মেয়েরা গেঞ্জি সালোয়ার পরলেই কী শালীনতা ধ্বংস হয়!

Print

ঢাবির বেগম সুফিয়া কামাল হলে নোটিশ টাঙ্গাইয়াছে, অশালীন পোষাক পড়িয়া হলে ঘোরাঘুরি করা যাইবে না, সালোয়ারের উপর গেঞ্জি পরা যাইবে না। কি আর করা! কর্তৃপক্ষের সীদ্ধান্ত, অমান্য করার উপায় নাই, হাউস টিউটর মনিটরিং করবেন যখন তখন। এই আক্রার বাজারে সিট কে হারাইতে চায়!
তাই সবাই মিলে ছুটল স্কার্ট কিনতে। রাতে সবাই স্কার্ট গেঞ্জি পড়ে ঘুমালো। খুব ভোরে হাউস টিউটর চুপি চুপি মনিটরিং করতে এসে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে নিজেই অজ্ঞান হয়ে গেলেন।ব্রেকিং নিউজ, শালীনতা রক্ষায় একি অশালীন সিদ্ধান্ত দিলেন হল কর্তৃপক্ষ!

এই খবরে মাহফুজা বেগম একটু দ্বিধাগ্রস্ত, তিনি কি মেয়েদের ভুল পথে চালাচ্ছেন! তার মেয়েরা বাসায় ট্রাউজার নয়ত সালোয়ারের সাথে লং গেঞ্জি ওড়না পরে। মাহফুজা বেগম নিজেই কিনে গার্মেন্টসের দোকানগুলি থেকে, কত সস্তায় কত সুন্দর সুন্দর গেঞ্জি ট্রাউজার! গার্মেন্টসের দেশ, এটুকু সুবিধা না নিলে কি হয়! বিদেশে এই একই জিনিস যে চড়া দামে বিক্রি হয় তা থাইল্যান্ডের রবিনসনে দেখে ভিমরি খাবার যোগার হয়েছিল। কোলকাতায় দেখেছে এখানকার গার্মেন্টসের পোশাক ফুটপাথ ও বড় দোকানে বিক্রি হচ্ছে।
শালীনতা কী শুধু গেঞ্জি সালোয়ার পরলেই ধ্বংস হয়ে গেল! তের হাত শাড়ি পরেও যে অশালীন হওয়া যায় কিংবা বোরখা পরেও যে অশালীন হওয়া যায় মাহফুজা বেগম তা সচোক্ষেই দেখে রাস্তা ঘাটে স্কুলে কোচিংয়ে। টাইট ফিটিং বোরকা সাথে একপেশে ওড়না, আবার শাড়ির সাথে ব্লাউজের যে ছিরি দেখলে লজ্জা পেতে হয়।
মাহফুজা বেগম রোকেয়া হলে এটাচড ছিলেন, সেখানে কিছু কিছু মেয়ে এমন জঘন্য পোশাক পরত যে পুরুষ দাদুদের সামনে লজ্জা পেতে হোত ডাইনিং বা ক্যান্টিনে খেতে গেলে। তখন মনে মনে ভাবত যে মেয়েদের তো চেঞ্জ করা যাবে না তবে মেয়েদের হলে পুরুষ কর্মচারী এলাউ না করলেই হয়!এখন সম্ভবত সময় এসেছে মেয়েদের হলে পুরুষ কর্মচারী নিষিদ্ধ করার। কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 446 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ