আশুলিয়ায় কারখানায় দগ্ধ একজনের মৃত্যু, আশঙ্কাজনক ৭

Print

%e0%a6%86%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a6%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%8fআশুলিয়ায় গ্যাস লাইটরর কারখানায় আগুনের ঘটনায় দগ্ধ এক তরুণী মারা গেছে। আঁখি আক্তার মারা গেছে। দগ্ধ আরও সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মঙ্গলবার রাত সোয়া দুইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আঁখির মৃত্যু হয়। বার্ন ইউনিটের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আঁখির বাবা আশরাফুল আলম বলেন, সে আশুলিয়ার একটি মেসে থেকে ওই গ্যাস লাইটার কারখানায় কাজ করত। আর আমরা থাকতাম গ্রামে। গতকাল তার আগুনে দগ্ধ হওয়ার খবর শুনে আমি ও তার মা গ্রাম থেকে এসেছি। পরে রাতে আঁখি মারা গেছে।
এক ভাই এক বোনের মধ্যে আঁখি ছিল সবার বড়। তার বাড়ি রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার ভিকমপুর গ্রামে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শঙ্কর পাল বলেছেন, আঁখির শরীরের ৭০ ভাগ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল।
চিকিৎসক জানান, আশুলিয়ার আগুনে দগ্ধ ২১ জনের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদের নিম্নতম ১৫ শতাংশ পুড়েছে আর সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তবে ভয়ের কথা হলো অনেকের কণ্ঠনালীও পুড়ে গেছে।
মঙ্গলবার বিকালে আশুলিয়ার জিরাবো পুকুরপাড় এলাকায় একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে অর্ধশতাধিক দগ্ধ হয়। এর মধ্যে ২১ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আর পাঁচজনকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 55 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ