অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো বাংলাদেশ!

Print

%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%acবুধবার বাংলাদেশ ভারত সামরিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর। চীন থেকে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জন্য দুটি সাবমেরিন কেনা হয়েছে। ভারতের সামরিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল সহ এ সফরে আসেন পারিকর।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাথে সাক্ষাতকারে জঙ্গিবাদ দমন ও এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুই দেশের সেনাবাহিনীকে এক সাথে কাজ করার আলোচনা করে প্রতিনিধি দলটি। এসময় দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার করার জন্য বাংলাদেশের সামরিক একাডেমি থেকে ভারতের সৈন্যদের প্রশিক্ষণ নেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন যৌথ মহড়ার বিষয়ে একমত হন তারা।

এ সময় ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিগ-২৯ ও কোস্টগার্ডের জন্য টি-৭২ ট্যাংকসহ আরো কিছু সামরিক সরঞ্জামের একটি তালিকা নিয়ে আসেন। বাংলাদেশকে তা ক্রয় করার প্রস্তাব দেন। তবে বাংলাদেশ তার এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ এগুলো অপ্রয়োজনীয় অথবা প্রয়োজনে অন্য পাশ্ববর্তী দেশ চীন বা রাশিয়া থেকে ইতোমধ্যেই ক্রয় করা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। সামরিক শক্তি বাড়ানোর জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে বিভিন্ন অস্ত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। নৌ বাহিনী তাদের বেশির ভাগ জাহাজ দেশের তিনটি শিপ ইয়ার্ডেই নির্মাণ করছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের সামরিক যন্ত্রপাতি, সামরিক যানবাহন এবং যুদ্ধাস্ত্র নিজ দেশেই তৈরি করছে বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশের সাথে চীন, রাশিয়া এবং ইউরোপের শক্তিশালী সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। আর বেশির ভাগ সামরিক যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণ এসকল দেশ থেকেই গ্রহণ করে বাংলাদেশ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 168 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ