এয়ারটেলের কর্মীদের বরণ করে নিচ্ছে রবি

Print

%e0%a6%8f%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%95আনুষ্ঠানিকভাবে রবি পরিবারে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন একীভূত হওয়া এয়ারটেল থেকে স্বেচ্ছা অবসরে না যাওয়া কর্মীরা। সোমবার (২১ নভেম্বর) বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে তাদের বরণ করে নিতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে রবি কর্তৃপক্ষ।
আর এর মাধ্যমে কিছু কারিগরি বিষয় ছাড়া আইনি কাঠামোতেই নতুন যাত্রা শুরু করলো রবি। ইতিমধ্যেই একীভূতকরণের ফি এবং চার্জ বাবদ বিটিআরসির মোট পাওনা ৪২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার মধ্যে ৩১৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে রবি। একীভূতকরণের ফি ও অন্যান্য চার্জ পরিশোধে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় থাকলেও আগেভাগেই এই অর্থ প্রাপ্তির কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
বিটিআরসি কার্যালয়ে গিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদের কাছে রোববার পাওনা টাকার চেক হস্তান্তর করেছেন রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।
বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান এবং রবি’র চিফ করপোরেট অ্যান্ড পিপলস অফিসার মতিউল ইসলাম নওশাদ, কোম্পানি সেক্রেটারি ও নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট (রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) মুহাম্মদ শাহেদুল আলম এবং এয়ারটেল এর সাবেক প্রধান নির্বাহী পিডি শর্মা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বিটিআরসি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খাঁন জানিয়েছেন, পাওনার আংশিক অর্থের চেক হস্তান্তর শেষে বাকী ১০৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা দুই কিস্তিতে পরিশোধ করার কথা বলেছে রবি।
বিটিআরসি জানায়, রবিকে ১০০ কোটি টাকা একীভূতকরণ ফি আর ৩০৭ কোটি টাকা এয়ারটেলের স্পেকট্রাম নেয়ার ফি হিসেবে মোট ৪০৭ কোটি টাকা যা ভ্যাট-ট্যাক্স মিলে ৪২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়ছে ।
১৮০০ ব্যান্ডে এয়ারটেলের ১০ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম নিয়েছে রবি। আর এর জন্যেই তাদেরকে এই টাকা পরিশোধ করতে হল।
এই স্পেকট্রামের আরও চার বছর মেয়াদ আছে। কিন্তু যেহেতু ২০০৫ সালে অনেক কম দামে তখনকার ওয়ারিদ এই স্পেকট্রাম কিনেছিল তাই ২০১১ সালের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় হিসেবেই বিটিআরসি বাড়তি টাকা চার্জ করল।
তবে ২১০০ ব্যান্ডে থাকা পাঁচ মেগাহার্ডজের জন্য অপারেটরটিকে কোনো টাকা পরিশাধ করতে হয়নি। কারণ ২০১৩ সালে সব অপারেটরই মূলত তৃতীয় প্রজন্মের সেবা দেওয়ার জন্যে একই মূল্যে এই স্পেকট্রাম কিনেছিল। ফলে এর জন্য আর বাড়তি চার্জ করেনি বিটিআরসি। আর ৯০০ ব্যান্ডে থাকা এয়ারটেলের পাঁচ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম বিটিআরসি নতুন একীভূত কোম্পানিকে না দিয়ে তা ফেরত নিয়ে নিচ্ছে।
রবি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে দুই অপারেটরের ব্যবস্থাপনা, বিপনন এবং অন্যান্য সব একীভূত করা হয়েছে। এখন স্পেকট্রাম একীভূতকরণের কাজ শুরু করবে তারা। তবে সেবা একীভূতকরণের জন্যে তাদের আরও প্রায় বছর খানেক লেগে যাবে বলে জানিয়েছেন রবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকরাম কবীর।
তিনি জানান, একীভূতকরণের শর্ত মেনে আমরা এয়ারটেলের বিদ্যমান সকল কর্মীকে রবিতে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এদের মধ্যে ২৬৬ জন ইতিমধ্যেই সায় দিয়েছে। আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বরণ করব আমরা।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 41 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ