৪ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেছিলেন মাহি!

Print
চার লাখ টাকা দেনমোহরে শাহরিয়ার ইসলাম শাওনকে বিয়ে করেছিলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের সম্ভাবনাময়ী নায়িকা মাহিয়া মাহি। মঙ্গলবার মাহি-শাওনের বিয়ের কাবিননামা আদালতে দাখিল করেছেন শাওনের আইনজীবী বিল্লাল হোসেন। ওই কাবিননামা থেকেই এ তথ্য জানা যায়।

শাওনকে ঢাকার মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলামের আদালতে হাজির করে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ। অন্যদিকে শাওনের জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী।

শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে শাওনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কাবিননামা আদালতে দাখিলের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন বিল্লাল হোসেন।

জানা গেছে, একবছর আগে শাওনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাহি। গত বছরের ১৫ মে চার লাখ টাকা দেনমোহরে শাওনকে বিয়ে করেন তিনি।

মাহি এবং শাওনের বিয়ের কাবিননামাগত বুধবার সিলেটের ব্যবসায়ী মাহমুদ পারভেজ অপুকে বিয়ে করেন নায়িকা মাহি। বিয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাওনের সঙ্গে মাহির বেশ কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করা হয়। এরপরই গত ২৭ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন মাহিয়া মাহি। পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ শাওনকে গ্রেফতার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়।

রিমান্ডে ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে শাওন দাবি করেছেন, ২০১৫ সালে বাড্ডার কাজী অফিসে বিয়ে করেন শাওন ও মাহি। উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে একই ক্লাসে পড়তেন তারা। তখন থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ডিবির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, শাওনের কম্পিউটার থেকে মাহি ও শাওনের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মাহি-শাওনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে আপলোড করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন শাওন। তার দাবি, স্ত্রী হিসাবে মাহির অনুমতি নিয়েই এসব ছবি আপলোড করা হয়েছে।

শাওন ডিবিকে জানায়, কলেজ জীবন থেকেই মডেল ও অভিনেত্রী হওয়ার শখ ছিলো মাহির। চলচ্চিত্র নির্মাণকারী একটি প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তার।

তার দাবি, চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরুর পরও তাদের ভালো সম্পর্ক ছিল। মাহির সিনেমার শুটিং স্পটেও যেতেন শাওন। সিনেমার প্রযোজক থেকে শুরু করে পরিচালকরা জানতেন মাহির স্বামী শাওন।

শাওন জানান, কিছুদিন থেকে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। সম্প্রতি সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ অপুর সঙ্গে মাহির তৃতীয় বিয়ে হয়। এরপর থেকেই সব প্রেক্ষাপট দ্রুত পরিবর্তন হয়ে যায়।

তবে ছবিগুলোকে ফেক বলে দাবি করেছেন তিনি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেয় করতেই এসব করা হচ্ছে বলে জানান মাহি।

ফেসবুকে প্রকাশিত ছবিগুলো সম্পর্কে মাহি বলেন, ছবিগুলো শুটিং চলাকালে তোলা। শাওন ওই সময় মজা করে আমার সঙ্গে এসব ছবি ক্যামেরাবন্দি করে। বিয়ের কথা নিয়ে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 265 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ