লালমোহনে ইউপি মেম্বারের মামলা থেকে বাঁচার জন্য আসামী পক্ষের মিথ্যা মামলা

Print

ভোলা প্রতিনিধি॥
ভোলার লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আবদুর রহিম মেম্বারের উপর হামলা করে নগদ টাকা ও মোটর সাইকেল ছিনতাই করার অভিযোগে তিনি গত ২জুলাই ১৭ইং তারিখে ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আবদুল মালেকের ছেলে মিজানসহ ৭ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পর আসামীরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য বাদি রহিম মেম্বারের উপর বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকী অব্যাহত রাখে। আসামী পক্ষ কোন ভাবেই রহিম মেম্বারকে প্রতিহত করতে না পেরে রহিম মেম্বারের দেয়া মামলার স্বাক্ষি ও রহিম মেম্বারকে আসামী করে গত ১০জুলাই তারিখে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এ মামলায় অভিযোগ করা হয় রহিম মেম্বার গত ৭-৫-১৭ ইং তারিখে মামলার বাদী মিজানের বাড়ীতে গিয়ে চাঁদা দাবী করে এবং এ চাঁদার টাকা না দেয়ায় সে মিজানকে মারধর করে। কিন্তু রহিম মেম্বারের দেয়া লালমোহন ও ভোলা সদর হাসপাতালের ছাড়পত্রে উল্লেখ রয়েছে, গত ৭-৫-১৭ইং তারিখে রহিম মেম্বার মিজান ও তার সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে লালমোহন ও ভোলা সদর হাসপাতালের ১৫ নং কেবিনে ৫দিন যাবৎ ভর্তি ছিলেন। সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রহিম মেম্বারের বাম হাতের ৩টি আঙ্গুল কেটে যায়, যার চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার বড় বড় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহুতি ও রহিম মেম্বারের দেয়া মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি প্রশাসনের কাছে জোর অনুরোধ জানান। উল্লেখ্য ওই এলাকার চিহ্নত সন্ত্রাসী কালামিয়ার ছেলে আবদুল মালেক ও মালেকের ছেলে মিজান, দেলোয়ার ও হারুন দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে। এলাকার প্রতিবাদি যুবক লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের রহিম মেম্বার বিগত দিনে এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করাতে দিনে দিনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ওই সন্ত্রাসীচক্র। তার সুযোগ খুজতে থাকে কিভাবে রহিম মেম্বারকে ঘায়েল করা যায়। গত ৭-৫-১৭ ইং সন্ধ্যার দিকে রহিম মেম্বার লালমোহন বাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে লর্ডহার্ডিঞ্জ বাজারে পৌছা মাত্র পূর্ব থেকে উৎ পেতে থাকা আবদুল মালেক, মিজান, দেলোয়ার, হারুন, খলিল, হাসান, লোকমান, জুয়েল ও বাহিরাগত ২জন ক্যাডার রহমি মেম্বরের মোটর সাইকেল গতিরোধ করে তাকে এলোপাথারি মারধর করে। সন্ত্রাসীদের হামলায় রহিম মেম্বার অচেত হয়ে মাটিতে পরে গেলে সন্ত্রাসীরা তার পকেটে থাকা নগদ লক্ষাধিক টাকা, ২টি মোবাইল ফোন ও বাজাজ ডিস্কোভার-১২৫ মোটর সাইকেলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লালমোহন হাসপারতালে ভর্তি করে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করে। স্থানীয় সূত্রে আরো জানাগেছে, উল্লেখিত সন্ত্রাসী চক্রের লোকেরা তাদের চলমান অপকর্ম চালিয়ে যাবার জন্য ওই এলাকায় একমাত্র রহিম মেম্বরকে বাঁধা মনে করে। রহিম মেম্বারকে প্রতিহত করার জন্য এর পুর্বে ২বার তার বসত ঘর ডাকাতি করে। এ সন্ত্রসীদের ভয়ে রহিম মেম্বরসহ তার পরিবারে লোকজন আতঙ্কে দিন কাটালেও ৭ মে রাত ৯টার দিকে ঘটে গেল এক লোমহর্ষক ঘটনা। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য বৃন্দ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 62 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ