ইন্ডিয়ান ভিসা Apply করার সকল নিয়ম কানুন জেনে ই টোকেন সংগ্রহ করুন

Print

Indian Visar কাজটা আসলে কি?

উত্তর– Peoples Republic Of India তে যাওয়ার জন্য Online এ Appointment নেয়ার একটি মাধ্যম। এখান থেকে শুধুমাত্র বাংলাদেশ এর লোকদের India যাওয়ার জন্য Appointment এর কাজ করতে পারবেন।

প্রশ্ন– কিভাবে শুরু করবো?

উত্তর— প্রথমেই জানুন কোন সাইট থেকে কাজটি করা হয়। লিঙ্ক দেখুন এখান থেকে    । আশা করি লিঙ্ক এ ঢুকেছেন এবং কিছুটা ধারনা পেয়েছেন। আসুন এবার দেখাই কিভাবে কাজটি করতে হবে। কাজটি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই Bangladesh থেকে India যেতে চান এমন একজনের Valid Passport এর দরকার হবে। India যেতে হলে আমরা মূলত কয়েকটি Visa Category তে যেতে পারব, তা হল Tourist Visa , Medical Visa, Student Visa, Business Visa. আরো অনেক Visa Category আছে তবে আমাদের দেশ থেকে এই তিনটা Visa Category তে ইন্ডিয়া যায় বেশী।

এবার জানতে হবে কোন ভিসার জন্য  কোন কোন কাগজপত্র আপনাকে জমা দিতে হবে।

Tourist Visa জন্য আপনাকে যে কাগজপত্র দিতে হবে ঃ 

১.. একটি Valid Bangladeshi Passport ,যার Date Of expiry থাকতে হবে কমপক্ষে ১ বছর।

২.. এককপি ২” গুন ২” সাইজের সদ্যতোলা ছবি। এই ছবিটি আপনাকে ফর্ম পূরণ করার সময় স্ক্যান করে অনলাইনে দিয়ে দিতে হবে।

৩.. একটি.২ মাসের Bank Statement . ব্যালান্স সর্বনিন্ম ২০,০০০/- টাকা থাকতে হবে।

৪.. একটি কাউন্সিলর/চেয়ারম্যান এর সার্টিফিকেট।

৫.. একটি বিদ্যুৎ বিল/গ্যাস বিল/টেলিফোন বিল এর ফটোকপি।

৬.. একটি National Id Card এর ফটোকপি।

৭.. আপনার পেশা যদি ব্যাবসা হয় তবে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি। ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স তাদের জন্য তাদের বাবা-মায়ের Bank Statement এবং অবশ্যই বাবা-মায়ের Appointment Date এর প্রিন্টকৃত ডকুমেন্টস সাথে দিতে হবে। কোনক্রমেই বাব-মায়ের Appointment Date এর আগে তাদের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানদের Appointment Date হলে তা গ্রহন যোগ্য হবে না।

৮.. আপনি যখন Appointment Date  পাবেন তখন একটি প্রিন্টকৃত ডকুমেন্টস।

 

Medical Visa জন্য আপনাকে যে কাগজপত্র দিতে হবে

বর্তমানে  Medical Visa জন্য কোন Appointment Date লাগে না। আপনি শুধু ওদের অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে ডাক্তারের নাম , ভিজিটিং কার্ড, রুগীর সকল কাগজপত্র, বাংলাদেশের ডাক্তারের রের্ফাড এর কাগজ জমা দিতে হবে।

যেহেতু বেশীর ভাগ মানুষই  Tourist Visa যায় তাই অন্যন্য ভিসার তথ্য জানতে আমাকে ইমেইল করুন। ধন্যবাদ

যাইহোক, বলেছিলাম একটি Valid Passport লাগবে এবং আপনাকে জানতে হবে যিনি যাবেন তিনি কোন Visa Category তে ইন্ডিয়া যেতে চান? তারপর আপনাকে জানতে হবে ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে মোট কয়টি অফিস আছে? ঢাকা অফিস, চিটাগাং অফিস এবং রাজশাহী অফিস ,বাংলাদেশে ওদের মোট ৩টি অফিস আছে এবং শোনা যাচ্ছে যে আরো অফিস হবে। যাহোক আমি আপনাদের ঢাকা অফিস এর কাজ করার প্রাথমিক ধারনা দিব।

 

বর্তমান সময়ে ইন্ডিয়ান ভিসা’র ডেট এর কাজ অনেক জনপ্রিয় হওয়ায় ডেট পাওয়া এখন অনেক কঠিন হয়ে গেছে ।

কিন্তু কিছু ট্রিকস দ্বারা প্রতিদিন ডেট পাওয়া সম্ভব । আসুন দেখা যাক কিছু টিপস ।

ডেট ছাড় আগ মুহূর্তে সার্ভার অনেক বিজি থাকে তাই সার্ভার এক্সেস করা যায় না । এজন্য আগে থেকে সার্ভার এ ঢুকে থাকবেন । এবং ক্যাপচা কিছুক্ষন পর পর রিলোড দিবেন । মাঝে মাঝে ক্যাপচা দেখতে সমস্যা তাই নিচের এড অন টি ব্রাউজারে ইন্সটল করে রাখুন ।

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ।

রিপ্রিন্ট পেইজ টা রিলোড দিলে ওয়েব ফাইল নাম্বার এবং বার্থডে ও পাসপোর্ট নাম্বার । বার বার লিখতে হয় ।

এজন্য অটোফরম এড অন্স টি ব্যাবহার করুন ।

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ।

চিত্র টি দেখুন ।

ঐ খানে ক্লিক করে আপনার লিখা ডেটা গুল সেভ করে রাখুন । এবং তারপর ঐ পেইজ এ গেলেই দেখবেন অটো

সব কিছু পুরন হয়ে গেছে ।

মজিলা ফায়ার ফক্স কে অনেক ভাবে ব্যাবহার করার জন্য নিচের এড অন্স টি ব্যাবহার করুন ।

Multi fox 2.2.1 DOWNLOAD

প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে ডেট ছাড়া হয় । ডেট ছাড়ার সঠিক সময় জানতেএখানে ক্লিক করুন
এবং সব শেষে ডেট কনফার্ম করার আগে আপনার পিসির নেট স্পীড টানার জন্য ইউটিউব এ ভিডিও প্লে করে কেটে দিন অথবা কিছু ডাউনলোড এ দিয়ে ক্যান্সেল করে দিন ।

 

E Token, ই টোকেন সংগ্রহ করুন ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার থেকে ও ভিসা নিন।

E Token, ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার থেকে ই টোকেন প্রদান করা হয়। আপনি কি ইন্ডিয়া যেতে চান? ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার বাংলাদেশের সকল নাগরিককে ইন্ডিয়া যাওয়ার ভিসা প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশের মোট পাঁচিটি স্থান থেকে ভিসা প্রদান করা হয়। এগুল হলঃ

১। এসিষ্টেন্ট হাই কমিশন অফ ইন্ডিয়া, রাজশাহী। ঠিকানাঃ ২৮৪/।। , হাউজিং এষ্টেট সপুরা, উপশহর, রাজশাহী। টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০৭২১-৮৬১২১৩ টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০৭২১-৮৬১২১১ টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০৭২১-৮৬১২১৫ ফেক্সঃ ০০-৮৮-০৭২১-৮৬১২১২ ইমেইলঃ hoc.rajshahi@mea.gov.in
২। ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার, ষ্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, চিটাগং। ঠিকানাঃ ২১১১, জাকির হোসেন রোড, হাবিব লেন, হলি ক্রিসেন্ট হসপিটালের বিপরিতে,চিটাগং । টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০৩১-২৫৫১১০০ ফেক্সঃ ০০-৮৮-০৩১-২৫২৪৪৯২ ইমেইলঃ ivacctg@colbd.com
৩। ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার,গুলশান। ঠিকানাঃ লেক ভিউ, হাউজ-১২, রোড- ৩৭,গুলশান-১, ঢাকা-১২১২। টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০২-৯৮৯৩০০৬,৮৮৩৩৬৩২ ফেক্সঃ ০০-৮৮-০২৯৮৬৩২২৯- ইমেইলঃ info@ivacbd.com
৪।ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার, মতিঝিল। ঠিকানাঃ ষ্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, সাধারণ বিমা ভবন, ২৪-২৫ দিলকুশা সি/এ, ঢাকা। টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০২-৯৫৫৩৩৭১,৯৫৫৪২৫১ ফেক্সঃ ০০-৮৮-০২-৯৫৬৩৯৯১ ইমেইলঃinfo@ivacbd.com
৫। ইন্ডিয়ান ভিসা এপ্লিকেশান সেন্টার, সিলেট। ঠিকানাঃ ষ্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, রোজভিউ কমপ্লেক্স, শাহজালাল উপশহর, সিলেট-৩১০০। টেলিফোনঃ ০০-৮৮-০৮২১-৭১৯২৭৩,৭১৯৯৩২ ফেক্সঃ ০০-৮৮-০২-৯৫৬৩৯৯১ ইমেইলঃinfo@ivacbd.com

ভিসা পেতে আপনাকে যা করতে হবে,
১। বাংলাদেশী পাসপোট থাকতে হবে।
২। কমপক্ষে ১৫০ ডলার থাকতে হবে।
৩। ইন্ডিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্য। যেমনঃ শিক্ষা, চিকিৎসা, যদি কোন ডকুমেন্ট থাকে সংগ্রহে রাখতে হবে
৪। ভিসা এপ্লিকেশান ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। ফরম ডাউনলোড এই লিংক থেকে ।
৫। ই টোকেন সংগ্রহ করতে হবে। এই লিংক থেকে।

উল্লেখিত সকল ডকুমেন্টগুলি সংঙ্গে নিয়ে ই টোকেন এ প্রাপ্ত তারিখ ও স্থান অনুযায়ী হাজির হলেই আশাকরি আপনি ভিসা পেয়ে যাবেন।

ই টোকেন পেতে এই লিংক এ যান তথ্যগুলি সঠিক ভাবে পূরণ করুন এবং সাবমিট এ ক্লিক করে ই টোকেন এর সিরিয়াল নং ও তারিখ সহ পাতাটি প্রিন্ট করে নিন।

অনলাইন ইন্ডিয়ানর form পুরনের নিয়মঃ

indian_visa1প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত

ভারতীয় ভিসার মাধ্যমে তথ্য সেবা কেন্দ্রের আয় বৃদ্ধি করা যায়। একটু চেষ্টা করলে যে কেউ এটা সফল ভাবে পুরন করে আয় বাড়াতে পারে। মাসে যদি ১০/১৫টি ভিসাও কেউ করে তবে সে কেন্দ্রটি সচল হবে। উদ্যোক্তা অন্তত বলতে পারবে না আমার কেন্দ্রে কোন ইনকাম হয় না। নিম্নে বিষদভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম। সবাই চেষ্টা করে দেখুন তো আপনি কাজটি এবার সহজে করতে পারেন কিনা? যাক শুরু করি এবার,

Indian Visa Application Online. লিংক এখানে ক্লিক করুন।

এটা কপি করে পেষ্ট করে দিলেও হবে, নয়তো টাইপ করে লিখবেন। যেটি আপনার পছন্দ সেটি করবেন। এখন যে পেজটি আসবে সেটি এই রকম। নিচের চিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন।

Passport 01

Please note down the Temporary Application ID:48141826KJ23TBG এভাবে কিছু কথা লেখা আছে। আপনি নোট প্যাডে কিম্বা ওয়ার্ডে IDটা কপি করে রেখে দিন। কোন কারন বসত: ১/২ পেজ লেখার পরে ঝামেলা হলে এই আইডি দিয়ে শেষ যে পেজে লিখেছেন সেখানে যাওয়া যাবে। এখানে আইডি যেমন ID:48141826KJ23TBG

Indian Mission : এখানে ক্লিক করলে চার্ট দেখতে পাবেন। আপনার নিকটবর্তী স্থানটি সিলেক্ট করে দিন। খুনলনার যারা আশে-পাশে আছেন তারা খুলনা থেকে নিতে চাইলে BANGLADESH DHAKA সিলেক্ট করে দিন।

Surname : এখানে পবদবী লিখতে হবে যেমন, কারো নাম Md. Monirul Islam Sarder, Kartick Chandra Chowdhury. এ ক্ষেত্রে Sarder এবঙ Chowdhury লিখতে হবে। ঠিক পাশপোর্টে যেভাবে লেখা আছে, যদি Md. Monirul Islam টুকু লেখা থাকে তবে Islam লিখতে হবে।

Given Name : কারো নাম Md. Monirul Islam Sarder, Kartick Chandra Chowdhury. এ ক্ষেত্রে Md. Monirul Islam এবং Kartick Chandra লিখতে হবে। ঠিক পাশপোর্টে যেভাবে লেখা আছে, যদি Md. Monirul Islam টুকু লেখা থাকে তবে Md. Monirul লিখতে হবে।

Have you ever changed your name? If yes, click the box and give details. কিছু করার দরকার নাই।

Sex : ক্লিক করলেই Male, Female বেরিয়ে আসবে। পুরুষ হলে Male আর মহিল হলে Female সিলেক্ট করবেন।

Date of Birth : পাশপোর্টে যেভাবেই থাক না কেন, আপনি 01/05/1980 এভাবে লিখবেন। দেখবেন পাশপোর্টে যে তারিখটি দেওয়া আছে সেটি লিখবেন। জন্ম নিবন্ধন বা ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ নয়। (DD/MM/YYYY)

Town/City of birth : পাশপোর্টে জন্ম তারিখের উপরে যে জায়গাটির নাম লেখা আছে সেটি লিখবেন, যেমন- Satkhira, Dhaka,Dacca ইত্যঅদি।

Country of birth : সিলেক্টBangladesh. আপনার পাশপোর্টে যদি অন্য দেশের নাম থাকে তবে ত্ই লিখবেন।

Citizenship/National Id No. পাশপোর্ট হোল্ডারের আইডি কার্ডের নং যেমন, 87104771894578, যদি আই ডি কার্ড না থাকে তবে NA লিখবেন।

Religion : ধর্ম, মুসলিম হলে Muslim, হিন্দু হলে Hindu সিলেক্ট করে দিন।

Visible identification marks : কোন বিশেষ লক্ষনীয় চিহ্ন, পাশপোর্টে লেখা আছে। যদি না থাকে তা হলে Nil লিখুন।

Educational Qualification : শিক্ষগত যোগ্যতা। প্রয়োজন মতো করে দিন। Marticulation, Below Marticulation, Graduate ইত্যঅদি।

Nationality :Bangladesh সিলেক্ট করে দিন।

Did you acquire citizenship by birth or by naturalization?* ঝামেলা এড়াতে by birth করে দিন।

Prev. Nationality এই অপসননটি পূরন করা লাগবে না।

Passport No. : ঠিক পাশপোর্টে যেভাবে লেখা আছে কোন Space হবে না. যেমন Y0725841

Place of Issue : বইতে লেখা আছে, যেমন, Satkhira,Khulna,Dhaka ইত্যঅদি।

Date of Issue : ঠিক জন্ম তারিখ যেভাবে লিখেছিলেন সেভাবে লিখুন। পাশপোর্ট বইতে দেওয়া আছে।

Date of Expiry : ছবির নিচেই তারিখটি দেওয়া আছে। সেটি লিখুন।

Any other valid Passport/Identity Certificate(IC) held ,Yes/ No এখানে No-তে ক্লিক করুন। তারপর

Save and Continue-এ ক্লিক করে ২য় পাতায় যাবেন।

প্রথম পাতার কাজ শেষ। এবার ২য় পৃষ্ঠা।

পৃষ্ঠাটি দেখতে ঠিক এরকম। নিচের চিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন।

চিত্র নং- Passport 02

Applicant’s Address Details

Present Address : এখানে পাশপোর্টধারীর পূর্ন ঠিকানা লিখবেন। প্রথমে Post লিখবেন। তার পর অন্যান্য সব।

Applicant’s Present Address (with post code).Maximum 35 characters

Village/Town/City : এখানে গ্রাম/শহর/নগর যেটা প্রযোজ্য হবে সেটি লিখবেন।

State/Province/District : জেলার নাম লিখবেন।

Postal/Zip Code : আইডি কার্ডের অপর পিঠে পোষ্টাল কোড দেওয়া আছে। সেখান থেকে দেখে লিখে দিন।

Country :BANGLADESH সিলেক্ট করুন।

Phone No. পাশপোর্টধারীর ফোন নং থাকলে লিখতে হবে, না থাকলে লেখার দরকার নেই।

One Contact No is Mandatory

Mobile No. পাশপোর্টধারীর ফোন নং যদি থাকে লিখতে হবে, না লিখলে ৩য় পেজে যাবে না।

Email Address : না লিখলে কোন অসুবিধা নেই।

Click Here for Same Address : যদি বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা একই হয় তবে ছোট্র ধরটিতে ক্লিক করলেই হবে। ভিন্ন হলে পমপোর্ট দেখে যে ঠিকানা লেখা আছে সেটি টাইপ করে লিখে দিন।

Permanent: *

Applicant’s Premanent Address(with post code) : পাশপোর্টে যদি ভিন্ন ঠিকানা লেখা থাকে তবে সেটা লিখুন নয়তো উপরের টিক বক্সে ক্লিক করুন।

Family Details

Father’s Details

Name : পমপোর্ট ধারীর পিতার নাম লিখুন।

Nationality : জাতীয়তাBANGLADESH লিখুন।

Previous Nationality : কিছুই লেখার দরকার নেই।

Mother’s Details

Name : মায়ের নাম পাশপোর্টে যে ভাবে লেখা আছে সেইভাবে লিখুন।

Nationality : জাতীয়তাBANGLADESH সিলেক্ট করুন।

Previous Nationality : কোন কিছুই লেখার দরকার নেই।

Place of Birth : মায়ের জন্ম স্থান অথবা জেলার নাম লিখে দিলেও হবে।

Country of Birth :BANGLADESH লিখুন।

Applicant’s Marital Status : বৈবাহিক অবস্থা। বিবাহিত হলে Married, অবিবাহিত হলে Unmarried লিখুন।

Spouse’s Details

Name : পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে স্ত্রীর/স্বামীর নাম জেনে নিয়ে লিখুন।

Nationality : BANGLADESH লিখুন।

Previous Nationality : কোন কিছুই লেখার দরকার নেই।

Place of Birth : জেলার নাম লিখুন

Country of Birth :BANGLADESH লিখুন।

Were your Grandfather/ GrandMother (paternal/maternal) Pakistan Nationals or Belong to Pakistan held area. Yes No । No-তে ক্লিক করুন।

Profession / Occupation Details of Applicant

Present Occupation : অনেক সময় পাশপোর্টের দেওয়া পেশার সাথে ফরমের পেশার মিল থাকে না। তাই আপনি যদি দেখেন তবে Business Man করে দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাকে অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।

Specify below occupation details of *

In case of HouseWife/Student/Minor Please specify Spouse/Parent’s Occupation details.

Employer Name/business : Manik Store. লিখে দিলে এই নামে অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে।

Designation : Proprietor লিখে দিবেন।

Address : নিকটবর্তী বাজারের নাম লিখুন।

Phone : পাশপোর্ট হোল্ডারের ফোন নং লিখুন।

Department : কিছুই লেখার দরকার নেই।

Monthly Income : যে কোন একটি আয় বলূন যেমন, ৫০০০/, ১০০০০/ ইত্যাদি

Past Occupation, if any : কোন কিছুই লেখার দরকার নেই।

Are/were you in a Military/Semi-Military/Police/Security. Organization? Yes / No

If yes,give details

No-তে ক্লিক করুন।

Save and Continue-এ ক্লিক করে ৩য় পাতায় যাবেন।

৩য় পাতাটি দেখতে ঠিক এরকম।

চিত্র নং- Passport 03

Type of visa : সিলেক্ট করে দিন। Turist হলে Turist সিলেক্ট করে দেবেন। না হলে যে জন্য আপনি যাচ্ছেন সেটা উর্লেখ করে দিবেন।

Duration of Visa (in Months) : সাধারণত: ১ মাসের জন্য সবাই ভিসা নেয়। সামর্থ থাকলে আপনি বেশী সময়ের জন্য ভিসা নিতে পারেন। মনে রাখবেন প্রতি দিনের জন্য ৫ ডলার হিসাবে ডলার এনডোর্স করতে হবে। অথবা ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট নিতে হবে। কমপক্ষে ১৫ হাজার টাকা একাউন্টে থাকতে হবে।

No. of Entries : Single লিখবেন। ব্যবসায়ী হলে Multiple করতে পারেন। গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে।

Purpose of Visit : ক্লিক করলেই অপশন বেরিয়ে আসবে। যেমন Meeting friends/relatives ইত্যদি।

Expected Date journey : যাওয়ার একটি আনুমানিক তারিখ লিখুন। যে দিন কাজটি করছেন কমপক্ষে ১০ দিন পরের তারিখ লিখবেন।

PortofArrivalinIndia: ক্লিক করলেই অপশন বেরিয়ে আসবে। যে পোর্ট দিয়ে যেতে চান সেটিতে ক্লিক করুন। কিম্বা পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে জেনে নিন।

PortofExitfromIndiaঅটো চলে আসবে। এখানে কিছু করার নেই।

Have you ever visited India before? Yes / No : পাশপোর্টে দেখে নিন তিনি ইতিপূর্বে ভারতে গিয়েছিলেন কিনা ? ভিসা দেওয়া থাকরে Yes-এ ক্লিক করুন। না গিয়ে থাকলে Noতে ক্লিক করুন।

Address: এখানে তিনটি ঘর দেওয়া আছে। পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে ভারতে যেখানে গিয়েছিল সেখানকার ঠিকানা জেনে নিয়ে লিখুন।

Cities in India Visited : গিয়ে থাকলে জায়গার নাম লিখুন। না গিয়ে থাকলে কিছু লেখার দরকার নেই।

Last Indian Visa No : পাশপোর্ট বইতে দেখুন শেষ ভারতীয় ভিসার নং । সেটি লিখুন।

Type of Visa : যে ভিসাটি লেখা আছে সেটি লিখুন। লেখা না থাকলে Turist লিখে দিন।

Place of Issue : ভিসাতে লেখা আছে কোন জায়গা থেকে দেওয়া হয়েছিল। ভিসাটি দেখে সেই মত লিখে দিন। যেমনBANGLADESH,DHAKA.

Date of Issue : ভিসাতে লেখা আছে কোন তারিখে ভিসা দেওয়া হয়েছিল। ভিসাটি দেখে সেই মত লিখে দিন।

Has permission to visit or to extend stay in India previously been refused? If so, when and by whom (Mention Control No. and date also) – এখানে Never লিখে দিন।

Other Information

Countries Visited in Last 10 years Countries visited in last 10 years – যদি নতুন পাশপোর্ট হয় তবে None লিখবেন। আর যদি পুরানো পাশপোর্ট হয় তবে কোন কোন দেশের ভিসা লাগানো আছে সেই সব দেশের নাম লিখুন।

Reference Name inIndia: পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে শুনে নিয়ে লিখবেন। নিজে বানিয়ে লিখতে যাবেন না। তাতে বিপদ হতে পারে।

Address : পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে শুনে নিয়ে লিখবেন। নিজে বানিয়ে লিখতে যাবেন না। তাতে বিপদ হতে পারে।

Phone : Reference inIndia-এর ফোন নং পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে শুনে নিয়ে লিখবেন।

Reference Name inBANGLADESH: পরিচিত হলে নিজের নাম লিখতে পারেন। অপরিচিত হলে পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে শুনে নিয়ে লিখবেন।

Address : পরিচিত হলে নিজের ঠিকানা লিখতে পারেন। অপরিচিত হলে পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে শুনে নিয়ে লিখবেন। নিজে বানিয়ে লিখতে যাবেন না। তাতে বিপদ হতে পারে।

Phone : পরিচিত হলে নিজের ফোন নং লিখতে পারেন। অপরিচিত হলে পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে শুনে নিয়ে লিখবেন।

এবার Save and Continue-এ ক্লিক করে ৪র্থ পাতায় যাবেন।

৪র্থ পাতাটি দেখতে ঠিক এরকম। নিচের চিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন।

চিত্র নং- Passport 04

Place/Name of Hotel : যে স্থানে যাবে সে স্থানটির নাম লিখতে হবে। গ্রাম হলে গ্রামের নাম যেমন BADURIA, MOSLANDAPUR, আর শহর হলে KOLKATA, BARASAT নাম লিখতে হবে। প্রয়োজন বোধে আপনি পাশপোর্ট হোল্ডারের কাছ থেকে স্থানটির নাম ভাল করে শুনে নিয়ে লিখবেন। প্রয়োজন হলে ইংরেজিতে বানানটাও করে নিতে পারেন। মনে করবেন এ বিষয়ে কোন লজ্জা করবেন না। তা হলে এ্যামবেসী থেকে ফেরত পাঠাবে সামন্য ভুলের জন্য। আর আপনার দুর্নাম হবে।

Address of Place/Hotel : যে স্থানে যাবে সে স্থানটির পূর্ন ঠিকানা লিখতে হবে। ফিল্ডটি ছোট দেখতে হলে কি হবে, লেখার জন্য জায়গা পেয়ে যাবেন।

State : কোন রাজ্যে যেতে চায় সেই রাজ্যের নাম যেমন কেহ কলিকাতা বা তার আশপাশ যাবার জন্য আপনি West Bangal সিলেক্ট করে দিবেন। আবার অন্য জায়গা হলে সেই স্থানটির নাম যেমন UP, MP, KARNATAK এভাবে লিখতে পারেন।

District : ঠিকানা ভালভাবে জেনে নিয়ে অবশ্যই জেলার নাম লিখবেন। যেমন, North 24 Parganas. Kolkata, Birbhum ইত্যাদি।

Email : জানা না থাকলে লেখার দরকার নেই।

Telephone No : যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে পাশপোর্টধারী যাবে সেই টেলিফোন নম্বর কিম্বা মোবাইল নম্বর অবশ্যই লিখতে হবে।

এখানে অল্প কয়েকটি ফিল্ড পুরনে করেই Continue-তে ক্লিক করুন।

এবার অনলাই ফর্ম পুরনের শেষ ধাপ। কি টেনশন বেড়ে গেল নাকি ? না কোন টেনশন করার দরকার নেই। আরে আপনি তো আমার থেকেও ভাল পারেন দেখছি। আমি কিন্তু অনেক খেটে তাই এটি শিখেছিলাম। কারন প্রথম যেদিন অনলাইন ভিসা শুরু হলো সেদিনই আমি এটাতে প্রবেশ করি। কাজটি করতে প্রথমে একটু বাধা বাধা মনে হলেও শেষ পর্যন্ত দেখবেন অনেক অনন্দ পেয়েছিন আপনি। যাই হোক নিচের চিত্রের দিকে লক্ষ্য করুন।

চিত্র নং- Passport 05

পাতাটির দিকে লক্ষ্য করুন। ঠিক এগুলোই লেখা আছে। এই পেজটি খুব দরকারী তাই প্রথমেই এটি সেভ করে ডেক্সটপে রেখে দিন। কারন নিচের দিকে তাকন সিলেক্ট ডেট অপশন আছে। ওখানে ডেট পাওয়া না গেলে তিন দিনের মাধ্যে যে কোন সময় ডেট নিয়ে নিবেন। আর সে সময়ে ডেট নিতে হলে আপনার Web File No টা এবং জন্ম তারিখ দরকার হবে।

Date And Time Allotment To Applicant

Applicant Name : MOST ROWSHANARA

Web File No : BGDD43183511

Please follow the instructions carefully before proceeding further

Available date(s) of appointment are indicated below. Please select the date and click on “ Confirm the Appointment’’
The system will automatically generate online application in PDF format. Applicant must take a print out of the online application and submit the application along with all the required documents at the Mission/ Visa Office on the Date and Time indicated in the online application.
Applicant can also save the PDF and take print out later.
In case the Applicant could not take a print out of the application or save the PDF after confirming appointment, please use “ Reprint’’ option at the first page of the online form and click on “ Reprint” using “WebFile Number” and “Date of birth”.
If no date of appointment is available after registration , please try on next day by using “ Reprint “ option at the first page of the online form and click on to “ Get Appointment “ by using “WebFile Number” and “Date of birth”.
Select Date : এখানে ক্লিক করলে কয়েকটি তারিখ বেরিয়ে আসেবে। আপনার প্রয়োজন মত তারিখ সিলেক্ট করে দিন।

Confirm The Appointment : এখানেই ক্লিক করেই আপনার ফর্মের কাজ শেষ। এখন PDF ফর্মাটের সকল তথ্য সম্বলিত একটি ডকুমেন্ট আসেব। দুই পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট। প্রিন্টার অন করে প্রিন্ট বাটমে ক্লিক করুন অথবা মেনু বারের ফাইল অপসন থেকেও প্রিন্ট নিতে পারেন অথবা Ctrl+P কমান্ড দিয়েও প্রিন্ট নিতে পারেন।

কোন কারন বসত: যদি আপনি ডেট সিলেক্ট করতে না পারেন তবে আপনি কম্পিউটার অফ করে আবার অন করুন প্রথম পাতায় যাবেন। Web File No টি আইডি-র ঘরে লিখবেন। এবার রি-প্রিন্ট এ ক্লিক করুন। নুতন একটি পাতা আসবে। সেখানে Web File No টা লিখুন নিচে জন্ম তারিখ লিখুন । তারপর Select Date ক্লিক করে তারিখ নির্বাচন করে Confirm The Appointment-এ ক্লিক করলে PDF ফর্মাটের সকল তথ্য সম্বলিত একটি ডকুমেন্ট আসেব। তারপর প্রিন্ট নিন।

ধন্যবাদ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 184013 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ