যে খাবারগুলো ভুলেও গরম করে খাবেন না

Print

যে ৪টি খাবার ভুলেও গরম করে খাবেন না

গরম গরম খাবার খেতে কার না ভাল লাগে! কিন্তু আধুনিক যুগের ব্যস্ত জীবনে সবসময় খেতে বসার ঠিক আগেই রান্না করার সুযোগ হয় না। অনেক বাড়িতেই দু’বেলার খাবার এক বারে রান্না করে রেখে দেওয়া হয় ফ্রিজে। তারপর সময়মতো ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে উনুন বা মাইক্রোওভেন-এ গরম করে নিয়ে খাওয়া হয়। কিন্তু ডাক্তাররা বলছেন, কোনও কোনও খাবার এভাবে গরম করে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এই খাবারগুলি রান্না করার পর গরম গরম খেয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করছেন ডাক্তাররা। এই সব বিপজ্জনক খাদ্যের তালিকায় রয়েছে বাঙালিদের প্রিয় বেশ কিছু খাবারও। এই সব খাবার গরম করে খাওয়ার আগে ভাবুন।

জেনে নিই সেইসব খাবারের নাম ও তাদের প্রাসঙ্গিক বিপদের কথা—

১. মুরগির মাংস:

চিকেন বা মুরগির মাংসে যে প্রোটিন থাকে তার ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। রান্না করা মুরগির মাংস গরম করলে এই প্রোটিনের অণুগুলি ভেঙে যায়। তাই গরম করা মাংস খেলে পেটের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া অনেক সময় রান্নার পরেও স্যালমোনেলা নামের এক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুরগির মাংসের অংশবিশেষে রয়ে যায়। রান্না করা মুরগির মাংস যদি মাইক্রোওয়েভে গরম করা হয় তাহলে এই ব্যাকটেরিয়া মাংসের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এই ব্যাকটেরিয়া গুরুতর অসুস্থতা ঘটাতে পারে।

২. ভাত:

সাধারণত কোনও বাঙালি বাড়িতেই রান্না করার সঙ্গে সঙ্গে ভাত খাওয়া হয় না। উনুন থেকে নামানোর পরে ভাত যদি ঘরোয়া তাপমাত্রাতেই রেখে দেওয়া হয় তাহলে ভাত যত ঠান্ডা হতে থাকে তত নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া জন্ম নিতে থাকে তাতে। সেই ঠান্ডা হওয়া ভাত যদি আবার গরম করা হয় তবে ব্যাকটেরিয়াগুলির ক্ষতিকারক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায়।

৩. আলু:

আলুর ক্ষেত্রে সমস্যাটি অনেকটা ভাতের মতোই। রান্না করা বা সিদ্ধ করা আলু ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দিলে তাতে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। সেই ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতিকরতা বৃদ্ধি পায় আলু গরম করার সময়। এর পরিণামে পেটে মারাত্মক ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

৪. পালং শাক:

পালং বা অন্য যে কোনও শাক-পাতাতেই নাইট্রেট থাকে। যখন ঠান্ডা হয়ে যাওয়া রান্না করা শাকপাতা পুনরায় গরম করা হয় তখন ওই নাইট্রেট থেকে নাইট্রোস্যামাইন নামের এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি হয় যা ক্যান্সারের বীজ হিসেবে কাজ করে। এছাড়া নাইট্রোস্যামাইন যেমন বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেনের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে, তেমনই বাচ্চাদের মধ্যে প্রবল শ্বাসকষ্টেরও কারণ হতে পারে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 245 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ