আল-আমিন, সাব্বিরের দোষ স্বীকার

Print

%e0%a6%86%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%acশৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটারের বিপিএলের পারিশ্রমিকের বড় অঙ্ক জরিমানা করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
সাব্বির রহমানকে তার চুক্তির ৩০ শতাংশ, আল-আমিন হোসেনের চুক্তির ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। এবারের বিপিএলে ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের মধ্যে সাব্বিরের পারিশ্রমিক ছিল ৪০ লাখ টাকা। আর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা আল আমিনের পারিশ্রমিক ২৫ লাখ।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানিয়েছেন তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর দুই ক্রিকেটারই নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলনের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বুধবার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শৃঙ্খলার ব্যাপারে বিসিবি কোনো সময় কোনো প্রকার ছাড় দিবে না। আমি পরিস্কার করে বলতে চাই দুজনের অভিযোগ ফিক্সিং সংক্রান্ত কোনো ঘটনা নয়, পুরোপুরি শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ছিল। বিপিএলের সাত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের টিম হোটেলে আমাদের দুই-তিনটা টিম কাজ করে। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা তদন্ত করে দেখেছি এবং দুই খেলোয়াড়ের শুনানি হয়েছে। তারা দুজনই দোষ স্বীকার করে নিয়েছে। এরপরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
সরাসরি দুই খেলোয়াড় দোষ স্বীকার করলেও বিসিবির শীর্ষ কর্তা ও পরিচালক তাদের দোষ ও শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণ সরাসরি বলতে রাজী নন। তিনি বলেন,‘তারা কি করেছে এটা তো আসলে বলার মতো কিছু না! জনসম্মুখে এটা আমরা বলতে চাইছি না। আমরা ধরতে পেরেছি এবং শাস্তি দিতে পেরেছি-এটাই বড় বিষয়। এটার মাধ্যমে আমরা একটা বার্তা দিতে চেয়েছি। তাদেরকে দেখে তরুণ খেলোয়াড়রা অনেক কিছু শিখবে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে একজন ক্রিকেটার হিসেবে এই কাজগুলো তাদের করা উচিত নয়। এই ব্যাপারে বোর্ড সভাপতির একটা কড়া নির্দেশ আমাদের ওপর সব সময়ই ছিল।’
মূলত ক্রিকেটারদের সচেতন করতেই সাব্বির, আল-আমিনকে শাস্তি দেওয়া। তাদেরকে দেখে অনেকেই বুঝে গেছে শৃঙ্খলার ব্যাপারে বোর্ড কতোটা কঠোর। মল্লিক বলেন,‘দুয়েকটা ভুল হয়ে যাচ্ছে। ফলে তারা শাস্তি পাচ্ছে, আবার নিজেকে সংশোধন করে ফিরিয়ে আনছে। সন্তান ভুল করলে বাবা-মা কিন্তু সন্তানকে শাসন করে। তারপরই কিন্তু ভুলপথ থেকে সন্তানকে ফিরিয়ে আনার দায়িত্বও নেয়। একইভাবে বিসিবি যেহেতু ক্রিকেটারদের অভিভাবক, তাই বিসিবি এই ব্যাপারে কোন ছাড় দিচ্ছে না।’
ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে রাতভর পার্টি হওয়ার প্রচলন আছে। আনন্দ, ফূর্তি করার অনুমতিও আছে। এতে নেতিবাচক কিছু দেখছেন না আয়োজকরা। মল্লিক বললেন,‘উৎসব বন্ধ বা উৎসবের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব নেই বিসিবির। কিন্তু সেটা যেন মাত্রা ছাড়িয়ে না যায় বা আমাদের কোনও খেলোয়াড় শৃঙ্খলা ভেঙ্গে কোনও কাজ না করে সেটাই আামাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 98 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ