রেল যোগাযোগ ধারণা পাল্টে দেবে

Print

পদ্মা সেতু হয়ে রেলপথ যাবে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা : চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ : শুরু হচ্ছে সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া রেলপথের কাজ : আগামী মাসে ঈশ্বরদী-পাবনা রেলপথ উদ্বোধন : যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে পাল্টে যাবে অর্থনীতি
ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করা হবে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমার সংলগ্ন ঘুনধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ শিগগিরি শুরু হচ্ছে। এই দুই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত রেল যোগাযোগের আওতায় আসবে। এ ছাড়া চলতি বছরই শুরু হবে সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ। ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইনের কাজ ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। ঈশ্বরদী থেকে পাবনা রেলপথ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুলনা-মংলা রেলপথ নির্মাণ করা হবে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডাবল লাইনের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে। জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর, আখাউড়া থেকে সিলেট, খুলনা থেকে যশোর ডাবল লাইন, পার্তীপুর থেকে কাউনিয়া ডাবল লাইন নির্মাণসহ বিদ্যমান যমুনা সেতুর উপর পৃথক আরও একটি রেল সেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক। সবগুলো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত চলে আসবে রেল নেটওয়ার্কের আওতায়। এতে করে যোগাযোগের ধারণা পাল্টে দেবে রেলওয়ে। যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সুবিধা বাড়বে। পাল্টে যাবে কৃষি, পর্যটনসহ পুরো অর্থনীতির চিত্র। এ বিষয়ে রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক আশা প্রকাশ করে গতরাতে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পর্যায়ক্রমে সারাদেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। এজন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

রেল সূত্র জানায়, পদ্মা সেতু চালু হলে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে রেলপথ যাবে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর। এজন্য ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল লাইন নির্মাণ করবে ইংল্যান্ডের ডিপি রেল কোম্পানী। এতে খরচ হবে ৬০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সাল নাগাদ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এই রেলপথের মাধ্যমে বছরে প্রায় ২০ লাখ ইউনিট কনটেইনার পরিবহন সম্ভব হবে। এ ছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানীসহ চট্টগ্রামের যোগযোগ অনেক সহজ হবে। কমবে সময় ও ভ্রমণ ব্যয়। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের ডিপি রেলের একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ইংল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানটি নকশা প্রণয়ন, অর্থায়ন, রেল লাইন নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। এ কাজে সহযোগিতা করবে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন। বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের জন্য এ রেলপথটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রেলওয়ের সবচেয়ে বড় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাল্টে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের চিত্র। বিশেষ করে বরিশাল বিভাগ প্রথমবারের মত রেল সংযোগের আওতায় আসবে। গভীর সমুদ্রবন্দর থেকে মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে এই রেলপথ দেশের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। দক্ষিণাঞ্চল থেকে কৃষিসহ সব ধরনের পণ্য খুব সহজেই ঢাকায় আসবে। একই সাথে যাত্রী পরিবহনেও রেল হবে যুগান্তকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ এখনও লঞ্চে ভ্রমণ করে। এতে সময় লাগে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা। দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রেল যোগাযোগ চালু হলে ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে সময় লাগবে সাড়ে তিন ঘণ্টা। এই স্বল্প সময়ের কারণে মাছ, তরিতরকারী সবই আসবে ট্রেনে। তখন এগুলোর দামও কমবে, উৎপাদনও বাড়বে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ট্রেন চালু হলে দেশের এক পর্যটন এলাকা কক্সবাজার থেকে আরেক পর্যটন এলাকা কুয়াকাটা যাওয়া যাবে ট্রেনে। এতে করে পর্যটন শিল্পেরও ব্যাপক উন্নতি হবে। এসবের প্রভাবে পাল্টে যাবে পুরো অর্থনীতির চিত্র। উল্লেখ্য, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নে রামনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে সাত হাজার একরের বেশি ভূমি জুড়ে নির্মিত হচ্ছে পায়রা বন্দর।
অন্যদিকে, ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার-ঘুনধুম রেল লাইন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এর নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হবে ভারত থেকে বাংলাদেশ হয়ে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও কোরিয়া হয়ে ইউরোপ পর্যন্ত। তখন ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর। ২০২২ সালের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। গত বছর দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার-ঘুনধুম রেল প্রকল্পের একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তিন বছরের মধ্যেই চালু হবে ঢাকা-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ। একনেকে এই প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার পর পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছিলেন, প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন আগামী তিন বছরের মধ্যেই দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত কাজ শেষ করার। এ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গতরাতে রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক বলেন, আমরা ইতোমধ্যে টেন্ডার আহবান করেছি। যারা কাজ করতে আগ্রহী তারা টেন্ডারে অংশগ্রহণ করেছে। সেগুলো যাচাই বাচাই করে যারা কাজের যোগ্য তাদেরকেই কাজ দেয়া হবে। খুব শিগগিরি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দ্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে ইনশাল্লাহ।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ১৮৯০ সালে মিয়ানমার রেলওয়ে চট্টগ্রাম থেকে রামু এবং কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমার পর্যন্ত রেলওয়ে লাইন নির্মাণের জন্য সার্ভে করেছিল। সেই প্রেক্ষিতে ১৯০৮ থেকে ১৯০৯ সালের মধ্যে মিয়ানমার রেলওয়ে আরও বিশদ সার্ভে পরিচালনা করে। চট্টগ্রামের সঙ্গে আকিয়াবের (মিয়ানমার) রেল যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে দোহাজারী হতে রামু হয়ে আকিয়াব পর্যন্ত ১৯১৭ সাল থেকে ১৯১৯ সালের মধ্যে পুনরায় সার্ভে করা হয়। সে মোতাবেক চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত মিটার গেজ রেল লাইন স্থাপন করা হয়। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে কক্সবাজার হতে রামু পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পূর্ব বাংলা রেলওয়ে চট্টগ্রামের দক্ষিণ দিক থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য সার্ভে করে। যার উদ্দেশ্য ছিল চট্টগ্রাম হতে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলওয়ে সংযোগ স্থাপন করা। জাপান রেলওয়ে টেকনিক্যাল সার্ভিস (জেআরটিএস) ১৯৭১ সালে রেল লাইনটি ট্রাফিক সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জেআরটি ১৯৭৬-৭৭ সালে ডাটা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করে। ১৯৯২ সালে ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক কমিশন অধিবেশনে সম্মতিপ্রাপ্ত এশিয়ান ল্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট নামের প্রকল্পের আওতায় ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কে তিনটি ইউরো-এশিয়া সংযোগ বোর্ডের মধ্যে সাউদার্ন করিডর অন্যতম রুট। এ বিবেচনায় সর্বশেষ দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে ঘুনধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন মিটার গেজ নির্মাণের জন্য ১ হাজার ৮৫২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই অনুমোদন দেয় একনেক। ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা না পাওয়ায় প্রকল্পের কাজ আটকে ছিল। এ অবস্থায় ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় সিঙ্গেল লাইন ট্র্যাককে মিটারগেজের পরিবর্তে ডুয়েলগেজ ট্র্যাকে নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই বছরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলপথ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় এ প্রকল্পের মাধ্যমে সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ এবং নতুন রেল লাইন নির্মাণের সময় ভবিষ্যতে ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমির সংস্থান রেখে ভূমি অধিগ্রহণের নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী সংশোধিত প্রকল্পটি গত বছর একনেকে অনুমোদন করা হয়।
রেল সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন অবহেলিত রেলওয়েকে গণপরিবহনে রূপ দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার ২০ বছর মেয়াদী মাস্টার প্ল্যান তৈরী করে। চার ধাপে সে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় রেলওয়ের সেবার মান বেড়েছে। নতুন নতুন ট্রেন চালু হয়েছে। ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে ২৭০টি বিলাসবহুল কোচ আমদানী করে সেগুলো ট্রেনের বহরে যুক্ত করা হয়েছে। ট্রেনের যাত্রীসেবার মান আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। রেলওয়েতে বর্তমানে ৪৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ২০১৮ সালের মধ্যে বেশিরভাগ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দৃশ্যমান উন্নতির মাধ্যমে ভিন্ন উচ্চতায় উঠবে রেল। বর্তমান সরকারের আমলে ২০০৮ থেকে শুরু বর্তমান সময় পর্যন্ত রেলওয়ের উন্নয়নে ১৯টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সূত্র জানায়, রেলওয়ের উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকারের আমলে এ পর্যন্ত ৬৪টি চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার বিপরীতে ৯ হাজার ১শত ৫৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
অনেকেই মনে করেন, দেশের মহাসড়কগুলোকে চার লেন, আট লেনে উন্নীত করতে যে পরিমাণ টাকা খরচ করা হয় সে তুলনায় যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সুবিধা মেলে না। সড়কপথে লেন বাড়াতে গেলে একদিকে যেমন জমি নষ্ট হয় অন্যদিকে খরচও বাড়ে। সেই সাথে সড়কপথে সেতু নির্মাণ করতে হয়। উদাহরণ হিসাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনে উদাহরণ টেনে ভুক্তভোগি আইনজীবী মিজানুর রহমান বলেন, এই চাল লেনের সুবিধা মিলছে না মেঘনা ও গোমতি সেতুর কারণে। চার লেনের গাড়ি গিয়ে এই দুই ব্রীজে ধীর গতিতে উঠতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। আবার সারাদেশেই সড়কপথের একটা বড় অংশ দখল করে রাখে প্রভাবশালীরা। সে তুলনায় রেলপথকে প্রসারিত করা গেলে জমিও নষ্ট হবে না, আবার দুর্ঘটনা ও যানজটেরও ঝুঁকি কমবে। এ প্রসঙ্গে বুয়েটের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, রেলকে বলা হয় আমজনতার পরিবহন। এজন্য গণমানুষের জন্য রেলকে কিভাবে পরিচালনা করা হবে সে ব্যাপারে সরকারের কমিটমেন্ট থাকা দরকার। তিনি বলেন, আমাদের দ্রুতগতিতে ট্রেন চালানোর সক্ষমতা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু গণমানুষকে সেবা দিতে হলে ট্রেনের গতি বাড়াতে হবে। রেলওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসলে উন্নয়নের কোনো শর্ত থাকে না। শর্ত হলো রেলওয়ে স্বাধীনভাবে চলতে পারছে কিনা, জনগণের সেবা দিতে পারছে কি না। এজন্য রেলওয়েকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে নিতে হবে। জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক বলেন, বিএনপি আমলে রেল ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন রেল হলো সবচে’ সাশ্রয়ী, আরামদায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। এজন্য তিনি রেলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমরাও তাঁর নির্দেশে রেলওয়েকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মনে করি, রেলের উন্নতি হলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। তাতে অর্থনীতিরও উন্নতি হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এইসব উন্নতি দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রেলমন্ত্রী।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 260 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ