সোর্স থেকে তথ্য নিয়ে অপারেশন চালাত ভুয়া ডিবিরা

Print

রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আটক ডিবির ভুয়া ১৬ সদস্য সোর্সদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ভুয়া অভিযান চালিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিত বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি জানায়, ডিবি পুলিশের মতোই ওই ভুয়া ডিবি সদস্যদের আলাদা সোর্স রয়েছে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর রামপুরা বনশ্রী ও রমনা থানা এলাকা থেকে ভুয়া ১৬ ডিবি সদস্যকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. জুয়েল রানা, মো. ইয়াসিন, মো. বাদল, মো. মোমেন আলী, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ, সৈয়দ মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ আলী, মো. সবুজ, মো. লিটন খান, মো. বাবলু মিয়া ওরফে আকাশ, মো. মনির হোসেন-১, মো. ছাইদুর রহমান, মো. মনির হোসেন-২, মাহমুদুল হাসান ওরফে মুন্না ও মো. আফজাল হোসেন ওরফে শাহীন।
আটককৃতদের কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি খেলনা পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি চাপাতি, ৪টি ছুরি, ২টি ওয়াকিটকি, ৩টি ডিবির জ্যাকেট, ২টি হ্যান্ডকাপ, ২টি বেতের লাঠি, ১টি ব্যাগ ও ২টি ডিবি স্টিকার উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া তাদের ব্যবহৃত ২টি কার ও ২টি মাইক্রোবাস, ১ জোড়া হাতকড়া, ১৭টি অব্যবহৃত প্রিপেইড মোবাইল সিম, ৭টি মোবাইল সেট, ১টি আর্মি জ্যাকেট, ১টি কাঠের লাঠি, ১টি স্টিলের স্টিক, ১ জোড়া বুট, ৩টি পেনড্রাইভ, ১টি কার্ডরিডার, ১টি স্টিলের নেমপ্লেট ও পুলিশের মনোগ্রাম সম্বলিত ১টি খালি আইডি কার্ডের কভার উদ্ধার করা হয়।
আবদুল বাতেন বলেন, আটককৃতরা বিভিন্ন সময়ে খোলা বাজার ও অন্যদের মাধ্যমে ডিবির ব্যবহৃত জিনিসপত্র সংগ্রহ করে এ ধরনের ছিনতাই ও ডাকাতি করে থাকে।
তিনি বলেন, সেসব দোকানে পুলিশের নজরদারি ছিল, আরও বাড়ানো হবে। যারা প্রকৃত ডিবি পুলিশ তারা আইনগতভাবে অভিযান চালায়, এক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 67 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ