারাসীল,ইমাম আবু দাউদ ৫৫,হাদীস ৮০)। প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস নওয়া সিদ্দীক হাসান খান বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ “আওনুল বারী” (১/৫২০)তে লিখেছেন, উল্লিখিত হাদীসটি
সকল ইমামের উসূল অনুযায়ী দলীল হিসেবে পেশ করার যোগ্য। মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আমীর ইয়ামানী ‘সুবুলুস সালাম শরহু বুলুগিল মারাম’ গ্রন্থে (১/৩৫১,৩৫২) এই হাদীসকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করে পুরুষ ও মহিলার সিজদার পার্থক্য
বর্ণনা করেছেন।
#হাদীস ২:
ﻗﺎﻝ ﺍﻟﻄﺒﺮﺍﻧﻲ : ﺣﺪﺛﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺤﻀﺮﻣﻲ .ﻗﺎﻝ : ﺣﺪﺙﺗﻨﻲ ﻣﻴﻤﻮﻧﺔ ﺑﻨﺖ ﺣﺠﺮ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ
ﺍﻟﺠﺒﺎﺭ ﺑﻦ ﻭﺍﺋﻞ ﺑﻦ ﺣﺠﺮ . ﻋﻦ ﺍﺑﻴﻬﺎ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺠﺒﺎﺭ . ﻋﻦ ﻋﻠﻘﻤﺔ ﻋﻤﻬﺎ . ﻋﻦ ﻭﺍﺋﻞ ﺑﻦ ﺣﺠﺮ .ﻗﺎﻝ : ﺟﺌﺖ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻘﺎﻝ :ﻓﺴﺎﻕ ﺍﻟﺤﺪﻳﺚ .ﻭﻓﻴﻪ :ﻳﺎ ﻭﺍﺋﻞ ﺑﻦ ﺣﺠﺮ !ﺍﺫﺍ
ﺻﻠﻴﺖ ﻓﺎﺟﻌﻞ ﻳﺪﻳﻚ ﺣﺬﺍﺀ ﺍﺫﻧﻴﻚ .ﻭﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺗﺠﻌﻞ ﻳﺪﻫﺎ ﺣﺬﺍﺀ ﺛﺪﻳﻴﻬﺎ . ‏(ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﻄﺒﺮﺍﻧﻲ ﻓﻲ ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ
. ﺝ٢٢ﺹ١٩- ٢٠ .ﻗﺎﻝ ﺍﻟﻬﻴﺜﻤﻲ ﻓﻲ ﻣﺠﻤﻊ ﺍﻟﺰﻭﺍﺋﺪ ﺝ٢ﺹ٢٧٢ : ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﻄﺒﺮﺍﻧﻲ ﻓﻲ ﺣﺪﻳﺚ ﻃﻮﻳﻞ ﻓﻲ ﻣﻨﺎﻗﺐ ﻭﺍﺋﻞ ﻣﻦ ﻃﺮﻳﻖ ﻣﻴﻤﻮﻧﺔ ﺑﻨﺖ ﺣﺠﺮ . ﻋﻦ ﻋﻤﺘﻬﺎ ﺍﻡ ﻳﺤﻴﻰ ﺑﻨﺖ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺠﺒﺎﺭ .ﻭﻟﻢ ﺍﻋﺮﻓﻬﺎ . ﻭﺑﻘﻴﺔ ﺭﺟﺎﻟﻪ ﺛﻘﺎﺕ . ﻗﺎﻝ ﺍﻟﺮﺍﻗﻢ : ﻭﻓﻲ ﺍﻻﺳﻨﺎﺩ ﺗﻌﺮﻳﻒ ﻛﺎﺷﻒ ﻋﻦ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ . ﻭﻫﻲ ﻣﻦ ﺍﺗﺒﺎﻉ ﺍﻟﺘﺎﺑﻌﻴﻦ ﺍﻥ ﻟﻢ ﺗﻜﻦ ﺗﺎﺑﻌﻴﺔ . ﻭﺍﻟﻤﺴﺘﻮﺭ ﻣﻦ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻄﺒﻘﺔ ﻣﺤﺘﺞ ﺑﻪ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺼﺤﻴﺢ . ﻻ ﺳﻴﻤﺎ ﻭﻟﺤﺪﻳﺜﻬﺎ ﻫﺬﺍ
ﺷﻮﺍﻫﺪ ﻣﻦ ﺍﻻﺻﻮﻝ ﻭﺍﻵﺛﺎﺭ )
হযরত ওয়াইল ইবনে হুজর রাঃ বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে হাজির হলাম,তখন তিনি আমাকে (অনেক কথার সাথে একথাও)বললেন,হে ওয়াইল ইবনে হুজর!যখন তুমি নামাজ শুরু করবে তখন কান
বরাবর হাত উঠাবে।আর মহিলা হাত উঠাবে বুক বরাবর। (আল মু’জামুল কাবীর, তাবারানী ২২/২৭২) এই হাদীসটিও হাসান।
#পুরুষ মহিলার নামাজের পার্থক্য–

#আছারে সাহাবা ১:
ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﺍﺳﺤﺎﻕ ﻋﻦ ﺍﻟﺤﺎﺭﺙ ﻋﻦ ﻋﻠﻲ .ﻗﺎﻝ : ﺍﺫﺍ ﺳﺠﺪﺕ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻓﻠﺘﺤﺘﻔﺰ ﻭﻟﺘﻠﺼﻖ ﻓﺨﺬﻳﻬﺎ ﺑﺒﻄﻨﻬﺎ .
‏( ﺭﻭﺍﻩ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺯﺍﻕ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ . ﻭﺍﻟﻠﻔﻆ ﻟﻪ . ﻭﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ ﻓﻲ ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ ﺍﻳﻀﺎ . ﻭﺍﺳﻨﺎﺩﻩ ﺟﻴﺪ .ﻭﺍﻟﺼﻮﺍﺏ ﻓﻲ ﺍﻟﺤﺎﺭﺙ ﻫﻮ ﺍﻟﺘﻮﺛﻴﻖ)
হযরত আলী রাঃ বলেছেন,মহিলা যখন সিজদা করবে তখন সে যেন খুব জড়সড় হয়ে
সিজদা করে এবং উভয় উরু পেটের সাথে মিলিয়ে রাখে। (আল মুসান্নাফ,আব্দুর রাযযাক ৩/ ১৩৮,অনুচ্ছেদ:মহিলার তাকবীর,কিয়াম,রুকু ও সিজদা;আল মুসান্নাফ,ইবনে আবী শায়বা ২/৩০৮;সুনানে কুবরা,বায়হাকী ২/২২২)
#আছারে সাহাবা:২
ﺣﺪﺛﻨﺎ ﺍﺑﻮ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﻤﻘﺮﺉ . ﻋﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ( ﺍﺑﻲ ‏)ﺍﻳﻮﺏ . ﻋﻦ ﺯﻳﺪ ﺑﻦ ‏( ﺍﺑﻲ ‏) ﺣﺒﻴﺐ . ﻋﻦ ﺑﻜﻴﺮ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺍﻻﺷﺞ . ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺍﻧﻪ ﺳﺌﻞ ﻋﻦ ﺻﻼﺓ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ . ﻓﻘﺎﻝ : ﺗﺠﺘﻤﻊ ﻭﺗﺨﺘﻔﺰ . ‏(ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ . ﻭﺭﺟﺎﻟﻪ ﺛﻘﺎﺕ )
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে যে,মহিলারা কীভাবে নামায আদায় করবে? তিনি বললেন,খুব জড়সড় হয়ে অঙ্গের সাথে অঙ্গ মিলিয়ে নামায আদায় করবে।(আল মুসান্নাফ,ইবনে আবী শায়বা ১/৩০২)
#পুরুষ মহিলার নামাজের পার্থক্য–
#আকওয়ালুত তাবিঈন:-১:
আতা ইবনে আবী রাবাহ রহঃ
(ক ) ইমাম বুখারীররহ. উস্তাদ ইমাম ইবনে আবী শাইবা রহঃ বলেন:-
ﻗﺎﻝ ﻫﺸﻴﻢ : ﺍﺧﺒﺮﻧﺎ ﺷﻴﺦ ﻟﻨﺎ ﻗﺎﻝ : ﺳﻤﻌﺖ ﻋﻄﺎﺀ ﺳﺌﻞ ﻋﻦ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻛﻴﻒ ﺗﺮﻓﻊ ﻳﺪﻳﻬﺎ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ؟ﻗﺎ : ﺣﺬﻭ ﺛﺪﻳﻴﻬﺎ . ( ﻣﺼﻨﻒ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ .١/ ٢٧٠ )
হযরত আতা ইবনে আবী রাবাহ রাঃ কে জিজ্ঞাসা করা হল,নামাজে মহিলা কতটুকু হাত উঠাবে? তিনি বললেন বুক বরাবর। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা,১/২৭০)
(খ) ইমাম ইবনে আবী শাইবা রহঃ আরো বর্ণনা করেন
– ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﺟﺮﻳﺞ ﻗﺎﻝ :ﻗﻠﺖ ﻟﻌﻄﺎﺀ :ﺗﺸﻴﺮ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﺪﻳﻬﺎ ﺑﺎﻟﺘﻜﺒﻴﺮ ﻛﺎﻟﺮﺟﻞ؟ﻗﺎﻝ : ﻻ ﺗﺮﻓﻊ ﺑﺬﻟﻚ ﻳﺪﻳﻬﺎ ﻛﺎﻟﺮﺟﻞ . ﻭﺍﺷﺎﺭ ﻓﺨﻔﺾ ﻳﺪﻳﻪ ﺟﺪﺍ . ﺟﻤﻌﻬﻤﺎ ﺍﻟﻴﻪ ﺟﺪﺍ . ﻭﻗﺎﻝ : ﺍﻥ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻫﻴﺌﺔ ﻟﻴﺴﺖ ﻟﻠﺮﺟﻞ ﻭﺍﻥ ﺗﺮﻛﺖ ﺫﻟﻚ ﻓﻼ ﺣﺮﺝ . ‏( ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ ١/ ٢٧٠ )
ইবনে জুরাইজ রহঃ বলেন,আমি আতা ইবনে আবী রাবাহ রহঃ কে জিজ্ঞেস করলাম, মহিলা তাকবীরের সময় পুরুষের সমান হাত তুলবে?তিনি বললেন,মহিলা
পুরুষের মত হাত উঠাবে না।এরপর তিনি(মহিলাদের হাত তোলার ভঙ্গি দেখালেন এবং)তাঁর উভয় হাত (পুরুষ অপেক্ষা) অনেক নিচুতে রেখে শরীরের সাথে খুব মিলিয়ে রাখলেন এবং বললেন,মহিলাদের পদ্ধতি পুরুষ থেকে ভিন্ন।তবে এমন না করলেও
কোন অসুবিধা নেই।(আলমুসান্নাফ,১/২৭০)।
#আকওয়ালুত তাবিঈন:- ২:
মুজাহিদ ইবনে জাবর রহঃ ইবনে আবী শায়বা রহঃ বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﻣﺠﺎﻫﺪ ﺑﻦ ﺟﺒﺮ ﺍﻧﻪ ﻛﺎﻥ ﻳﻜﺮﻩ ﺍﻥ ﻳﻀﻊ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﺑﻄﻨﻪ ﻋﻠﻰ ﻓﺨﺬﻳﻪ ﺍﺫﺍ ﺳﺠﺪ ﻛﻤﺎ ﺗﻀﻊ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ . ‏(ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ .١/ ٣٠٢ )
হযরত মুজাহিদ ইবনে জাবর রহঃ পুরুষদের জন্য মহিলার মত উরুর সাথে পেট লাগিয়ে সেজদা করাকে অপছন্দ করতেন। (মুসান্নিফে ইবনে আবী শাইবা,
পরিচ্ছেদ:মহিলা কীভাবে সেজদায় থাকবে? ১/৩০২)।
#আকওয়ালুত তাবিঈন:৩.
ইবনে শিহাব যুহরী রহঃ ইমাম ইবনে আবী শাইবা রহঃ বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﺍﻟﺰﻫﺮﻱ ﻗﺎﻝ : ﺗﺮﻓﻊ ﻳﺪﻳﻬﺎ ﺣﺬﻭ ﻣﻨﻜﺒﻴﻬﺎ ‏(ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ ﻻﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ . ١/٢٧٩ )
যুহরী রহঃ বলেন,মহিলা কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠাবে।(ইবনে আবী শায়বা,১/২৭০)।
৫.কাতাদাহ ইবনে দিআমা রহঃ আব্দুর রাযযাক ও ইবনে আবী শাইবা বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﺍﻟﺤﺴﻦ ﻭﻗﺘﺎﺩﺓ ﻗﺎﻻ : ﺍﺫﺍ ﺳﺠﺪﺕ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻓﺎﻧﻬﺎ ﺗﻨﻀﻢ ﻣﺎﺍﺳﺘﻄﺎﻋﺖ ﻭﻻﺗﺘﺠﺎﻓﻲ ﻟﻜﻲ ﻻ ﺗﺮﻓﻊ ﻋﺠﻴﺰﺗﻬﺎ . ‏(ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺯﺍﻕ . ٣/ ١٣٧؛ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ .١/
٣٠٣)

হযরত হাসান বসরী ও হযরত কাতাদাহ রহঃ বলেন,মহিলা যখন সেজদা করবে তখন যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে থাকবে।অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফাঁকা রেখে সেজদা দেবে না;যাতে কোমর উঁচু হয়ে না থাকে।(মুসান্নিফে আব্দুর রাযযাক,৩/১৩৭;ইবনে আবী শাইবা,১/৩০৩)।
৬.হযরত ইবরাহীম নাখায়ী রহঃ
(ক) ইবনে আবী শাইবা রহঃ বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﺍﺑﺮﺍﻫﻴﻢ ﺍﺫﺍ ﺳﺠﺪﺕ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻓﻠﺘﻀﻢ ﻓﺨﺬﻳﻬﺎ ﻭﻟﺘﻀﻊ ﺑﻄﻨﻬﺎ ﻋﻠﻴﻬﻤﺎ . ‏(ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ ﻻﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ . ١/٣٠٢ )
ইবরাহীম নাখায়ী রহঃ বলেন,মহিলা যখন সেজদা করবে তখন যেন সে উভয় উরু মিলিয়ে রাখে এবং পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে।(ইবনে আবী শাইবা,১/৩০২)।
(খ) আব্দুর রাযযাক রহঃ বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﺍﺑﺮﺍﻫﻴﻢ ﺍﻟﻨﺨﻌﻲ ﻗﺎﻝ :ﻛﺎﻧﺖ ﺗﺆﻣﺮ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺍﻥ ﺗﻀﻊ ﺫﺭﺍﻋﻬﺎﻭﺑﻄﻨﻬﺎ ﻋﻠﻰ ﻓﺨﺬﻳﻬﺎ ﺍﺫﺍ ﺳﺠﺪﺕ . ﻭﻻ ﺗﺘﺠﺎﻓﻰ ﻛﻤﺎ ﺗﺘﺠﺎﻓﻰ ﺍﻟﺮﺟﻞ . ﻟﻜﻲ ﻻ ﺗﺮﻓﻊ ﻋﺠﻴﺰﺗﻬﺎ . ‏( ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ ﻟﻌﺒﺪ ﺍﻟﺮﺯﺍﻕ .٣/
١٣٧ )
হযরত ইবরাহীম নাখায়ী রহঃ আরো বলেন,মহিলাদেরকে হুকুম করা হত সেজদা অবস্থায় হাত ও পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখতে,পুরুষের মত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফাঁকা না রাখতে;যাতে কোমর উঁচু হয়ে না থাকে।(আব্দুর রাযযাক,৩/১৩৭)।
৭.খালেদ ইবনে লাজলাজ রহঃ ইবনে আবী শাইবা রহঃ বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﺧﺎﻟﺪ ﺑﻦ ﺍﻟﻠﺠﻼﺝ ﻗﺎﻝ :ﻛﻦ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﻳﺆﻣﺮﻥ ﺍﻥ ﻳﺘﺮﺑﻌﻦ ﺍﺫﺍ ﺟﻠﺴﻦ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ . ﻭﻻ ﻳﺠﻠﺴﻦ ﺟﻠﻮﺱ
ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﻋﻠﻰ ﺍﻭﺭﺍﻛﻬﻦ ﻳﺘﻘﻲ ﺫﻟﻚ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻣﺨﺎﻓﺔ ﺍﻥ ﻳﻜﻮﻥ ﻣﻨﻬﺎ ﺍﻟﺸﻲﺀ . ‏(ﺍﻟﻤﺼﻨﻒ ﻻﺑﻦ ﺍﺑﻲ ﺷﻴﺒﺔ .١/٣٠٣ )
হযরত খালেদ ইবনে লাজলাজ রহঃ বলেন,মহিলাদেরকে হুকুম করা হত যেন তারা
নামাযে দুই পা ডান দিক দিয়ে বের করে নিতম্বের ওপর বসে।পুরুষদের মত যেন না বসে। আবরণযোগ্য কোন কিছু প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার আশংকায় মহিলাদেরকে এমনটি করতে হয়।(ইবনে আবী শাইবা,১/৩০৩)।
#পুরুষ মহিলার নামাজের পার্থক্য–
১.ফিকহে হানাফী:
১.১.ইমাম আবু হানীফা রহঃ এর অন্যতম প্রধান শিষ্য ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ বলেন-
ﺍﺣﺐ ﺍﻟﻴﻨﺎ ﺍﻥ ﺗﺠﻤﻊ ﺭﺟﻠﻴﻬﺎ ﻓﻲ ﺟﺎﻧﺐ ﻭﻻ ﺗﻨﺘﺼﺐ ﺍﻧﺘﺼﺎﺏ ﺍﻟﺮﺟﻞ ‏( ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻵﺛﺎﺭ ﻟﻼﻣﺎﻡ ﻣﺤﻤﺪ ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ .١/ ٦٠٩ )
আমাদের নিকট মহিলাদের নামাযে বসার পছন্দনীয় পদ্ধতি হল উভয় পা একপাশে মিলিয়ে রাখবে,পুরুষের মত এক পা দাঁড় করিয়ে রাখবেনা।(কিতাবুল আসার,১/৬০৯) ১.২.মুহাদ্দিস আবুল ওয়াফা আফগানী রহঃ কিতাবুল আসার এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলেন-
ﻳﺮﻭﻯ ﺍﻣﺎﻣﻨﺎ ﺍﻻﻋﻈﻢ ﻋﻦ ﻧﺎﻓﻊ ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﺍﻧﻪ ﺳﺌﻞ ﻛﻴﻒ ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ
ﻳﺼﻠﻴﻦ ﻋﻠﻰ ﻋﻬﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ . ﻗﺎﻝ :ﻛﻦ ﻳﺘﺮﺑﻌﻦ ﺛﻢ ﺍﻣﺮﻥ ﺍﻥ ﻳﺤﺘﻔﺰﻥ . ﺍﺧﺮﺟﻪ ﺍﺑﻮ ﻣﺤﻤﺪ ﺍﻟﺤﺎﺭﺛﻲ ﻭﺍﻻﺷﻨﺎﻧﻰ ﻭﺍﺑﻦ ﺧﺴﺮﻭ ﻣﻦ ﻃﺮﻳﻘﻪ ﻋﻦ ﺳﻔﻴﺎﻥ ﺍﻟﺜﻮﺭﻱ ﻋﻨﻪ . ‏(ﺭﺍﺟﻊ ﺟﺎﻣﻊ ﺍﻟﻤﺴﺎﻧﻴﺪ ﺝ١ﺹ٤٠٠ ‏) ﻭﻫﺬﺍ ﺍﻗﻮﻱ ﻭﺍﺣﺴﻦ ﻣﺎ ﺭﻭﻱ ﻓﻲ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺒﺎﺏ .ﻭﻟﺬﺍ ﺍﺣﺘﺞ ﺑﻪ ﺍﻣﺎﻣﻨﺎ ﻭﺟﻌﻠﻪ ﻣﺬﻫﺒﻪ ﻭﺍﺧﺬ ﺑﻪ .
আমাদের ইমামে আযম আবু হানীফা রহঃ নাফে রহঃ থেকে বর্ণনা করেন,তিনি বলেন,হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাঃ কে জিজ্ঞেস করা হল,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মহিলারা কীভাবে নামায পড়তেন?তিনি বললেন,আগে তারা চারজানু হয়ে বসতেন,পরে তাদেরকে জড়সড় হয়ে বসতে বলা হয়েছে।(জামিউল মাসানীদ,১/৪০০)।
উক্ত হাদীসটি এ বিষয়ে সর্বাধিক শক্তিশালী।এ কারণেই আমাদের ইমাম এর দ্বারা দলীল পেশ করেছেন,এ অনুযায়ী আমল করেছেন এবং এটিকে মাযহাব বানিয়ে নিয়েছেন।(কিতাবুল আসার [টীকা]১/৬০৭)
১.৩.ইমাম আবুল হাসান কারখী হানাফী রহঃ ও তাঁর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ ‘আল মুখতাসার’ এ মহিলাদের নামাজের পার্থক্য বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম আবুল হুসাইন আল কুদূরী আল হানাফী রহঃ তাঁর ব্যাখ্যাগ্রন্থে(১০১-১০২ পান্ডুলিপি) আরো বিস্তারিতভাবে দলীলসহ লিখেছেন। (বিস্তারিত দেখুন:কিতাবুল আসারের টীকা,১/৬০৯)।
১.৪.আল্লামা আব্দুল হাই লাখনোভী হানাফী রহঃ বলেন-
ﻭﻫﺬﺍ ﻛﻠﻪ ﻓﻲ ﺣﻖ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ . ﻭﺍﻣﺎ ﻓﻲ ﺣﻖ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﻓﺎﺗﻔﻘﻮ ﻋﻠﻰ ﺍﻥ ﺍﻟﺴﻨﺔ ﻟﻬﻦ ﻭﺿﻊ ﺍﻟﻴﺪﻳﻦ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺼﺪﺭ .ﻻﻧﻪ ﺍﺳﺘﺮ ﻟﻬﻦ … ﻭﻓﻲ ﺍﻟﻤﻀﻤﺮﺍﺕ ﻧﺎﻗﻼ ﻋﻦ ﺍﻟﻄﺤﺎﻭﻱ :ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺗﻀﻊ ﻳﺪﻳﻬﺎ ﻋﻠﻰ ﺻﺪﺭﻫﺎ ﻻﻥ ﺫﻟﻚ ﺍﺳﺘﺮ ﻟﻬﺎ .
মহিলাদের ব্যাপারে সকলে একমত যে,তাদের জন্য সুন্নাহ হল বুকের উপর হাত বাঁধা। কারণ এটাই তাদের জন্য যথোপযুক্ত সতর।(আস-সিআয়া:২/১৫৬) আরো দেখুন:(ক)হিদায়া ১/১০০,১১০,১১১ (খ)বাদায়িউস সানায়ে,১/৪৬৬;(গ)আল মাবসূত,১/২৫;(ঘ)ফাতাওয়ায়ে শামী ১/৫০৪;ঙ)ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী ১/৭৩,৭৫। (সংগৃহিত)

 

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 749 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ