মুসলিম রোহিঙ্গারা কারো উপহাসের পাত্র নয়,বরং মুসলিম উম্মাহর গর্ব ও অহংকারের ধন

Print

তানভীর আহমেদ :সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ও মারাত্মক ভয়াবহ ও বর্বরতম নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর নাম মায়ানমারের আরাকান রাজ্যের রোহিঙ্গারা।মায়ানমার সরকারের রোহিঙ্গা নিধনের অভিযানে ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য ও জঘন্যতম নির্যাতন নেমে আসে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর।

একসময় পুরো দুনিয়ার মুসলমানদের এক সোনালি ও গৌরবমময় অতীত ছিল।কিন্তু অপসংস্কৃতির করাল গ্রাসে ও ইহুদীদের তৎপরতায় আমাদের ঐতিয্য আজ হুমকির মুখে।এই মহাসংকটে,একবিংশ শতাব্দীতে ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের আত্নত্যাগের জন্য পুরো পৃথিবীর মহা মূল্যবান সম্পদ হিসেবে আখ্যা দিতে পেরে আজ আমারা ধন্য।
এই রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের করুন চিত্র পুরো বিশ্বমানবতাকে নাড়া দিয়েছে এবং মারাত্মকভাবে শিহরিত করেছে।নিজের স্ত্রীর সামনে স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে,স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ করেছে।মায়ের সামনে তার কলিজার টুকরো সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে।মোটকথা, ইতিহাসের সবচেয়ে যে ভয়াবহ ও নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে তা প্রকাশ করার মত ভাষা এখনও উদ্ভব ঘটে নাই।এমতাবস্থায় ও তাঁদের ঈমান বিন্দুমাত্র নড়বড়ে হয় নাই।পর্দার পবিত্রায় একচুল কালি লাগে নাই।এজন্য রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য আমরা গৌরব করি,অহংকার করি।
এমন অমানবিক নির্যাতন মধ্যেও একদল ন্যাংটা, বন্ড বিশ্বনেতারা ও বিশ্বমিডিয়া বেহায়া মত এসব সহ্য করে যাচ্ছে এবং নীরব ভূমিকায় মদদ দিচ্ছে।অথচ একটা উন্নয়নশীল দেশ হয়েও আমাদের গর্বের ধন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশলক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমকে আশ্রয় দিচ্ছেন এবং যাবতীয় মৌলিক চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছেন।
পরিশেষে এটাই বলতে চাই, রোহিঙ্গা মুসলমানরা কারো উপহাসের পাত্র নয়, রোহিঙ্গা মুসলমানরা কোন সম্প্রদায়ের করুণার পাত্র নয়,এমনকি কোন মুসলমানেরও করুণার পাত্র নয়। রোহিঙ্গা মুসলমানরা পুরো বিশ্বের মুসলমানদের রুল মডেল। রোহিঙ্গা মুসলমানরা একবিংশ শতাব্দীর সম্পদ,গর্ব ও অহংকারের ধন।

লেখক,
তানভীর আহমেদ রাসেল, শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 197 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ