সেতুর প্রকল্পের ব্যয় ৪৫ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ,উদ্ধোধনের আগেই সড়কে ধ্বস

Print

ঝালকাঠিতে জমি অধিগ্রহনসহ সেতুর নির্মাণে প্রকল্পের ব্যয় ৪৫ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ॥

উদ্ধোধনের আগেই এ্যাপ্রোচ সড়কে ধ্বস

 


ঝালকাঠি প্রতিনিধি::প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত প্রকল্পের আওতায় ঝালকাঠির রাজাপুর, কাঠালিয়া, আমুয়া, বামনা, পাথরঘাটাসহ বেশকয়েকটি যাতায়াত মহাসড়কে আমুয়া হলতা নদীর ওপর আমুয়া সেতু উদ্ধোধনের আগেই সেতুর দু’পাড়ের এ্যাপ্রোচ সড়কের বেশ কিছু অংশ ধ্বসে পরেছে। সংযোগ সড়ক ধ্বসে যাওয়ায় সেতু উদ্ধোধনে এখন নুতন করে শংকা দেখা দিয়েছে। সেতুটি ২০১৬ সনের জুন উদ্ধোধনের কথা থাকলেও সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহনের কাজে ধীরগতির কারণে বিলম্ব হয়েছে এক বছর বলে জনাগেছে। নুতন করে এখন এ্যাপ্রোচ সড়কে ধ্বস নামায় সেতু চালু হওয়ার অপেক্ষা দীর্ঘ প্রতিক্ষার মধ্যে এমন মন্তাব্য করেছে স্থানীয়রা। মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর উত্তর পাড় আমুয়া পাড়ে আধা কিলোমিটার ও ছোনাউটা পাড়ে এক কিলোমিটার বাইপাস সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়েছিল। কিন্তু টানা তিনদিনের বৃষ্টির কারণে দু’ পাড়ের সড়কের এ্যাপ্রোচ রোডের বিভিন্ন অংশ ধ্বসে পড়েছে। জানাগেছে ঝালকাঠির কাঠালিয়ার আমুয়া হলতা নদীর ওপর ২১৭.৬৮ মিটার পিসি গার্ডার আমুয়া সেতু সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্বাবধানে ২০১৪ সনের ১২ অক্টোবর থেকে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। জমি অধিগ্রহনসহ সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হতে প্রকল্পের ব্যয় ৪৫ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা। দরপত্র অনুযায়ী ২০১৬ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও জমি অধিগ্রহনের জন্য এক বছর পিছিয়ে যায়। আমুয়া বন্দরের ব্যবসায়ীরা ও এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এক বছর পিছিয়ে যাবার পরও আমরা আশা করেছিলাম এ বছর জুন মাসে আমুয়া সেতু চালু হবে। অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিম্মমানের মালামাল দিয়ে কাজ করার কারণে সংযোগ সড়কে ধ্বস দেখা দিয়েছে। অপরদিকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম খান গ্রুপ দাবী করছে সঠিক সময়ে সেতু চালু হবে এবং দরপত্র অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা জানান, আমরা এখনও কাজ বুঝে নেইনি। নুতন সড়কে নুতন মাটি ভরাটের কারণে অতি বর্ষনে রাস্তা কিছুটা বিধ্বস্ত হতে পারে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে উপযোগী করে সড়ক নির্মাণ করতে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 198 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ