আঁখি, রকি, মাহমুদার পর চলে গেল সখিনাও

Print

%e0%a6%86%e0%a6%81%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%97ঢাকার আশুলিয়ায় আট দিন আগে লাইটার কারখানার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরেক নারী শ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা গেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, বুধবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে সখিনা বেগম নামে ২৫ বছরের ওই তরুণীর মৃত‌্যু হয়। তার শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
গত ২২ নভেম্বর আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় কালার ম্যাক্স (বিডি) লিমিটেড নামের ওই গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুন লাগলে বিভিন্ন বয়সী ২৬ জন নারী কর্মী দগ্ধ হন।
তাদের মধ‌্যে সখিনাকে নিয়ে মোট চারজনের মৃত‌্যু হল। আরও ১৬ জন এখনও বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন, যাদের শরীরের ২০ থেকে ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে পার্থ শংকর জানান।
ঘটনার দিন ২২ নভেম্বর রাতে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত‌্যু হয় ১৬ বছর বয়সী আঁখির। ১৮ বছর বয়সী রকি আক্তার মারা যান তার দুই দিন পর, ২৪ নভেম্বর দুপুরের দিকে। এরপর গত সোমবার সকালে ২৬ বছর বয়সী মাহমুদা আক্তারও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
আশুলিয়ার ওই কারখানায় গ্যাস লাইটার তৈরি হত বলে সেখানে দাহ‌্য সামগ্রীর অভাব ছিল না। অগ্নিকাণ্ডের আগে বিকট শব্দ হয়েছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভস্মীভূত ওই লাইটার কারখানা ছিল অবৈধ। আগে মুরগির খামার থাকলেও পরে অনুমোদন না নিয়েই ওই ভবনে লাইটার কারখানা গড়ে তোলা হয়।
এ বিষয়ে কালার ম্যাক্স (বিডি) লিমিটেড কারখানার তিন মালিকসহ চার জনের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে অধিদপ্তর।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 45 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ